kalerkantho

সোমবার ।  ২৩ মে ২০২২ । ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২১ শাওয়াল ১৪৪৩  

বিধি-নিষেধে কানাডায় ঢুকতে পারেননি মুরাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বিধি-নিষেধে কানাডায় ঢুকতে পারেননি মুরাদ

মুরাদ হাসান

কানাডার বিমানবন্দর পর্যন্ত পৌঁছেও কভিডসংক্রান্ত বিধি-নিষেধে ঢুকতে পারেননি ডা. মুরাদ হাসান। টরন্টো পিয়ারসন বিমানবন্দর থেকে গতকাল শনিবার তাঁকে ফেরত পাঠানো হয়েছে দুবাইয়ে। সেখান থেকে তাঁর পরবর্তী গন্তব্য জানা যায়নি।

নারীর প্রতি অবমাননাকর ও অশালীন বক্তব্য দিয়ে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন মুরাদ।

বিজ্ঞাপন

পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গত মঙ্গলবার তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়। এর দুদিন পর গত বৃহস্পতিবার রাতে তিনি কানাডার টরন্টোর উদ্দেশে এমিরেটসের ফ্লাইটযোগে ঢাকা ছাড়েন। তাঁর ট্রানজিট ছিল দুবাই।

জানা গেছে, দুবাই থেকে গত বৃহস্পতিবার সকালে এমিরেটসের ফ্লাইটযোগে রওনা হয়ে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় টরন্টো পিয়ারসন বিমানবন্দরে পৌঁছান মুরাদ। তাঁর কানাডায় প্রবেশ ঠেকাতে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন কানাডা সরকারের কাছে অনলাইনে আবেদন করেছিল।

সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্র জানায়, কানাডায় মুরাদকে ঢুকতে না দেওয়ার কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা, সমালোচনা, প্রতিবাদ বা কানাডা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন নয়। কভিড পরিস্থিতির কারণে ভিসা থাকলেও বিদেশিদের কানাডা ভ্রমণ কেন জরুরি তা আগে থেকে জানাতে হয়। জরুরি কারণ হিসেবে কানাডায় অবস্থানরত পরিবারের কাছে ফেরা, চাকরি, শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়া, অনুমোদিত ‘পার্মানেন্ট রেসিডেন্ট’ (পিআর), কভিড ছাড়া অন্য জরুরি চিকিত্সা, মৃত্যুশয্যায় থাকা পরিবারের সদস্য দেখতে যাওয়া বা শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সম্ভবত ওই জরুরি কারণগুলোর একটিও মুরাদ হাসানের জন্য প্রযোজ্য নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভিসা থাকার পরও জরুরি কারণে কানাডায় যেতে হলে অনলাইনে কানাডা কর্তৃপক্ষের কাছে ছাড়পত্র নিতে হয়। মুরাদ হাসান সেটি করেননি। আর এ কারণেই তাঁকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মুরাদ হাসান মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেও এখন পর্যন্ত সংসদ সদস্য আছেন। কানাডায় বাংলাদেশ হাইকমিশনে যোগাযোগ করে জানা গেছে, মুরাদ হাসানের কানাডা সফরসংক্রান্ত কোনো তথ্য তারা সরকারিভাবে পায়নি।

মুরাদ হাসানের কূটনৈতিক পাসপোর্টে কানাডার দীর্ঘমেয়াদি ‘মাল্টিপল এন্ট্রি’ ভিসা আছে। ২০১৯ সালে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য তিনি এটি পেয়েছিলেন।



সাতদিনের সেরা