kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৪ রবিউস সানি     

ঢাকায় কম, ডেঙ্গু আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সারা দেশে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



ঢাকায় কম, ডেঙ্গু আতঙ্ক ছড়াচ্ছে সারা দেশে

টানা ছয় দিন লাফিয়ে লাফিয়ে চূড়ায় উঠেছিল ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। তবে নতুন মাসের প্রথম দিন থেকেই সেই আস্ফাালন ধীরে ধীরে নামতে শুরু করেছে। ফলে রাজধানীবাসীর ভীতিকর মনে কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরছে। ঢাকার হাসপাতালগুলোর চিত্র থেকে এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে; যদিও ঢাকার বাইরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি দিন দিন ভয়ংকর চেহারা পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় যে দুজন ডেঙ্গু রোগী মারা গেছে, তারা রাজধানীর বাইরের। বরিশাল ও মাদারীপুরের কালকিনিতে তাদের মৃত্যু হয়েছে। এখন ৬৪ জেলাতেই ডেঙ্গুর বিচরণ। এই অবস্থায় রাজধানীর বাইরে ডেঙ্গুর বিস্তারের পথ কিভাবে রোধ করা যায়, তা নিয়েই উৎকণ্ঠায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। বিশেষ করে, কিছুদিন ধরে চাউর হয়েছিল জ্বর নিয়ে ঢাকার বাইরের বিভিন্ন শহরে গিয়ে আক্রান্ত রোগী জেলায় জেলায় ডেঙ্গু ছড়াচ্ছিল। এখন জেলা শহরগুলোতেই এডিস মশার লার্ভার অস্তিত্ব মিলছে। ফলে ঢাকার বাইরে সরাসরি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সেখানে এডিস মশার আতঙ্কও কয়েক দিনে আরো বেড়েছে।

এদিকে ডেঙ্গু মোকাবেলায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। আশার খবর হলো, রাজধানীতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য রক্তের চাহিদাও কিছুটা কমছে বলে দাবি করেছে রেড ক্রিসেন্ট। এ সংস্থা থেকে যেখানে রক্তের প্লাটিলেটের জন্য গত মাসেও প্রতিদিন গড়ে ৫০ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হতো, সেখানে কয়েক দিন ধরে গড়ে ৪০ ব্যাগ করে লাগছে।

রাজধানীতে কমছে ডেঙ্গু রোগী : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশনস সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. আয়েশা আক্তারের দেওয়া তথ্য অনুসারে গতকাল শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ঢাকার ৩৫টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে ৯৬৯ জন। সারা দেশে ভর্তি হয়েছে এক হাজার ৬৪৯ জন। গতকাল সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে মিটফোর্ড হাসপাতালে, ১৪৩ জন। মুগদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০০ জন। আগে প্রতিদিন ঢাকা মেডিক্যালে সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হলেও গতকাল সেখানে ভর্তি হয়েছে ৫৪ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৬২ জন, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ৫৬ জন এবং কুর্মিটোলা হাসপাতালে ৪৮ জন। আর ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে গতকাল নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে ৬৮০ জন। গত ১ জানুয়ারি থেকে সারা দেশে হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয় ২২ হাজার ৯১৯ জন। এর মধ্যে ১৬ হাজার ৪৭ জন চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। বাকি ছয় হাজার ৮৫৮ জন বিভিন্ন হাসপাতালে গতকাল পর্যন্ত চিকিৎসাধীন ছিল। আর সরকারি হিসাবে গতকাল পর্যন্ত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৬ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে ৯৩৬, ৯৬৪, ১১৮২, ১৩৩৮, ১৫২৫, ১৫৬২ থেকে ১৭১২-এ উঠে যায় হাসপাতালে দৈনিক ডেঙ্গু রোগী ভর্তির সংখ্যা। তবে ১ আগস্ট তা নেমে আসে ১৬৮৭ এবং গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত আরো কমে নেমে যায় ১৬৪৯-এ।

