kalerkantho

বুধবার । ৩১ আষাঢ় ১৪২৭। ১৫ জুলাই ২০২০। ২৩ জিলকদ ১৪৪১

দেশে করোনায় মৃত্যু বেড়ে ৭৪৬

নতুন রোগী ২৬৯৫, মৃত্যু ৩৭

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জুন, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশে করোনায় মৃত্যু বেড়ে ৭৪৬

নভেল করোনাভাইরাসে দেশে আরো ৩৭ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৭৪৬। এ ছাড়া সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার ৬৯৫ জনের শরীরে করোনার উপস্থিতি মিলেছে। এতে করোনায় আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫ হাজার ১৪০। করোনাভাইরাস সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে গতকাল এ তথ্য জানান অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডাক্তার নাসিমা সুলতানা।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে ৪৭০ জন। এ পর্যন্ত মোট ১১ হাজার ৫৯০ জন সেরে উঠেছে। দেশে শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১.০২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৩৫ শতাংশ।

নাসিমা সুলতানা জানান, সব শেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ২৮ জন পুরুষ এবং ৯ জন নারী। যাদের মধ্যে ৭১ থেকে ৮০ বছরের চারজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১২ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিনজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছে। এর মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছে ৩১ জন এবং বাসায় পাঁচজন। মৃত অবস্থায় হাসপাতালে এসেছে একজন।

ব্রিফিংয়ের তথ্য মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০টি ল্যাবে ১২ হাজার ৫১০ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়। এর আগের দিন ১২ হাজার ৭০৪ জনের করোনা পরীক্ষা করার কথা জানানো হয়েছিল। এ পর্যন্ত মোট তিন লাখ ৪৫ হাজার ৪৮৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

আগের দিন মোট ৫২টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাগারে আর করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হবে না। এ ছাড়া কারিগরি ত্রুটির কারণে জামালপুরের শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আরটি-পিসিআর ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা আপাতত বন্ধ রয়েছে বলে জানান নাসিমা সুলতানা। তিনি বলেন, ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৩৯৫ জনকে; ছাড় পেয়েছে ১৩৭ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছে ছয় হাজার ৪৯৮ জন। এই সময়ে কোয়ারেন্টিনে নেওয়া হয়েছে দুই হাজার ৪২৮ জনকে, ছাড় পেয়েছে তিন হাজার ১৪৫ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছে ৫৭ হাজার ৮২৮ জন।

ব্রিফিংয়ে অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা করোনার ঝুঁকি এড়াতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, করোনায় মারা যাওয়া ব্যক্তির জন্য আলাদা কবরস্থানের দরকার নেই। সতর্কতা মেনে পারিবারিক কবরস্থানেও দাফন করা যাবে। মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে করোনা ছড়ায় না বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা