kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

লেটুস পাতা

[নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের সপ্তম অধ্যায়ে লেটুস পাতার উল্লেখ আছে]

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লেটুস পাতা

লেটুস একটি আঁশযুক্ত ও পাতা জাতীয় সবজি। এটি ডেইজি (daisy) পরিবারের এস্টেরাসি গোত্রের একটি বার্ষিক উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Lactuca sativa. লেটুস গাছের পাতা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তরকারি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এ ছাড়া ফাস্টফুড ও সালাদে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। লেটুস পাতা কাঁচাই খাওয়া যায়।

প্রাচীন মিসরীয়রা আগাছা থেকে সর্বপ্রথম লেটুস আবিষ্কার করে। তারা এর বীজ থেকে তেল তৈরি করে। তেলসমৃদ্ধ বীজের কারণে এই গাছ গ্রিক ও রোমানদের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠে। তারা এর নামকরণ করেন ল্যাকটুকা, যার ইংরেজি আধুনিক নামকরণ ‘লেটুস’।

পুষ্টিকর লেটুসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ সোডিয়াম, পটাসিয়াম, বিটা ক্যারোটিন, ক্যালরি, ভিটামিন এ, বি-১, বি-২, বি-৩ এবং সি। প্রতি ১০০ গ্রাম লেটুসে আছে ১৫ ক্যালরি, ২৮ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ১৯৪ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম, ২.৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১.৪ গ্রাম প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৬, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম।

লেটুস জমি বা বাগান ছাড়াও শহরের বাসাবাড়ির ছাদে বা বারান্দায় টবে চাষ করা যায়। ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি থেকে অগ্রহায়ণের মাঝামাঝি পর্যন্ত অর্থাৎ সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বীজ থেকে চারা তৈরি করে লেটুসগাছ জমি বা টবে লাগানো হয়।

নিয়মিত লেটুস পাতা খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এই সবজি আঁশযুক্ত বিধায় দ্রুত হজম হয়। কিডনির সমস্যার জন্য যেসব রোগীর প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় তাদের জন্য লেটুস পাতা খুব উপকারী। শরীরের যেকোনো অঙ্গে পানি জমে যাওয়া রোধ করে এই পাতা। ত্বকের কোথাও কেটে বা ছিঁড়ে গেলে এই পাতা থেঁতলে ব্যথার স্থানে লাগালে ব্যথা উপশম হয়। গর্ভবতী মায়েরা কাঁচা লেটুস পাতা খেলে মা ও শিশু উভয়ের শরীরেই রক্তের মাত্রা বাড়ে। এ ছাড়া লেটুস পাতা নিয়মিত খেলে পেট ভার হয়ে থাকা, গ্যাস হওয়া, ক্ষুধা না লাগা বা এসিডিটি সমস্যা দূর করে।



সাতদিনের সেরা