ঢাকার বাইরে স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে : রাজধানীর বাইরে জেলাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে আছে কিশোরগঞ্জে। সেখানকার সিভিল সার্জন মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘গত শুক্রবার পর্যন্ত রোগী বেড়ে ২১১ জন হয়েছে। বেশির ভাগই ঢাকা থেকে জ্বর নিয়ে এসেছে। তবে চারজনকে আমরা পেয়েছি, যারা স্থানীয়ভাবে আক্রান্ত হয়েছে। তার মানে হলো কিশোরগঞ্জেও ডেঙ্গুর বাহক এডিস মশা এসে গেছে। ফলে পরিস্থিতির আরো অবনতি এড়াতে ঢাকা থেকে আসা বাস-ট্রেন মশামুক্ত করা জরুরি।’ ঢাকার বাইরে ডেঙ্গুর বিস্তার মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সবচেয়ে ভালো হয় যাদের ডেঙ্গু হয়েছে, তারা যদি বাইরে ট্রাভেল না করে। দ্বিতীয় পরামর্শ হলো বাস, ট্রেন, লঞ্চ, প্লেনসহ সব যানবাহন স্প্রে করে মশামুক্ত করে পাঠানো।’

এদিকে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া আন্ত জেলা বাসে মশক নিধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মালিকদের নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানান বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন ফেডারেশনের মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ।

দুই সিটি ও স্থানীয় সরকারে সব ছুটি বাতিল : ডেঙ্গু মোকাবেলায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নির্দেশ বহাল থাকবে বলে গত শুক্রবার জারি করা স্থানীয় সরকার বিভাগের এক আদেশে বলা হয়েছে। ওই আদেশে বলা হয়, এরই মধ্যে যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ছুটি নিয়েছেন, তাঁদের ছুটি বাতিল বলে গণ্য হবে এবং তাঁদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বউদ্যোগে কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের ওই আদেশে আরো বলা হয়, ‘ঢাকা মহানগরীতে এডিস মশার বংশবিস্তারের কারণে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ রোগের সংক্রমণ থেকে নাগরিকদের রক্ষায় স্থানীয় সরকার বিভাগ, সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তর, সংস্থা ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।’

আরো দুজনের মৃত্যু : ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মাদারীপুরের কালকিনি ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বরগুনার এক শিশু মারা গেছে।

আমাদের কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি জানান, নাদিরা বেগম (৪০) নামের ওই গৃহবধূ গতকাল ভোরে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। তিনি পৌর এলাকার উত্তর কৃষ্ণনগর গ্রামের আলমগীর মোড়লের স্ত্রী। নাদিরা গত মঙ্গলবার জ্বর নিয়ে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। তাঁর অবস্থার উন্নতি না হলে শুক্রবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল যান। বরিশালের কোনো হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে রাতে আবার কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলে আসেন। গতকাল ভোরে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। মাদারীপুর নিয়ে যাওয়ার পথে তিনি মারা যান।

এদিকে বরগুনা প্রতিনিধি জানান, বরগুনায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেড় বছর বয়সী তাওহীদ নামের একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. সোহরাব উদ্দিন জানান, বরগুনা সদর উপজেলার গৌরচিন্না ইউনিয়নের লাকুরতলা গ্রামের ইসাহাক আলীর ছেলে তাওহীদকে গত মঙ্গলবার বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় শুক্রবার দুপুরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বরিশাল শের-ই-বাংলা হাসপাতালে নেওয়ার দুই ঘণ্টা পরে শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে শিশুটির মৃত্যু হয় ।

মানুষ এখন আতঙ্কিত হয়ে পরীক্ষা করাচ্ছে বেশি : গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মেডিক্যালে প্রায় ৬০০ জন ডেঙ্গু টেস্ট করালে তাদের মধ্যে মাত্র ১৬ জনের ডেঙ্গু পজিটিভ হয়, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ১৬৩ জন টেস্ট করালেও পজিটিভ ধরা পড়েছে শুধু সাতজনের। তাই মনে হচ্ছে, মানুষ আতঙ্কিত হয়ে টেস্টের জন্য ভিড় করছে। গতকাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ, সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউট ও ঢাকা শিশু হাসপাতালে পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

রক্তের চাহিদা কিছুটা কমছে : সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রক্তের চাহিদা কিছুটা কমার নানা কারণ হতে পারে। এমনও হতে পারে, ঢাকায় ডেঙ্গু রোগী কমছে। চিকিৎসায় শৃঙ্খলা আসাতেও রক্তের চাহিদা কমতে পারে। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের আওরঙ্গজেব রোডে রেড ক্রিসেন্ট রক্তকেন্দ্রের ইনচার্জ ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, ‘আমাদের পর্যবেক্ষণ, রক্তের চাহিদা কিছু কমেছে। রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার আগে গত জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত রক্তের প্লাটিলেটের জন্য আমাদের মোহাম্মদপুর ও হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের রক্ত কেন্দ্রে প্রতিদিন গড়ে ১০ ব্যাগের মতো রক্ত লাগত। রক্তের প্লাটিলেট শুধু ডেঙ্গুর কারণে প্রয়োজন হয়, তা নয়। অন্য কারণেও এর প্রয়োজন হতে পারে। জুন-জুলাই মাসে এ চাহিদা বেড়ে যায়। এই সময়ে চাহিদা অন্যান্য বছরের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেড়ে যায়। তবে গত কয়েক দিনে এ চাহিদা কমেছে। এখন প্রতিদিন গড়ে ৪০ ব্যাগের মতো রক্ত লাগছে।’

ডা. জাহিদুর রহমান বলেন, আগে হাসপাতালগুলোর চিকিৎসকরা রক্তের প্লাটিলেটের যে চাহিদাপত্র দিতেন, কয়েক দিন যাবৎ তা কমেছে। এমনও হতে পারে যে রক্তের প্লাটিলেটের বদলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সাধারণ স্যালাইন বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।

কথা কম বলে কাজ বেশি করতে বললেন কাদের : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘কথা কম বলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমাদের বেশি বেশি করে কাজ করতে হবে। মানুষকে বাঁচাতে হবে, আতঙ্ক থেকে বাঁচাতে হবে। এই সময় অতি কথা দেশের জন্য খারাপ ফল বয়ে আনতে পারে।’ গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটের আনন্দ সিনেমা হলের সামনে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিলির সময় তিনি এসব কথা বলেন।

সতর্কতা অবলম্বন করে সবাইকে ঈদে বাড়ি যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘একটা মহল আতঙ্ক ছড়াচ্ছে, যেন ঈদের সময় বাড়িঘরে না যায়। বাড়িঘরে কেন যাবেন না? সবাই বাড়ি যাবেন, কিন্তু সতর্ক থাকবেন।’

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় চিকিৎসকদের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং সেল গঠন করছে আওয়ামী লীগ।

জি এম কাদেরের দাবি সরকার ডেঙ্গু মোকাবেলায় ব্যর্থ : ডেঙ্গু মোকাবেলায় সরকার ব্যর্থ বলে দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। গতকাল শনিবার সকালে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার পাঁচগাছি কলেজ মাঠে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। কাদের বলেন, ‘আমি দেখি ঢাকার মানুষ আতঙ্কিত। মশা দেখলেই ভয় পাচ্ছে। কারণ জ্বর হলে ডেঙ্গু হচ্ছে। ডেঙ্গু হলে মানুষ মারা যাচ্ছে। এই আতঙ্কিত মানুষকে রক্ষার দায়িত্ব সরকারের।’

ডিএমপি কমিশনার বললেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে পারব :  এডিস মশা ও এর লার্ভা ধ্বংস করে ডেঙ্গুর প্রকোপ থেকে নগরবাসীকে সুরক্ষা দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি জানান, ঢাকা শহরে প্রায় ৫০ হাজার পুলিশ সদস্যকে এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে কাজ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে ডেঙ্গু প্রতিরোধী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা