kalerkantho

সোমবার । ৭ আষাঢ় ১৪২৮। ২১ জুন ২০২১। ৯ জিলকদ ১৪৪২

সাক্ষাৎকার

আইনজীবীদের নিয়ে আমার লড়াই

নাহিদ সুলতানা যুথি, অ্যাডভোকেট, সুপ্রিম কোর্ট

৩০ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



আইনজীবীদের নিয়ে আমার লড়াই

আইন পেশায় আসলে শর্টকাট বলতে কোনো কথা নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এখন নতুন যারা আসে সবাই শর্টকাটে বিশ্বাসী

 

অ্যাডভোকেট নাহিদ সুলতানা যুথি পেশায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের স্বনামধন্য আইনজীবী। বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের (রুলা) সভাপতি। সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন। তিনি একাধারে আইনজীবী, সংগঠক ও গৃহিণী। নীরবে ভূমিকা রাখছেন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও। তাঁর আরেকটি পরিচয়, তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের সহধর্মিণী। স্বপ্ন দেখেন দেশের আইনজীবীদের একই প্ল্যাটফর্মে আনার। এ পেশার প্রত্যেকের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে আবারও বারের নেতৃত্বে আসতে চান। আইনজীবীরাই তাঁর ধ্যান-জ্ঞান। তাঁদের নিয়েই চলতে চান লালিত স্বপ্নের পথে। একান্ত সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সংসার, পেশা ও রাজনীতির নানা গল্প। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন কালের কণ্ঠ’র বিশেষ প্রতিনিধি হায়দার আলী এবং নিজস্ব প্রতিবেদক জয়নাল আবেদীন

 

কালের কণ্ঠ : প্রথমেই জানতে চাই আপনার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে। শৈশবের দিনগুলো কেমন কেটেছে?

নাহিদ সুলতানা যুথি : আমার শৈশব কেটেছে পাবনায়। এসএসসি, এইচএসসি পাবনাতেই। এরপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছি। পাবনা একটি সুন্দর শহর। শৈশবে আমি পাবনায় খুব সুন্দর একটি পরিবেশে বড় হয়েছি, কোনো রকম চিন্তা-ভাবনা কিছুই ছিল না। শৈশব তো বোঝেন। আমরা দুই বোন এক ভাইয়ের সুন্দর ছোট্ট সংসার ছিল। নানাবাড়িতে থাকতাম। নানিকে আমি মা বলতাম। মা ছিলেন গৃহিণী। বাবা অধ্যাপক আবু সাঈদ পাবনার অ্যাডওয়ার্ড কলেজে অধ্যাপনা করতেন। পরবর্তী সময়ে নওগাঁ কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে অবসরে যান। তাঁর আদর্শ আর নীতির কথা পাবনাবাসী অবগত। মুক্তিযুদ্ধে যাঁকে দাঁড় করানো হয়েছিল মৃত্যুর লাইনে। সেদিনের মতো উনি বেঁচে গিয়েছিলেন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর শিফট বদল হওয়াতে। আমি গর্বিত যে এমন একজন পিতার সন্তান।

 

কালের কণ্ঠ : বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন কোনো ঘটনা, যেটি আপনাকে এখনো তাড়িয়ে বেড়ায়...

নাহিদ সুলতানা যুথি : তখন আমি প্রথম বর্ষে। কয়েকজন দাঁড়িয়ে গল্প করছিলাম। হঠাৎ দেখি অনেক ছেলেপেলে দৌড়াচ্ছে। পরে শুনলাম ছাত্রশিবির আমাদের হল দখল করেছে। তারা সাত-আটজনের রগ কেটে মেরে ফেলেছে। আমাদের থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরের ঘটনা ছিল এটি। সেই প্রথম চোখের সামনে দেখলাম এমন বর্বরতা। ছাত্রশিবিরের ছেলেরা তখন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজশাহীতে গিয়ে আশপাশের বাড়িঘরে আশ্রয় নিয়েছিল। কিছুদিন পর পর বিশ্ববিদ্যালয়ে হানা দিত। তখন ওদের খুব আধিপত্য, অনেকের আঙুল কেটে দিয়েছে, কবজি কেটে দিয়েছে, পায়ের রগ কেটে দিয়েছে।

 

কালের কণ্ঠ : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনার রাজনীতির হাতেখড়ি। নারী হিসেবে সেটি কতখানি চ্যালেঞ্জের ছিল? পরিবার থেকে কোনো প্রতিবন্ধকতা?

