kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

বন্ডের কাপড় খোলাবাজারে বিক্রির সময় গ্রেপ্তার ১১

এক কোটি ২৭ লাখ টাকার কাপড় জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বন্ডের কাপড় খোলাবাজারে বিক্রির সময় গ্রেপ্তার ১১

বন্ড সুবিধায় আমদানি করা শুল্কমুক্ত কাপড় খোলাবাজারে বিক্রির সময় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) লালবাগ বিভাগ। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ৫০৮ রোল পর্দার কাপড়।

শুক্রবার রাতে ধারাবাহিক অভিযানে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড ও তেজগাঁও থানার সাতরাস্তার মোড় এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে কাপড় বহনে ব্যবহৃত ছয়টি কার্ভাড ভ্যানও জব্দ করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন সাইফুল ইসলাম জীবন, শাহাদাত হোসেন, মনির হোসেন, রুবেল আকন, মো. মাসুম, রবিন সরদার, শাহিন হাওলাদার, সোহাগ ফরাজী, মো. নাজিম, কামাল হোসেন ও আরিফ হোসেন।

গতকাল শনিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, বন্ড সুবিধায় আমদানীকৃত পণ্য দেশের কিছু কুচক্রী ব্যবসায়ী চোরাপথে খোলাবাজারে বিক্রির বিষয়ে তথ্য পায় গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ। এর ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চক্রের ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা ৫০৮ রোল পর্দার কাপড় উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক মূল্য এক কোটি ২৭ লাখ টাকা। এ ছাড়া ছয়টি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা বন্ড সুবিধায় চীন থেকে শুল্কমুক্তভাবে এসব কাপড় আমদানি করে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ময়মনসিংহ হয়ে রাজধানীর সাতরাস্তা স্ট্যান্ড ও এলিফ্যান্ট রোড এলাকায় নিয়ে আসেন। এসব কাপড় অতিরিক্ত লাভের উদ্দেশ্যে সুবিধামতো সময়ে চোরাপথে খোলাবাজারে বিক্রি করতেন তাঁরা।

ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আইন অনুযায়ী বন্ড সুবিধার আওতায় আনা পণ্য রপ্তানি কাজে ব্যবহার ছাড়া দেশের কোথাও বিক্রি করতে পারবে না। তবে কেউ বিক্রি করতে চাইলে বন্ড কমিশনারের কাছে ২০ শতাংশ কমিশন বাণিজ্য শুল্ক দিয়ে অনুমতি নিয়ে বিক্রি করতে পারবে। কিন্তু একটি সংঘবদ্ধ চক্র চোরাপথে খোলাবাজারে বন্ড সুবিধার কাপড় বিক্রি করে আসছিল।’

হাফিজ আক্তার বলেন, ‘রাজধানীর ইসলামপুরকেন্দ্রিক এ রকম আরেকটি চক্রের সন্ধান পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। এই চক্রের পেছনে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান তিনি।’

গ্রেপ্তারকৃত ১১ জনের বিরুদ্ধে নিউ মার্কেট থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা হয়েছে। ওই মামলায় তাঁদের প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানোসহ তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।



সাতদিনের সেরা