kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ব্রণ

[পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক বিজ্ঞান বইয়ের সপ্তম অধ্যায়ে ব্রণের উল্লেখ আছে]

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্রণ

ব্রণ (Acne vulgaris) হলো মানব ত্বকের একটি দীর্ঘমেয়াদি রোগবিশেষ, যা বিশেষত লালচে ত্বক, প্যাপ্যুল, নডিউল, পিম্পল প্রভৃতি দেখে চিহ্নিত করা যায়। আমাদের দেশেই শুধু নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কিশোর-কিশোরীদের ব্রণের সমস্যা দেখা যায়। ব্রণ মূলত বয়ঃসন্ধিকালীন একটি সমস্যা। সারা পৃথিবীতে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ টিনেজার ব্রণজনিত সমস্যায় ভোগে। কিছু কিছু মানুষের ৩০-৪০ বছরের পরও ব্রণ হতে দেখা যায়।

সাধারণত হরমোন ক্ষরণের তারতম্য বা অভাব, জীবাণুর সংক্রমণ, ত্বকের অযত্ন, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, তৈলাক্ত ও অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ, ঘুম না হওয়া, অতিরিক্ত ঘাম ইত্যাদি ব্রণ হওয়ার উল্লেখযোগ্য কারণ। এ ছাড়া ময়লা বা তৈলাক্ত প্রসাধনী ব্যবহারের কারণে তেলগ্রন্থি বন্ধ হয়ে গেলে ত্বকের ভেতরের দিকে তেল জমে জমে ব্রণ তৈরি হতে পারে।

ব্রণ মূলত ত্বকে হয়। ফলে ব্রণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ত্বক পরিষ্কার রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির বাইরে গেলে যখনই সুযোগ পাওয়া যাবে, তখনই পানি দিয়ে ত্বকের উপরিভাগ ধুয়ে নিতে হবে। এতে ত্বক যেমন পরিষ্কার ও তরতাজা থাকবে, তেমনি কমবে জীবাণুর সংক্রমণ ও ব্রণ হওয়ার প্রবণতা। যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তাদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে মেনে চলতে হবে। কারণ তৈলাক্ত ত্বকে ময়লা জমে খুব দ্রুত।

শরীরে পানির অভাব হলেও ব্রণ হতে পারে। তাই পানির ঘাটতির পূরণের জন্য প্রতিদিন অন্তত তিন লিটার পানি খাওয়ার পরামর্শ দেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। নিয়মিত স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং নির্দিষ্ট সময় ঘুমানোর অভ্যাস গড়ে তোলাও ব্রণের অন্যতম প্রতিকারব্যবস্থা হিসেবে ধরা হয়। ব্রণ খোঁটানো যাবে না। অতিমাত্রায় ব্রণ হলে চিকিৎসকের, বিশেষ করে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উত্তম।

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল



সাতদিনের সেরা