kalerkantho

বুধবার ।  ১৮ মে ২০২২ । ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩  

জানা-অজানা

দ্বিপদ নামকরণ

[অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে দ্বিপদ নামকরণের উল্লেখ আছে]

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল   

১৮ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দ্বিপদ নামকরণ

দ্বিপদ নামকরণের জনক সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস

দ্বিপদ নামকরণ বলতে বোঝায় দুটি পদের সমন্বয়ে উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নামকরণের পদ্ধতি। এই পদ্ধতি অনুসারে প্রথমে গণের নাম এবং পরে প্রজাতির নাম পদ ব্যবহার করা হয়। এটি জীবের নামকরণে আন্তর্জাতিক স্বীকৃত একটি পদ্ধতি। এ ক্ষেত্রে শব্দদ্বয় (গণ ও প্রজাতি) অবশ্যই লাতিন হতে হবে।

বিজ্ঞাপন

১৭৫৮ সালে সুইডিশ বিজ্ঞানী ক্যারোলাস লিনিয়াস প্রাণীর দ্বিপদ নামকরণের নীতি প্রবর্তন করেন। এ জন্য তাঁকে দ্বিপদ নামকরণের জনক বলা হয়।

দ্বিপদ নামকরণের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। জীবজগতের প্রতিটি উদ্ভিদ ও প্রাণীর বৈজ্ঞানিক নামকে অনন্য বা ইউনিক (unique) হতে হয়। কারণ একই নাম দুটি পৃথক জীবের জন্য ব্যবহারের অনুমতি বা সর্বসম্মতিক্রমে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। বৈজ্ঞানিক নামের প্রথম অংশের প্রথম অক্ষর বড়, বাকি অক্ষরগুলো ছোট এবং দ্বিতীয় অংশটির নাম ছোট অক্ষর দিয়ে লিখতে হয়। দ্বিপদ নাম মুদ্রণের সময় সর্বদা ইটালিক (Italian) অক্ষরে এবং হাতে লেখার সময় গণ ও প্রজাতির নামের নিচে আলাদাভাবে দাগাঙ্কিত করতে হয়। যদি কয়েকজন বিজ্ঞানী একই জীবকে বিভিন্ন নাম দেন, তবে অগ্রাধিকার আইন অনুসারে প্রথম বিজ্ঞানী কর্তৃক প্রদত্ত নামটি সংগৃহীত হয়। যিনি প্রথম কোনো জীবের বিজ্ঞানসম্মত নাম দেবেন তাঁর নাম, সালসহ উক্ত জীবের দ্বিপদ নামকরণের পরে সংক্ষেপে সংযোজন করতে হয়।

যেমন—মানুষের দ্বিপদ নাম Homo sapiens, আরশোলার Periplaneta americana. এখানে Homo গণ অংশ বা গণ নাম এবং sapiens প্রজাতির অংশ বা প্রজাতির পদ। একইভাবে আরশোলার Periplaneta গণ নাম এবং Americana প্রজাতির পদ।

[আরো বিস্তারিত জানতে পত্রপত্রিকা ও অনলাইনে দ্বিপদ নামকরণ সম্পর্কিত লেখাগুলো পড়তে পারো। ]



সাতদিনের সেরা