kalerkantho

রবিবার । ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮। ১ আগস্ট ২০২১। ২১ জিলহজ ১৪৪২

জ্ঞা ন মূ ল ক প্র শ্ন

সপ্তম শ্রেণি : বিজ্ঞান

মো. মিকাইল ইসলাম নিয়ন, সহকারী শিক্ষক, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা সদর চুয়াডাঙ্গা

২৪ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৫ মিনিটে



সপ্তম শ্রেণি : বিজ্ঞান

প্রথম অধ্যায়

নিম্নশ্রেণির জীব

১।   শৈবাল কী?

     উত্তর : সমাঙ্গবর্গের ক্লোরোফিলযুক্ত ও স্বভোজী উদ্ভিদই শৈবাল।

২।   ভাইরাস কী?

     উত্তর : ভাইরাস হলো আমিষ আবরণ ও নিউক্লিক এসিড দ্বারা গঠিত এক প্রকার ইলেকট্রন আণুবীক্ষণিক সরলতম অকোষীয় জীব।

৩।   আদিকোষ কী?

     উত্তর : যেসব কোষের সুগঠিত কেন্দ্রিকা নেই তাদের আদিকোষ বলে।

৪।   ইউক্যারিওটা কী?

     উত্তর : সুগঠিত নিউক্লিয়াসযুক্ত অণুজীবই হচ্ছে ইউক্যারিওটা।

৫।   কোন বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান?

     উত্তর : বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক সর্বপ্রথম ব্যাকটেরিয়া দেখতে পান।

৬।   ব্যাসিলাস কী?

     উত্তর : ব্যাসিলাস হলো দণ্ডাকার ব্যাকটেরিয়া।

৭।   ক্ষণপদ কী?

     উত্তর : অ্যামিবার দেহ থেকে আঙুলের মতো তৈরি অভিক্ষেপই ক্ষণপদ।

৮।   ব্যাকটেরিয়া কী?

     উত্তর : ব্যাকটেরিয়া হলো আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী আণুবীক্ষণিক জীব।

৯।   অণুজীব কী?

     উত্তর : যেসব জীব অতিক্ষুদ্র অর্থাৎ যাদের সাধারণত খালি চোখে দেখা যায় না, অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হয় তারাই অণুজীব।

১০। প্রকৃত কোষ কী?

     উত্তর : যেসব অণুজীব কোষের কেন্দ্রিকা সুগঠিত তাদেরই প্রকৃত কোষ বলে।

১১। সিস্ট কী?

     উত্তর : প্রোটিস্টা রাজ্যভুক্ত এককোষী অণুজীব অ্যান্টামিবা কখনো কখনো প্রতিকূল পরিবেশে গোলাকার শক্ত আবরণে নিজেদের দেহ ঢেকে ফেলে। এ অবস্থাকে সিস্ট বলে।

১২। ছোঁয়াচে রোগ কাকে বলে?

     উত্তর : যে রোগের সংস্পর্শে নীরোগ প্রাণী ও উদ্ভিদ রোগে আক্রান্ত হয় সে রোগকে ছোঁয়াচে রোগ বলে।

১৩। স্পোরোলেশন কী?

     উত্তর : যে পদ্ধতিতে একটি কোষের প্রোটোপ্লাজম বহু খণ্ডে বিভক্ত হয়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুজীব বা স্পোর গঠন করে তাই স্পোরোলেশন।

১৪। ছত্রাক কী?

     উত্তর : ছত্রাক হলো সমাঙ্গদেহী ক্লোরোফিলবিহীন অসবুজ উদ্ভিদ।

১৫। স্পাইরোগাইরা কী?

     উত্তর : স্পাইরোগাইরা হলো এক ধরনের শৈবাল। এদের বেশির ভাগ জলাশয়ে পাওয়া যায়।

১৬। অকোষীয় জীব কাকে বলে?

     উত্তর : যেসব অণুজীব অতিক্ষুদ্র, সাধারণ আলোক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায় না, এদের দেখতে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয় তাদের অকোষীয় জীব বলে।

১৭। কক্কাস ব্যাকটেরিয়া কী?

     উত্তর : যেসব ব্যাকটেরিয়া কোষের আকৃতি গোলাকার তারা কক্কাস ব্যাকটেরিয়া।

১৮। অ্যান্টামিবা কী?

     উত্তর : অ্যান্টামিবা হলো সারকোমাস্টিগোফোরা পর্বের অন্তর্গত এককোষী অণুজীব।

 

দ্বিতীয় অধ্যায়

উদ্ভিদ ও প্রাণীর কোষীয় সংগঠন

১।   রক্ত কী?

     উত্তর : রক্ত এক ধরনের তরল যোজক কলা বা কানেকটিভ টিস্যু, যার মাধ্যমে বিভিন্ন দ্রব্য (অক্সিজেন, খাদ্য, রেচন পদার্থ) দেহের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবাহিত হয়।

২।   কোষপ্রাচীর কী?

     উত্তর : উদ্ভিদকোষের ক্ষেত্রে কোষঝিল্লির বাইরে জড় পদার্থ দিয়ে তৈরি একটি পুরু প্রাচীর থাকে তাকে কোষপ্রাচীর বলে।

৩।   সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডের নাম কী?

     উত্তর : সবুজ বর্ণের প্লাস্টিডের নাম ক্লোরোপ্লাস্ট।

৪।   কোষগহ্বর কী?

     উত্তর : কোষের সাইটোপ্লাজমে তরল পদার্থপূর্ণ (কোষরস) ছোট-বড় গহ্বর হলো কোষগহ্বর।

৫।   ক্রোমোপ্লাস্টিড কী?

     উত্তর : উদ্ভিদকোষে বিদ্যমান বর্ণযুক্ত প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্টিড বলে।

৬।   মাইটোকন্ড্রিয়া কী?

     উত্তর : সজীব উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষের সাইটোপ্লাজমে বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা ছোট ছোট দণ্ডাকার অঙ্গাণুই মাইটোকন্ড্রিয়া।

৭।   গলজি বডি কী?

     উত্তর : গলজি বডি হলো পর্দাঘেরা গোলাকার বা সুচাকার অঙ্গাণু যা নিউক্লিয়াসের কাছে অবস্থান করে।

৮।   আবরণী বা এপিথেলিয়াল টিস্যু কাকে বলে?

     উত্তর : যে টিস্যু দেহের খোলা অংশ ঢেকে রাখে এবং দেহের ভেতরের আবরণ তৈরি করে তাকে আবরণী টিস্যু বা এপিথেলিয়াল টিস্যু বলে।

৯।   টিস্যু কত প্রকার?

     উত্তর : বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু প্রধানত দুই প্রকার।

১০। ভাজক টিস্যু কী?

     উত্তর : যে টিস্যুর কোষগুলো ক্রমাগত বিভাজিত হয়ে নতুন কোষ সৃষ্টি করে তাই ভাজক টিস্যু।

১১। ক্যারিওলিম্ফ বা নিউক্লিওপ্লাজম কী?

     উত্তর : নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন দিয়ে আবৃত স্বচ্ছ, দানাদার ও জেলির মতো অর্ধতরল পদার্থটির নাম নিউক্লিওপ্লাজম বা ক্যারিওলিম্ফ।

১২। সেন্ট্রিওল কাকে বলে?

     উত্তর : প্রাণিকোষের নিউক্লিয়াসের কাছে দুটি ফাঁপা নলাকার বা দণ্ডাকার অঙ্গাণু দেখা যায়, এগুলোকেই সেন্ট্রিওল বলে।

১৩। টিস্যু কী?

     উত্তর : উত্পত্তির দিক থেকে একই রকম কতগুলো কোষ আয়তন ও আকৃতিতে অভিন্ন বা ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও যদি দলগতভাবে অবস্থান করে একই ধরনের কাজ করে তখন সেই দলবদ্ধ কোষগুলোকে টিস্যু বলে।

১৪। কোষ কাকে বলে?

     উত্তর : জীবদেহের গঠন ও কাজের একককে কোষ বলে।

১৫। প্রোটোপ্লাজম কী?

     উত্তর : কোষের অর্ধতরল জেলির মতো আঠালো ও দানাদার বর্ণহীন সজীব অংশই প্রোটোপ্লাজম।

১৬। ঘাসের মূলের প্লাস্টিডের নাম কী?

     উত্তর : ঘাসের মূলের প্লাস্টিডের নাম লিউকোপ্লাস্ট।

১৭। প্লাস্টিড কী?

     উত্তর : সজীব উদ্ভিদ কোষের সাইটোপ্লাজমে বর্তমান বর্ণহীন অথবা বর্ণযুক্ত গোলাকার বা ডিম্বাকার অঙ্গাণুই প্লাস্টিড।

১৮। অনৈচ্ছিক পেশি কী?

     উত্তর : যে পেশির সংকোচন ও প্রসারণ প্রাণীর ইচ্ছাধীন নয়, তা-ই অনৈচ্ছিক পেশি।

১৯। লাইকোপেন কী?

     উত্তর : টমেটোর লাল টকটকে রঙের জন্য দায়ী রঞ্জক পদার্থই হচ্ছে লাইকোপেন।

২০। যোজক কলা কাকে বলে?

     উত্তর : যে কলা প্রাণীদেহের বিভিন্ন টিস্যু এবং অঙ্গের মধ্যে সংযোগ সাধন করে তাকে যোজক কলা বলে।

২১। প্রোটোপ্লাজমে পানির পরিমাণ কত?

     উত্তর : প্রোটোপ্লাজমে পানির পরিমাণ সাধারণত শতকরা ৬৭ থেকে ৯০ ভাগ।

২২। নিউক্লিওলাস কী?

     উত্তর : নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে অবস্থিত ক্ষুদ্র, গোলাকার, উজ্জ্বল ও অপেক্ষাকৃত ঘন বস্তুটি হলো নিউক্লিওলাস।



সাতদিনের সেরা