kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পাত্তা পায় না সুপারিশ

আরিফুর রহমান   

১৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাত্তা পায় না সুপারিশ

২০১০ সাল থেকে চালু হওয়া আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এ পর্যন্ত ২৩০টি প্রকল্প বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে মূল্যায়ন করেছে আইএমইডি। এর পেছনে খরচ হয়েছে ৮৫ কোটি টাকা। এত টাকা খরচ করে কী ফল মিলেছে তার অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২৩০টি প্রকল্পে যত পরামর্শ আর সুপারিশ করা হয়েছিল, তার একটিও বাস্তবায়ন করেনি কোনো মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। ২০১৩ সালে দেশে প্রথম ডেমু ট্রেন চালু করে সরকার। ৪৭৬ কোটি টাকা খরচ করে ২০ সেট ডেমু ট্রেন বিভিন্ন রুটে দেওয়া হয়। সেসব ট্রেন কেমন চলছে, আহসান জাকির নামে পরামর্শকের মাধ্যমে গত বছর মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করে তা রেলপথ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিল আইএমইডি। সেখানে ডেমু ট্রেনে টয়লেট না থাকা, ট্রেনের উচ্চতা, ছোট দরজা, রুট সমস্যা, গ্রীষ্মকালে অস্বাভাবিক গরম এবং মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে ভবিষ্যতে ডেমু ট্রেন কেনার ক্ষেত্রে এসব বিষয় মাথায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রেলপথ মন্ত্রণালয় একটি পরামর্শও আমলে না নিয়ে গত ১৬ জুলাই একনেক সভায় আরো ছয় সেট ডেমু ট্রেন কেনা সংক্রান্ত একটি প্রকল্প উপস্থাপন করে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নতুন করে আর ডেমু ট্রেন না কেনার নির্দেশ দেন। ‘ঢাকা সিটি করপোরেশনের ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা, নর্দমা ও ফুটপাত উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্প সরেজমিন পরিদর্শন শেষে ১৫টি পরামর্শ ও সুপারিশ করা হয়েছিল আইএমইডি থেকে। কিন্তু একটিও মানা হয়নি।

আইএমইডির সচিব আবুল মনসুর মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ নিজেও স্বীকার করছেন, পরামর্শক প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে মূল্যায়ন করা প্রকল্পে যেসব মতামত ও সুপারিশ উঠে আসে, মন্ত্রণালয়গুলো তা বাস্তবায়ন করে না। অবশ্য এ বছর থেকে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়েছে কি না সেটি মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হবে বলে জানান তিনি। সচিব বলেন, ‘আমি সরকারের এত টাকা খরচ করে প্রতিবেদন তৈরি করি, সেই প্রতিবেদন নিশ্চয়ই ব্যাগে ভরে বা শেলফে রাখার জন্য নয়।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা