kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

স্বাস্থ্য খাতের ‘ডন’ মিঠুকে আজ জেরা করবে দুদক

আব্দুর রাজ্জাকসহ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্বাস্থ্য খাতের ‘ডন’ মিঠুকে আজ জেরা করবে দুদক

স্বাস্থ্য খাতের ‘ডন’ হিসেবে পরিচিত মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুসহ দুজনকে আজ বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানী দল। এদিকে মাস্ক ও পিপিই ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে গতকাল সকাল সোয়া ১০টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত মেসার্স জেএমআই হাসপাতাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকসহ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। দুদক পরিচালক প্রধান মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বে একটি দল তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। দলের অন্য সদস্যরা হলেন উপপরিচালক নুরুল হুদা, সহকারী পরিচালক মো. সাইদুজ্জামান ও আতাউর রহমান।

একই দিন এলান করপোরেশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম আমিনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হলেও তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত উল্লেখ করে দুদকে হাজির হননি। তবে দুদকের কাছে তিনি লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন।  গত ১ জুলাই তাঁকে তলবি নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে দুদক থেকে পাঠানো চিঠিতে মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠুসহ দুজনকে আজ দুদকের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির অন্যতম হোতা মোতাজ্জেরুল ইসলাম মিঠু। সারা দেশের মেডিক্যাল কলেজে স্বাস্থ্য সরঞ্জামসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি তিনি অনেক বেশি মূল্য দেখিয়ে সরবরাহ করতেন। নিম্নমানের পণ্যসামগ্রী সরবরাহ করে তিনি হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে কভিড-১৯-এর চিকিৎসায় নিম্নমানের মাস্ক, পিপিই এবং অন্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ক্রয়সহ বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের নামে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। গত ২১ জুন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের যথাক্রমে সচিব, মহাপরিচালক ও পরিচালক বরাবর পাঠানো চিঠিতে সংশ্লিষ্ট নথিপত্র তলব করা হয়। এর আগে গত ১০ জুন দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক জরুরি বৈঠকে করোনাকালে এম-৯৫ মাস্ক, পিপিইসহ বিভিন্ন সুরক্ষাসামগ্রী ক্রয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি, প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগটি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেয় দুদক।

এন-৯৫ মাস্ক এবং পিপিই ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন মাধ্যমে অনিয়ম-দুর্নীতি বা প্রতারণার কিছু অভিযোগ দুদকের হটলাইন ১০৬ নম্বরে আসে বলে জানা গেছে। অভিযোগ রয়েছে, সিএমএসডির ৯০০ কোটি টাকার কেনাকাটায় দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা