kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১০ আষাঢ় ১৪২৮। ২৪ জুন ২০২১। ১২ জিলকদ ১৪৪২

প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

নিজ অবস্থানে থেকে ঈদ উদযাপন করুন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ মে, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নিজ অবস্থানে থেকে ঈদ উদযাপন করুন

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বন্ধে ঘোরাঘুরি না করে পবিত্র ঈদুল ফিতর নিজ নিজ অবস্থানে থেকে উদযাপন করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে চারটি মেরিন একাডেমিসহ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার অবকাঠামো ও জলযান উদ্বোধনের সময় তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জীবন সবার আগে। বেঁচে থাকলে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা হবে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সবাই ছোটোছুটি না করে যে যেখানে আছেন, সেভাবেই ঈদ উদযাপন করুন।’

তিনি বলেন, ‘ভ্রমণ করোনাভাইরাসের বিস্তার আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে। সুতরাং স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রটোকলগুলো বজায় রাখতে এবং অত্যন্ত জরুরি না হলে ভ্রমণ থেকে বিরত থাকতে আপনাদের সবার কাছে আমার অনুরোধ রইল।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আর যাঁরা বিত্তশালী আছেন, যদি দুস্থদের একটু সহযোগিতা করেন, সেটা আরো বেশি সওয়াবের কাজ হবে বলে আমি মনে করি।’ এ সময় তিনি নৌযানে কাউকে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে না ওঠার এবং নৌযানের নিরাপত্তা বজায় রাখতে যাত্রী, মালিক ও নৌযান কর্তৃপক্ষসহ সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, তাড়াহুড়ায় দুর্ঘটনার শিকার হয়ে নিজের ও পরিবারের জীবন বিপন্ন করবেন না। স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চলুন। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করবেন না।

নিবন্ধনহীন ও ফিটনেস না থাকা নৌযান যেন চলাচল করতে না পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে যদি আমরা জলযানগুলো পরিচালনা করতে পারি, তাহলে দুর্ঘটনা হ্রাস পাবে।’

তিনি বলেন, এই মহামারির সময়ে দেশের মানুষের যেন খাদ্যাভাব না হয়, কষ্ট না হয়, সেদিকে সবাইকেই দৃষ্টি দিতে হবে এবং এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি ফেলে রাখা যাবে না। কভিড-১৯ মানুষকে সত্যিই খুব কষ্ট দিচ্ছে। তাঁর সরকার একে প্রতিরোধ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে যথাযথ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ সময় তিনি এরই মধ্যে হতদরিদ্র ৩৬ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে নগদ আড়াই হাজার করে টাকা দেওয়াসহ চলমান খাদ্য সহায়তার বিষয়টি তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী স্বাগত বত্তৃদ্ধতা করেন। মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস গণভবন থেকে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

উদ্বোধন করা অবকাঠামো ও জলযানের মধ্যে রয়েছে বিআইডাব্লিউটিএর ২০টি কাটার সাকশন ড্রেজার, ৮৩টি ড্রেজার সহায়ক জলযান, প্রশিক্ষণ জাহাজ ‘টিএস ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী (দাদা ভাই)’, বিশেষ পরিদর্শন জাহাজ ‘পরিদর্শী’, নবনির্মিত নারায়ণগঞ্জ ড্রেজার বেজ, বিআইডব্লিউটিসির দুটি উপকূলীয় যাত্রীবাহী জাহাজ ‘এমভি তাজউদ্দীন আহমদ’ ও ‘এমভি আইভি রহমান’, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের ‘পায়রা আবাসন’ পুনর্বাসন কেন্দ্র এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৫০০ পাকা বাড়ি এবং পাবনা, বরিশাল, রংপুর ও সিলেট মেরিন একাডেমি। সূত্র : বাসস।

 



সাতদিনের সেরা