kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

খানা আয়-ব্যয় জরিপ কী

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



খানা আয়-ব্যয় জরিপ কী

বিবিএস যেসব জরিপ-শুমারি করে থাকে তার মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণটি ‘খানা আয়-ব্যয় জরিপ’। বিবিএসের সংজ্ঞানুযায়ী যে কয়জন ব্যক্তি একই রান্নায় খাওয়াদাওয়া এবং একসঙ্গে বসবাস করে, তাদের একত্রে একটি খানা বা হাউসহোল্ড বলা হয়। প্রতি পাঁচ বছর পর করা হয় এই খানা জরিপ। এটি থেকে বের করা হয় দেশের দারিদ্র্যের হার, সাক্ষরতার হার, স্কুলে ভর্তি ও ঝরে পড়ার হার, পেশাগত জনসংখ্যার হার, প্রতিবন্ধীর সংখ্যা, অভিবাসনের হার, বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীর হার, দেশবাসীর খাদ্যাভ্যাস, মাথাপিছু ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ, খানার মাসিক আয় ও মাসিক ব্যয়, খাদ্যের পেছনে ব্যয়, ভোগ্য পণ্যে ব্যয় ইত্যাদি।

 

কী হয় খানা জরিপে

এই খানা জরিপের ভিত্তিতে দেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, সামাজিক সুরক্ষা কৌশলপত্র (বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, টিআর, কাবিখা/কাবিটা ইত্যাদি) নেওয়া হয়। জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজির অগ্রগতি প্রতিবেদনও তৈরি করা হয় এই জরিপের ভিত্তিতে।

 

বিবিএসের আরো জরিপ শুমারি ও তার গুরুত্ব

বিবিএস আরো করে আদমশুমারি, অর্থনৈতিক শুমারি, কৃষিশুমারি, শ্রমশক্তি জরিপ, খানা ডাটাবেইস জরিপ (এনএইচডি) ইত্যাদি। মূলত বিবিএসের করা এসব জরিপ-শুমারির তথ্য-উপাত্তকে ভিত্তি করে সেগুলোর সঙ্গে নিজেদেরগুলো সমন্বয় করেই ৫৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ দেশের সব উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রকল্প তৈরি করে থাকে, যার ভিত্তিতে সরকার প্রতিবছর বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন করে। এই এডিপির প্রকল্প ধরেই দেশের সব উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়। এমনকি সরকারের ১০ বছর মেয়াদি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ও শতবর্ষী ব-দ্বীপ পরিকল্পনাও প্রণয়ন করা হয়েছে বিবিএসের তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করে। শুধু তাই নয়, বিবিএস যেসব জরিপ-শুমারি করে থাকে, সেগুলোও এডিপিভুক্ত।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা