kalerkantho

বুধবার । ৭ আশ্বিন ১৪২৮। ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৪ সফর ১৪৪৩

স্প্যাম

[অষ্টম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বইয়ের তৃতীয় অধ্যায়ে স্প্যামের উল্লেখ আছে]

ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল   

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



স্প্যাম

স্প্যাম হলো ইন্টারনেটে পাঠানো অপ্রাসঙ্গিক বা অবাঞ্ছিত বার্তা। এই বার্তা প্রেরণকারী একই সঙ্গে অনেক ব্যক্তির কাছে পাঠায়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন বা প্রচারের উদ্দেশ্যে নিজেরা বা কয়েকটি সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্প্যাম ছড়ানো হয়। এই কাজকে বলা হয় স্প্যামিং করা। যারা এই কাজ করে তাদের স্প্যামার বলে। স্প্যামিং অনেকভাবে করা হলেও ই-মেইল স্প্যামিং শব্দটি বেশির ভাগের কাছে পরিচিত। অন্যান্য মাধ্যমের মধ্যে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং, ইউজনেট নিউজগ্রুপ, ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন, ব্লগ, উইকি, অনলাইন শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন, মোবাইল ফোন মেসেজিং, ইন্টারনেট ফোরাম, জাংক ফ্যাক্স সম্প্রচার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, মোবাইল অ্যাপস ও ফাইল শেয়ারিং প্রভৃতি মাধ্যমেও স্প্যামিং হয়।

স্প্যাম শব্দটি এসেছে মন্টি পাইথন স্কেচ নামক এক ধরনের মাংসের তৈরি খাবার থেকে। এই খাবারটি লোকজনের কাছে অপছন্দনীয় ও অবাঞ্ছিত হওয়ায় তা থেকে এই নামকরণ হয়েছে। ১৯৯০-এর দশকে স্প্যামিং শুরু হলেও পরবর্তী দশকগুলোতে এর ব্যাপকতা বাড়ে। ২০১১ সালে স্প্যাম বার্তার আনুমানিক সংখ্যা প্রায় সাত ট্রিলিয়ন।

প্রতিটি মুহূর্তে কোটি কোটি স্প্যাম মেইল ছড়ানো হয় ইন্টারনেটে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় ৬০ শতাংশ মেইল স্প্যামযুক্ত। অতিরিক্ত স্প্যাম মেইলের ফলে ইনবক্সের মধ্যে প্রয়োজনীয় মেইলটি খুঁজে পাওয়া যায় না। আবার অনেক ক্ষেত্রে হ্যাকাররা স্প্যাম মেইল হ্যাক করার উদ্দেশ্যে পাঠিয়ে থাকে। যেখানে বিভিন্ন ভাইরাস ও হ্যাকিং টুল যুক্ত থাকে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য হুমকিস্বরূপ। অতিরিক্ত স্প্যাম মেইলের কারণে ইনবক্সে স্টোরেজ স্বল্পতাও দেখা যায়।

স্প্যাম ফিল্টারের সাহায্যে স্প্যাম ই-মেইল রোধ করা যায়। জিমেইল, ইয়াহু, হটমেইল ইত্যাদি ই-মেইল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব স্প্যাম ফিল্টার থাকে। সেগুলো অপ্রয়োজনীয় ক্লায়েন্ট থেকে আসা মেইল পরীক্ষা করে তা রোধ করে থাকে। এ ছাড়া ই-মেইল অ্যাকাউন্টের সেটিংসে গিয়ে স্প্যাম ফিল্টার ব্যবহার করে নির্দিষ্টভাবে কাস্টমাইজ করে যেকোনো ই-মেইল আইডি থেকে আসা স্প্যাম মেইল রোধ করা যায়।



সাতদিনের সেরা