নাহিদ সুলতানা যুথি : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। প্রতিবন্ধকতা বলতে সে রকম কিছু ছিল না। সত্যি বলতে সে সময় ছাত্রশিবিরের এমন দৌরাত্ম্য ও আধিপত্য ছিল যে বেশির ভাগ সময় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকত। তবে রাজনীতি করতে গিয়ে পরিবার থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছি। কোনো বাধা ছিল না।

 

কালের কণ্ঠ : আইন পেশায় আসার পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ বা উদ্দেশ্য ছিল?

নাহিদ সুলতানা যুথি : আইন পেশায় আসাটা একেবারে উদ্দেশ্যহীনভাবে। এখনকার সময়ের ছেলে-মেয়েরা অনেক চিন্তা-ভাবনা করে নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে। আমাদের সময় সে রকম চিন্তা-ভাবনার কিছু ছিল না। তবে আমার ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা ছিল। তা আর হলো না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কাছাকাছি ছিল। সুযোগও পেয়ে গেলাম। আর সাত-পাঁচ না ভেবে আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে যাই। পড়াশোনা শেষ করে ঢাকায় আসি ১৯৮৩ সালে। শুরুতেই ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের সঙ্গে কাজের সুযোগ পাই। যেটি ছিল আমার জন্য খুবই সহায়ক পরিবেশ। সবাই জিজ্ঞেস করতেন আমি কার মেয়ে। মানে কারো মেয়ে ছাড়া যেন এখানে আসাই যায় না। তখনকার দিনে রফিক-উল হকের সাক্ষাৎ পেতে মানুষ রীতিমতো লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকত। প্রায় পাঁচ বছর ছিলাম ওনার সঙ্গে। আর কিছু শিখেছি না শিখেছি, উনার কাছ থেকে আদব-কায়দা, নিয়মানুবর্তিতা এবং সততার শিক্ষা পেয়েছি।

 

কালের কণ্ঠ : সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে নেতৃত্বে আসার চ্যালেঞ্জটা মাথায় এলো কী করে?

নাহিদ সুলতানা যুথি : আমি আসলে ছোটবেলা থেকেই চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করতাম। আইনজীবীদের অধিকার নিয়ে সব সময়ই সোচ্চার ছিলাম। তাঁদের কথা বলতাম সব সময়। ২০০১ সালে আমি এতই কাজ করতাম যে আমার নমিনেশন চাইতে হয়নি। আইনজীবীদের আওয়ামী লীগের সংগঠন থেকে আমাকে সহসম্পাদক পদে নমিনেশন দেওয়া হয়েছিল। এর আগে ২০০০ সালে আমাদের আওয়ামী লীগের নেত্রী প্রয়াত অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন (সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী) উৎসাহ দিয়েছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, ‘মেয়েদের তো চ্যালেঞ্জ নিতেই হবে।’ উনার ওই একটা কথায় চ্যালেঞ্জটা আরো ভালোমতো মাথায় ঢুকে গেল। ২০০৮ সালে নীতিনির্ধারকরা আমাকে কোষাধ্যক্ষ পদে মনোনয়ন দেন। ওই নির্বাচনে আমি প্রায় সাড়ে চার শ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হই। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সঙ্গে আমার ভোটের ব্যবধান ছিল বারের ইতিহাসের রেকর্ড ভাঙা।

 

কালের কণ্ঠ : এক-এগারোর রাজনৈতিক সংকট এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে আপনাদের ভূমিকা কেমন ছিল?

নাহিদ সুলতানা যুথি : নেত্রী যেদিন গ্রেপ্তার হন, আমি সাহায্য চেয়ে আমাদের অনেক জ্যেষ্ঠ আইনজীবীকে ফোন করেছিলাম। তখন তাঁদের ভিন্ন চরিত্র দেখতে পাই। তাঁদের আচরণ খুবই রহস্যজনক মনে হয়েছিল। তখন তাঁদের কেউ কেউ আমাকে বলেছিলেন, ‘আপনার নামেও মামলা হয়েছে, আপনি একটু সরে থাকেন।’ এখনো আমার চোখের সামনে তাঁদের চেহারা ভেসে ওঠে। যাহোক, এক সহকর্মীকে নিয়ে তখন আমি জজকোর্টে গেলাম। পুলিশের সঙ্গে আমাদের অনেক তর্কাতর্কি হলো। তখন আমরা দেখলাম নেত্রী ওখানে বসে আছেন। আমার সঙ্গে তখন আওয়ামী লীগ নেত্রী বাপ্পী, মেহেদীও ছিল। আমরা সবাই অপেক্ষা করে বসে ছিলাম যে কোর্ট থেকে একটা রায় হবে। এক পর্যায়ে আমরা জানলাম যে অর্ডারটা হলো না। তখনই আমরা দৌড়াদৌড়ি শুরু করলাম। শুরু করি প্রতিবাদ আন্দোলন। মুক্তির আগ পর্যন্ত আন্দোলন করে যাই।

 

কালের কণ্ঠ : প্রতিবাদের সাহসটা কিভাবে পেলেন?

নাহিদ সুলতানা যুথি : আমি সব সময়ই প্রতিবাদী। এটি আমার বাবার শিক্ষা। ছোট থেকেই উনি আমাকে প্রতিবাদ করার শিক্ষাটা দিয়ে গেছেন। বাবা নিজেও খুবই প্রতিবাদী মানুষ ছিলেন। এ ছাড়া প্রতিবাদের বিষয়টি আসলে একেবারে ভেতর থেকে আসে। আর বঙ্গবন্ধুকন্যাকে যখন গ্রেপ্তার করা হলো, আমরা মিছিল-মিটিং করতাম, স্লোগান দিতাম। আমাকে একজন বিচারপতি বলেছিলেন, এগুলো যে করছি তা কি ঠিক করছি? তখন স্যরি-টরি বলে পরে আবার শুরু করতাম। স্যরি বললেও সেটি মন থেকে না, আমরা আমাদের প্রতিবাদেই অটল ছিলাম। আমাদের বিশ্বাস ছিল যে বঙ্গবন্ধুকন্যার কিছু হবে না। তাঁকে মুক্তি দিতেই হবে। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দর্শন আমাদের প্রেরণা। আমরা মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের মানুষ। বঙ্গবন্ধুর কন্যাকে যতই দেখি ততই শক্তি পাই।

 

কালের কণ্ঠ : ভবিষ্যতে বারের নেতৃত্বে আসার ইচ্ছা আছে কি না?

নাহিদ সুলতানা যুথি : সত্যি বলতে এটি এমন একটি জায়গা, যেখানে পূর্বসূরি ছাড়া টিকে থাকা খুবই কঠিন। আমার তেমন কেউই ছিল না। আমি নিজের যোগ্যতাবলে এত দূর আসতে পেরেছি। অনেক জুনিয়র সহকর্মী এখন বড় বড় পদে। আমি সব সময় আমার আইনজীবী ভাই-বোনদের কথা ভেবেছি। তাদের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়িয়েছি। তাদের অধিকার বঞ্চনার কথাগুলো বলার চেষ্টা করেছি। তাদের জন্য আমি বড় পরিসরে কাজ করতে চাই। আমার লড়াইটা তাদের জন্যই।

 

কালের কণ্ঠ : কর্মক্ষেত্রে নারী হওয়ায় বিশেষ কোনো চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করতে হয় কি না?

নাহিদ সুলতানা যুথি : আমি নারী, এটাই বড় রকম প্রতিবন্ধকতা। পদে পদে আমাদের নানা রকম চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করে যেতে হয়। ওই যে শুরুতেই বলেছি, আইন পেশায় আসার পর অনেকেই জানতে চাইতেন আমি কার মেয়ে। কোনো ছেলেকে কিন্তু এ ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় না। বিশেষ করে আইন পেশায় নারীদের নানা রকম পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আমি মনে করি, বুকে বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়া উচিত। আমি পারবই—এই বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে গেলে সম্ভাবনার দুয়ার একদিন খুলবেই।

 

কালের কণ্ঠ : আপনার স্বামী শেখ ফজলে শামস পরশ যুবলীগের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করেন?

নাহিদ সুলতানা যুথি : এটি সত্যি যে পরশ কখনো রাজনীতি করেননি। কিন্তু একটি রাজনৈতিক পরিবারে তাঁর জন্ম। রাজনীতি দেখতে দেখতে তাঁর বেড়ে ওঠা। একজন আদর্শবান নেতার সন্তান এবং একটি আদর্শসম্পন্ন নেতা বঙ্গবন্ধু পরিবারের উত্তরসূরি। তাঁর রক্তেই রাজনীতি মিশে আছে। ফলে তিনি রাজনীতির ভালো-খারাপ উভয় দিকটাই জানেন। তিনি যুবলীগের দায়িত্বে আসার পর সংগঠনটিকে আমূল বদলে ফেলেছেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনা যখন তাঁকে এই দায়িত্ব দিলেন, তখন এটাকে একেবারে উনার ব্রত হিসেবে নিয়েছেন। নেত্রীর সম্মান যেন কোনোভাবে তাঁর কোনো কাজে বিঘ্নিত না হয়, সেদিকে তিনি সব সময় খেয়াল রাখেন। বিশেষ করে সারা দেশের নেতাকর্মীদের সম্পর্কে তিনি এতটা আন্তরিক, তা ভাবাও যায় না। তাঁর কাছে সারা দেশের নেতাকর্মীদের তালিকা আছে, বায়োডাটা আছে। তিনি এটি ধরে ধরে সবার খোঁজখবর নেন। বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় রাতে ঘুমাতেন না। সারা রাত বায়োডাটা ধরে ধরে নেতাকর্মীদের খোঁজ নিতেন। তাঁর টেবিলে প্রায় দেড় হাজার বায়োডাটা আছে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, সবার নাম এবং ব্যাকগ্রাউন্ড তাঁর মুখস্থ।

 

কালের কণ্ঠ : সন্তানদের রাজনীতিতে আসার ক্ষেত্রে আপনাদের ভূমিকা কেমন হবে?

নাহিদ সুলতানা যুথি : সন্তানদের ব্যাপারে আসলে ওরাই সিদ্ধান্ত নেবে। তবে আমি মনে করি, পরশ একটা কথা বলে যে আমাদের সন্তানরা ‘আই হেট পলিটিকস’ থেকে সরে আসুক। ব্যারিস্টার নাঈম, ব্যারিস্টার ফাহিম, ওনাদের ছেলে-মেয়েরা আছে। আমরা সবাই একটি পরিবার। আমাদের সন্তানরা পড়াশোনা করে উচ্চশিক্ষিত হয়ে রাজনীতিতে আসুক, দেশটাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাক, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

 

কালের কণ্ঠ : নতুন যারা আইনজীবী পেশায় আসবে তাদের বিষয়ে আপনার পরামর্শ...

নাহিদ সুলতানা যুথি : আইন পেশায় আসলে শর্টকাট বলতে কোনো কথা নেই। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এখন নতুন যারা আসে সবাই শর্টকাটে বিশ্বাসী। রাতারাতি বড়লোক হতে চায়। এখানে পাঁচ বছর আসলে কিছুই না। এই পেশায় এসে খুব অল্প সময়ে বড়লোক হয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখলে আমি বলব তারা অন্য কোনো পেশা বেছে নিক। নতুন প্রজন্মের জন্য পরামর্শ হলো—নিয়মানুবর্তিতা, সিনিয়রদের সম্মান করা, সততার সঙ্গে কাজ করা। কাজের প্রতি একনিষ্ঠ থাকতে হবে। কাজ করে আমি কোনো পারিশ্রমিক চাই না। না পেলে কাজের প্রতি আমার একাগ্রতা কমে যাবে, বিষয়টি এমন না। আমি নতুন প্রজন্মের কাছে একটা কথা বলব, কাজ করে যাও, শুধু কাজ করে যাও।

 

কালের কণ্ঠ : মূল্যবান সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

নাহিদ সুলতানা যুথি : নারীদের বিশেষভাবে মূল্যায়নের জন্য কালের কণ্ঠকেও ধন্যবাদ।