kalerkantho

শনিবার । ৩ আশ্বিন ১৪২৮। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১০ সফর ১৪৪৩

ভরসার অ্যাম্বুল্যান্সে দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা

এস এম আজাদ   

২৬ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



ভরসার অ্যাম্বুল্যান্সে দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা

হবিগঞ্জের মাধবপুরের মুহিবুর রহমান (৫৫) করোনায় আক্রান্ত হলে স্বজনরা তাঁকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাঁর শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। অ্যাম্বুল্যান্সে কোনো রকম অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয়। ওই হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) বা সাধারণ শয্যার কোনোটাই না পেয়ে স্বজনরা মুহিবুরকে নিয়ে রওনা হয় ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের দিকে। কিন্তু সেখানে পৌঁছার আগেই মারা যান তিনি।

গত শুক্রবার এই করোনা রোগীর মৃত্যুর পর স্বজন ও চিকিৎসকরা বলেছেন, অ্যাম্বুল্যান্সেই যদি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেত, তাহলে হয়তো তাঁকে বাঁচানো যেত।

চাঁদপুরের হাইমচরের আলগীবাজারের মোহাম্মদ কালু (৬৫) করোনায় আক্রান্ত হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গত ১৫ জুলাই মারা যান। রাতেই তাঁর লাশ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যান নাতি সীমান্ত। অভিজ্ঞতা জানতে চাইলে তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া করতে গেলে সাত হাজার টাকা ভাড়া চান চালক। সেখানে থাকা অন্য অ্যাম্বুল্যান্সগুলোর চালকরাও একই ভাড়া চান। কেউ কেউ বেশিও চান। পরে তিনি দর-কষাকষি করে ২০০ ঢাকা কমিয়ে অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া করেন। তিনি শুনেছেন যে আগে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় অ্যাম্বুল্যান্স পাওয়া যেত। সীমান্ত মনে করেন, বেসরকারি মালিকানাধীন এসব অ্যাম্বুল্যান্সের চালকদের চক্র তৈরি হয়েছে।

করোনা মহামারিকালে যারা অসুস্থ হয়ে পড়ছে বা মারা যাচ্ছে তাদের স্বজনদের অভিজ্ঞতা কমবেশি একই। রোগী পরিবহনে ঢাকাসহ সারা দেশে অ্যাম্বুল্যান্সের চাহিদা বেড়েছে। এই সুযোগে অমানবিক ব্যবসার ফাঁদ পেতে বসেছে অ্যাম্বুল্যান্সচালক, মালিক ও হাসপাতাল কেন্দ্রিক চক্র।

ঢাকার এক ডজন হাসপাতালসহ দেশের কয়েকটি হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, হাসপাতালের কর্মচারী, পার্কিং ইজারাদার, রাজনৈতিক নেতা সবাই মিলে বিভিন্নভাবে টাকা আদায় করে অ্যাম্বুল্যান্সের ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। সরকারি হাসপাতালগুলোতে অ্যাম্বুল্যান্স কম থাকার সুযোগ নিচ্ছে চক্রগুলো।

অ্যাম্বুল্যান্স হিসেবে যেসব গাড়ি চলছে সেগুলোর বেশির ভাগই মাইক্রোবাস। এগুলোকে সাইরেন, স্ট্রেচার ও অক্সিজেন সিলিন্ডার লাগিয়ে কথিত অ্যাম্বুল্যান্সে রূপান্তর করা হয়েছে। হাসপাতাল ও ক্লিনিকের নামে অ্যাম্বুল্যান্সের রেজিস্ট্রেশন নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে ভাড়ায় চালানো হচ্ছে। কথিত এসব অ্যাম্বুল্যান্সে নেই আন্তর্জাতিক মানের জরুরি সেবাসামগ্রী। এ কারণে ন্যূনতম প্রাথমিক চিকিৎসা না পেয়ে রাস্তায়ই মারা যাচ্ছে অনেক রোগী। থাকছেন না চিকিৎসক বা নার্স। নেই পরিচালনার প্রশিক্ষণ। এসব অনিয়ম বন্ধ বা নিয়ন্ত্রণের তেমন কোনো ব্যবস্থা সরকারিভাবে নেই। পুলিশ ও সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা থাকলেও নীতিমালা তৈরিতে উদ্যোগ নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, নীতিমালা তৈরি করে অ্যাম্বুল্যান্স সেবাকে আইনের আওতায় না আনতে পারলে অনিয়ম ও হয়রানি বন্ধ করা সম্ভব নয়।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি অ্যান্ড ক্যাজুয়ালটি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. এইচ এ নাজমুল হাকিম কালের কণ্ঠকে বলেন, একটি অ্যাম্বুল্যান্সে ভেন্টিলেটর, অক্সিজেন, কার্ডিয়াক মনিটর, ইমার্জেন্সি ড্রাগসহ অন্যান্য জীবন রক্ষাকারী উপকরণসহ আইসিইউ (ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিট) থাকা জরুরি। হাসপাতাল ও রোগীর অবস্থানের দূরত্ব থাকায় অনেক সময় ইমার্জেন্সি মেডিক্যাল সার্ভিসের আগে রোগীকে প্রি-হসপিটাল কেয়ার দিতে হয়। করোনায় সংকটাপন্ন এমন রোগীর প্রি-হসপিটাল কেয়ার খুবই জরুরি। এ ধরনের চিকিৎসার অভাবে বছরে অনেক লোকের মৃত্যু ঘটে।

চিকিৎসকরা বলছেন, বাস্তবে দেশের অ্যাম্বুল্যান্সগুলোতে চিকিৎসা সুবিধার ছিটেফোঁটাও নেই। উন্নত হাসপাতালে আমদানি করা কিছু অ্যাম্বুল্যান্সে প্রথমে এসব সুবিধা থাকলেও নজরদারির অভাবে কিছুদিন পর সবই হারিয়ে যায়।

সারা দেশে নিবন্ধিত অ্যাম্বুল্যান্সের সংখ্যা কত : বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী, দেশে ছয় হাজার ৯৩৮টি নিবন্ধনকৃত অ্যাম্বুল্যান্স রয়েছে। ঢাকা শহরে রয়েছে চার হাজার ৭০২টি। করোনাকালে ২০২০ সালে ৭৮৮টি অ্যাম্বুল্যান্সের নিবন্ধন হয়েছে।

অ্যাম্বুল্যান্স মালিক সমিতির তথ্য মতে, করোনার সময় চাহিদা বাড়ায় আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি অ্যাম্বুল্যান্স আমদানি হয়েছে। মাইক্রোবাসের চেয়ে অ্যাম্বুল্যান্সের আমদানিতে কর বেশি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মাইক্রোবাস পুরনো হয়ে গেলে এগুলোকে জোড়াতালি দিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে রূপান্তর করা হয়। সে হিসাবে দেশে এখন অন্তত ১০ হাজার অ্যাম্বুল্যান্স চলছে।

ঢাকা মহানগর অ্যাম্বুল্যান্স মালিক সমবায় সমিতির তথ্য মতে, তাদের এক হাজার ৩৭ জন মালিকের দুই হাজার ৮০টি অ্যাম্বুল্যান্স রয়েছে।

সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী, ব্যক্তিমালিকানায় অ্যাম্বুল্যান্সের নিবন্ধন নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

ঢাকা মহানগর অ্যাম্বুল্যান্স মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাবুল দেওয়ান বলেন, বেশির ভাগ অ্যাম্বুল্যান্সের মালিক বেসরকারি হাসপাতালের নামে নিবন্ধন নিয়ে ব্যবসা করেন।

বিআরটিএর পরিচালক শীতাংশু শেখর বিশ্বাস কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত পর্যায় নয়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের অধীনে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো দেখেই লাইসেন্স দেওয়া হয়। সেসব প্রতিষ্ঠানই অ্যাম্বুল্যান্স দেখবে। অ্যাম্বুল্যান্সের ভাড়ার ব্যাপারে কোনো নীতিমালা নেই। এ কারণে ভাড়ার ব্যাপারে অভিযান চালানো যাচ্ছে না। আমরা নীতিমালা তৈরির জন্য প্রস্তাব দিয়েছি।’

জাতীয় জরুরি সেবায় নিবন্ধিত প্রায় সাত হাজার : সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, মাইক্রোবাসকে অ্যাম্বুল্যান্সে রূপান্তর করে লুকিয়ে চালানো হতো। কারণ প্রশাসনের নজরদারি না থাকলেও মাঝেমধ্যে বিআরটিএর অভিযানে ধরা পড়লে জরিমানা গুনতে হতো। কিন্তু তিন বছর ধরে পুলিশের পরিচালিত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ নিবন্ধিত হয়ে অনেকটা বুক ফুলিয়েই চলছে এসব কথিত অ্যাম্বুল্যান্স। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের এক হিসাবে দেখা গেছে, ৯৯৯-এ প্রায় সাত হাজার অ্যাম্বুল্যান্স নিবন্ধিত হয়েছে।

জানতে চাইলে ৯৯৯ ইউনিটের প্রধান ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অনেকে মাইক্রোবাসকে অ্যাম্বুল্যান্সে রূপান্তর করে। দুর্ঘটনা ঘটলে পরে আবার সেটি মাইক্রোবাস হিসেবে চালায়। এ কারণে আমাদের কাছে নিবন্ধিত অ্যাম্বুল্যান্সের সংখ্যা কমে যায়। আমরা কিছু বিষয় দেখে বা শর্তপূরণ হলে নিবন্ধন করি। এগুলোর মধ্যে প্রধান হলো বিআরটিএর লাইসেন্স। এ ছাড়া অক্সিজেনসহ কিছু বিষয়ও আমরা দেখি। তবে এখানে একটা সংকট আছে। অ্যাম্বুল্যান্স পরিচালনার সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় আমরা এগুলোকে কোনোভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স পরিচালনার নীতিমালা আছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে বলেছি।’

ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় : সূত্র মতে, মোটরযান আইন অনুযায়ী অ্যাম্বুল্যান্স সেবা চলবে বিনা ভাড়ায়। এ কারণে বেসরকারিভাবে অ্যাম্বুল্যান্স চালিয়ে মুনাফার আশায় ভাড়া আদায় আইনগতভাবে অবৈধ। এটিকে অন্য সেবামূলক ব্যবসার মতো পরিচালনার জন্য আইনের সংশোধন বা নীতিমালা নেই। মানবিক সেবার কথা বিবেচনা করে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ অ্যাম্বুল্যান্স চলাচলে বাধা দেয় না। এই সুযোগে ঘাটে ঘাটে টাকা দিয়ে ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করেন অ্যাম্বুল্যান্সের চালক ও মালিকরা।

ঢাকার সরকারি-বেসরকারি এক ডজন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অ্যাম্বুল্যান্স ও লাশবাহী ফ্রিজার ভ্যান সেবায় কমিশন ও চক্রের কারবার চলছে। হাসপাতাল ঘিরে গড়ে উঠেছে চক্র। ঢাকার ভেতর রোগী বহন করতে দেড় হাজার থেকে চার হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হয়। ঢাকার হাসপাতাল থেকে আশপাশের জেলায় যেতে হলে একজন রোগীকে চার হাজার থেকে ছয় হাজার টাকা গুনতে হয়। দূরের জেলার ক্ষেত্রে ভাড়া দিতে হয় ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা।

জানা গেছে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পাঁচটি, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের চারটি এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের চারটি অ্যাম্বুল্যান্স রয়েছে। সরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্সে একজন রোগীকে ঢাকার ভেতরে আনা-নেওয়া করতে ভাড়া মাত্র ৩২০ টাকা। তবে সরকারি হাসপাতালের অ্যাম্বুল্যান্সের সুবিধা সাধারণ মানুষ পায় না।

অভিযোগ রয়েছে, হাসপাতালের কর্মচারীদের যোগসাজশে সরকারি অ্যাম্বুল্যান্স বসিয়ে রাখা হয়। বিশেষ রোগী পরিবহন এবং ডাক্তারদের পরিবহনেরও অভিযোগ আছে।

ভাড়া নৈরাজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর অ্যাম্বুল্যান্স মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি আলমগীর হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অ্যাম্বুল্যান্সে ভাড়া এবং চলাচলের নীতিমালা না থাকায় সরকারি কোনো দপ্তরের নজরদারিও নেই। আমরা ২০১৮ সালে একটি নীতিমালার জন্য হাইকোর্টে রিট করেছিলাম। সেটিরও কোনো অগ্রগতি নেই।’ তিনি আরো বলেন, ‘বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগী পাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে হাসপাতালগুলোর কর্মচারীদের (ওয়ার্ড বয় ও আয়া) ওপর। তাঁদের ভাড়ার অন্তত ২০ শতাংশ কমিশন দিতে হয়। এ ছাড়া তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে ভাড়া হয়। এসব কমিশন বাণিজ্য না থাকলে ভাড়া অনেকটাই কমে যেত। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিলেও এখনো লাশবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুল্যান্স থেকে টোল ফি মওকুফ করা হয়নি। এসব কারণে ভাড়া অনেক সময় বেড়ে যায়।’

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ ইউনিটের প্রধান ও অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ তবারক উল্লাহ বলেন, ‘অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়ার কোনো নীতিমালা বা হার না থাকায় একটা বিশৃঙ্খল অবস্থা চলছে। তবে আমাদের মাধ্যমে ঠিক করলে আমরা কথা বলে সহনীয় একটি ভাড়া ঠিক করে দেওয়ার চেষ্টা করি। উভয় পক্ষ সেটা মেনে নেয়।’

বেসরকারি খাতের অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর ডা. খুরশীদ আলম বলেন, অ্যাম্বুল্যান্স সেবার ব্যাপারে সারা দেশে সিভিল সার্জনদের চিঠি দেওয়া আছে। জেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীরও তদারকির দায়িত্ব রয়েছে। লাইসেন্স দেওয়ার কর্তৃপক্ষ হচ্ছে বিআরটিএ। লাইসেন্স দেওয়ার সময়ই দেখতে হবে অ্যাম্বুল্যান্সের ভেতরে উপযুক্ত যন্ত্রপাতি আছে কি না।

মাদক কারবারে অ্যাম্বুল্যান্স : নজরদারি কম থাকার সুযোগে করোনাকালে মাদক কারবারে অ্যাম্বুল্যান্স ব্যবহার করছে কিছু চক্র। গত ২৯ জানুয়ারি কক্সবাজারের চকরিয়ায় অ্যাম্বুল্যান্সে ১২ হাজার ইয়াবাসহ এক যুবক পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। গত ৮ মে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের সামনে থেকে ২৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ একটি অ্যাম্বুল্যান্স আটক ও পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) এডিসি আজহারুল ইসলাম মুকুল কালের কণ্ঠকে বলেন, রাস্তায় কড়াকড়ি থাকলেও অ্যাম্বুল্যান্সে রোগী দেখলে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই সুযোগ নিয়েছে মাদক কারবারিরা।

 



সাতদিনের সেরা