kalerkantho

শুক্রবার । ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৩ রজব ১৪৪২

সংশোধনী বিল পাস

পরীক্ষা ছাড়া ফল প্রকাশে বাধা দূর

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



পরীক্ষা ছাড়া ফল প্রকাশে বাধা দূর

আইন সংশোধন করে জাতীয় সংসদে পাসের মধ্য দিয়ে পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশে বাধা দূর হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদে এসংক্রান্ত তিনটি বিল পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। আগামী দুই দিনের মধ্যে গেজেট, এরপর এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে বলে সংসদকে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে ‘ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল-২০২১’, ‘বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল-২০২১’ এবং ‘বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) বিল-২০২১’ পাস হয়। এর আগে বিলগুলোর ওপর জনমত যাচাই-বাছাই ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।

শিক্ষামন্ত্রী সংসদে বিল তিনটি উত্থাপন করেন গত ১৯ জানুয়ারি। তখন মন্ত্রী সংসদকে জানান, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফল এরই মধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। বিল পাস হলেই তা দ্রুত প্রকাশ করা যাবে। রবিবার বিল পাসের সময় মন্ত্রী জানান, বিল পাস হলে দুই দিন লাগবে গেজেট প্রকাশ করতে। তারপর ফল প্রকাশ করা হবে। আর ফল প্রকাশের পর এই শিক্ষার্থীদের স্নাতক পর্যায়ের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে।

বিল তিনটির উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, সংশোধিত আইনে বিশেষ পরিস্থিতিতে অতিমারি, মহামারি, দৈব-দুর্বিপাকের কারণে বা সরকার কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত কোনো অনিবার্য পরিস্থিতিতে কোনো পরীক্ষা গ্রহণ, ফল প্রকাশ ও সনদ করা সম্ভব না হলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দ্বারা কোনো বিশেষ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই বা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ করে উক্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন এবং সনদ প্রদানের বিষয় উল্লেখ রয়েছে।

বিলের সংশোধনী প্রস্তাব নিয়ে আলোচনাকালে শিক্ষামন্ত্রী সংসদে বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি নেওয়া আছে। আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে ফল তৈরি করে বিল তিনটি অর্ডিন্যান্স আকারে পাস করে সঙ্গে সঙ্গে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু যেহেতু সংসদ বসছে সে কারণে অর্ডিন্যান্স আকারে পাস না করে বিল আকারে উত্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১ এপ্রিল থেকে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সরকার পরীক্ষা ছাড়াই মূল্যায়নের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান শ্রেণির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু পরীক্ষা ছাড়া ফল প্রকাশে আইনি জটিলতা দেখা দেওয়ায় সরকার আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা