kalerkantho

শুক্রবার । ৮ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১

দেশজুড়ে বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ফুটেজ দেখে ধর্ষক শনাক্ত যেকোনো সময় গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৮ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



ফুটেজ দেখে ধর্ষক শনাক্ত যেকোনো সময় গ্রেপ্তার

সহপাঠীর ওপর বর্বরতার প্রতিবাদে গতকালও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল উত্তাল। রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর কুর্মিটোলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় সংগ্রহ করা ক্লোজড সার্কিট (সিসি) টিভি ফুটেজ দেখে একজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাকে আটকের জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে। গত রাতে এ প্রতিবেদন লেখার সময় অভিযান চলছিল। যেকোনো সময় ওই ব্যক্তি গ্রেপ্তার হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবারও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশে বিক্ষোভ হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দিনভর প্রতিবাদী চিত্রাঙ্কন, সাংস্কৃতিক আয়োজন, স্লোগান ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এ ছাড়া গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি), কুমিল্লা, রাজবাড়ী ও টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। নিন্দা জানিয়েছে সরকারের মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

ধর্ষককে শনাক্তের চেষ্টা : ছাত্রী ধর্ষণের মামলাটি তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ধর্ষকের শরীরিক গঠন সম্পর্কে জানার পর বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তাঁরা। পাশাপাশি সন্দেহভাজন পথচারীদের শনাক্ত করতে আশপাশের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সিসি টিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে সেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রী শেওড়ায় বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার পথে গত রবিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ডের কাছে ধর্ষণের শিকার হন। একপর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। রাত ১০টার দিকে যখন তাঁর জ্ঞান ফেরে, তখন সেখান থেকে তিনি বান্ধবীর বাসায় গিয়ে ঘটনা খুলে বলেন। পরে রাত ১২টার দিকে তাঁকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়। পরদিন ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন তাঁর বাবা।

ওই মামলায় বলা হয়েছে, ধর্ষক যুবকের বয়স ২৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে। উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি, গায়ের রং শ্যামলা। স্বাস্থ্য মাঝারি। ঘটনার সময় তাঁর চুল ছোট ছোট ছিল। স্যান্ডেল পরা এই যুবকের পরনে পুরাতন জিন্সের প্যান্ট ছিল। গায়ে ময়লা কালো রঙের ফুলহাতা জ্যাকেট ছিল।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি গতকাল পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উত্তর বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তদন্তসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মেয়েটির দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী ধর্ষকের শারীরিক আকৃতি, চেহারা কেমন ছিল সেটি জানার চেষ্টা করছেন তাঁরা। সে অনুযায়ী সন্দেভাজন বেশ কয়েকজনের ছবি এঁকে তাঁকে দেখানো হয়েছে। তবে এসব ছবির সঙ্গে ধর্ষকের মিল খুঁজে পাননি শিক্ষার্থী।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বলেছেন, ‘তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুতই প্রকৃত অপরাধীকে শনাক্ত করা যাবে।’ তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ওই শারীরিক গঠনের যুবককে খুঁজে বের করতে কাজ চলছে। এর মধ্যে কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে। গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পেলেও পাশাপাশি থানা পুলিশও কাজ করে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। ফলে এককভাবে কেউ তদন্ত করছে না। বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা মাঠে নেমেছেন। অপরাধীকে গ্রেপ্তার করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।

উপকমিশনার সুদীপসহ ডিবির একাধিক কর্মকর্তা গতকাল দুপুরেও দীর্ঘ সময় ঘটনাস্থলে অবস্থান করে পুরো এলাকার একটি ম্যাপ তৈরি করেছেন।

মামলায় বলা হয়েছে, ওই ছাত্রী বাস থেকে নেমে আর্মি গলফ ক্লাব মাঠসংলগ্ন স্থানে পৌঁছালে ধর্ষক যুবক পেছন দিক থেকে তাঁর গলা ধরে ফুটপাতের পাশে মাটিতে ফেলে দিয়ে গলা চেপে ধরে। এ সময় ওই শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাঁকে ধর্ষণ করে। ধর্ষক পরে শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন, হাতঘড়ি, একটি ব্যাগ, নগদ দুই হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়।

উপকমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী জানান, ওই ছাত্রীর মোবাইল ফোনসেটটি পাওয়া যায়নি। তবে এর মধ্যে ফোন করলে রিং হয়েছে। এ নিয়ে কাজ চলছে।

ঢাকা মহানগর ডিবির যুগ্ম কমিশনার মো. মাহবুব আলম সাংবাদিকদের জানান, ঘটনাস্থলের আশপাশে কোনো সিসি ক্যামেরা নেই। তবে দূরবর্তী গলফ গার্ডেন, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালসহ কয়েকটি ভবনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে।

এসব সংগ্রহ করার উদ্দেশ্য হচ্ছে—সন্দেহভাজন পথচারীদের শনাক্ত করা। কেউ ওই শিক্ষার্থীকে আগে থেকে অনুসরণ করেছিল কি না বা ঘটনার পরে ধর্ষক চলে যাওয়ার দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা। কাউকে সন্দেহ হলে তার শারীরিক গঠন মামলায় দেওয়া বিবরণের সঙ্গে মেলানো হবে এবং পরে ওই শিক্ষার্থীকে দেখিয়ে তাঁর কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

মাহবুব আলম বলেন, ‘ধর্ষক আশপাশের কোনো বস্তিবাসী, ছিনতাইকারী বা মাদকসেবী বলে আমরা ধারণা করছি। ঘটনাস্থলের এক কিলোমিটারের মধ্যে বসবাসকারী বস্তিবাসীর কেউ এই কাজ করে থাকতে পারে। আমরা এ বিষয়টিকে মাথায় রেখে কাজ করছি।’

গতকাল রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, ক্রাইম সিনে যেসব আলামত পেয়েছে সেগুলো সংগ্রহ করে ফরেনসিকের জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ, র‌্যাবসহ সবগুলো ইউনিট একযোগে কাজ করছে।

এদিকে গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা মামলার এজাহারটি গ্রহণ করে ২৮ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন। ক্যান্টনমেন্ট থানা থেকে মামলার এজাহারটি আদালতে পাঠানো হয়।

ধর্ষককে দেখলে চিনতে পারবে মেয়েটি : গতকাল ওই ছাত্রীর শারীরিক খোঁজখবর নিতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে যান জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মেয়েটি বলেছেন যে তিনি আসামিকে দেখলে চিনতে পারবেন। নাছিমা আরো বলেন,  ‘এখানে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পুলিশ, চিকিৎসক, অ্যাডভোকেট সবাই আছেন—তাঁদেরকে মেয়েটির সব সহায়তা দেওয়ার কথা বলেছি।’

মেয়েটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে : গতকাল সকালে মেয়েটির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানান ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, তাঁর অবস্থার উন্নতির পাশাপাশি মানসিক শক্তিও ধীরে ধীরে বাড়ছে। দুই-তিন দিনের মধ্যে তাঁকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে। পরিচালক বলেন, ‘সাত সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড মেয়েটিকে দেখেছে। আমাদের মনোচিকিৎসক আছেন, তিনি কিছু ম্যানেজমেন্ট দিয়েছেন। সার্বিকভাবে আগের দিনের চেয়ে স্বাভাবিকের দিকে যাচ্ছেন।’

উত্তাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় : গতকাল সকাল ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদী আল্পনার আয়োজন করে ছাত্রলীগ। রোকেয়া হলের সামনে থেকে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত এই চিত্রাঙ্কন আঁকা হয়। এতে চারুকলা অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অংশ নেন। প্রতিবাদী চিত্রাঙ্কনের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন প্রমুখ।

ধর্ষককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবিতে উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামানের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রসচিব বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এরপর মিছিলসহকারে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে গিয়ে সমাবেশ করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। দোষীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনতে তাঁরা প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছেন।

প্রগতিশীল বারো ছাত্রসংগঠনের প্ল্যাটফর্ম ‘সন্ত্রাসবিরোধী ছাত্র ঐক্য’ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ধর্ষকের গ্রেপ্তারের দাবিতে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে মানববন্ধন করে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ‘নিপীড়নবিরোধী ডাকসু মঞ্চ’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন করে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা সকাল সাড়ে ১১টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ধর্ষকের প্রতীকী কুশপুতুল দাহ করেছেন। একই স্থানে মানববন্ধন ও ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন ফিন্যান্স ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন পদযাত্রা ও রাজু ভাস্কর্যের ভাস্কর্যগুলোতে কালো কাপড় বেঁধে প্রতিবাদ জানান। এ ছাড়া সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ। টিএসসি প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেছেন টিএসসিভিত্তিক সকল সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীরা। অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষ ও রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।

এদিকে ধর্ষককে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করাসহ চার দাবিতে চার শিক্ষার্থী তাঁদের অনির্দিষ্টকালের অনশন ভঙ্গ করেছেন। গতকাল রাতে উপাচার্য তাঁদের অনশন ভাঙান। তাঁরা হলেন সিফাতুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম রাসেল, মোস্তাফিজুর রহমান নাফিজ ও আব্দুর রহমান। 

মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আলটিমেটাম : ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমালোচনা করেছেন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশের আহ্বায়ক আ ক ম জামাল উদ্দিন। দুপুরে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে তিনি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের জন্য সময় বেঁধে দেন।

ধর্ষণবিরোধী গণপদযাত্রা : ছাত্রী ধর্ষণের প্রতিবাদ ও ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) থেকে ঘটনাস্থল কুর্মিটোলা পর্যন্ত গণপদযাত্রার কর্মসূচি দিয়েছে যৌন নিপীড়নবিরোধী শিক্ষার্থী জোট। আগামী শনিবার বিকেল ৩টায় এই কর্মসূচি পালন করবে সংগঠনটি। গতকাল শাহবাগে গণ-অবস্থান পালনকালে এই ঘোষণা দেন সংগঠনের আহ্বায়ক শিবলী হাসান।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা