kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ► তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

এস এম হাবিব উল্লাহ প্রভাষক রাউজান সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম

২৬ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ► তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

জ্ঞা ন মূ ল ক  প্র শ্ন

তৃতীয় অধ্যায়

সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস

[পূর্ব প্রকাশের পর]

১৩।      কোড কী?

            উত্তর : কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত প্রতিটি বর্ণ, অঙ্ক, সংখ্যা, প্রতীক বা বিশেষ চিহ্নকে আলাদাভাবে CPU (Central Processing Unit) কে বোঝানোর জন্য বাইনারি বিটের (০ বা ১) বিভিন্ন বিন্যাসের অদ্ব্বিতীয় সংকেত তৈরি করা হয়। এ অদ্বিতীয় সংকেতকে বলা হয় কোড।

 

১৪।      বিসিডি (BCD) কোড কী?

            উত্তর : BCD-এর পূর্ণরূপ হলো Binary Coded Decimal। ডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে (০ থেকে ৯ পর্যন্ত) সমতুল্য চার বিট বাইনারি দ্বারা প্রতিস্থাপন করার পর প্রাপ্ত কোডকে BCD কোড বলে। BCD কোড একটি চার বিট বাইনারিভিত্তিক কোড।

১৫।      ASCII কী?

            উত্তর : ASCII-এর পূর্ণ নাম American Standard Code For Information Interchange। ASCII আধুনিক কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত কোড। কম্পিউটার এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে তথ্য স্থানান্তরের জন্য এ কোড ব্যবহৃত হয়।

 

১৬।     ইউনিকোড কী?

            উত্তর : Unicode-এর পূর্ণনাম হলো Universal Code বা সর্বজনীন কোড। বিশ্বের সব ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য যে কোড তৈরি করা হয়েছে তাকে ইউনিকোড বলা হয়। ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড। এ কোডের মাধ্যমে ২১৬ বা ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্ন কম্পিউটারকে অদ্ব্বিতীয়ভাবে বোঝানো যায়।

 

১৭।      বুলিয়ান অ্যালজেবরা কী?

            উত্তর : বুলিয়ান অ্যালজেবরা মূলত লজিকের সত্য অথবা মিথ্যা—এ দুটি স্তরের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। বুলিয়ান অ্যালজেবরার সত্য ও মিথ্যাকে বাইনারির ‘১’ এবং ‘০’ দ্বারা পরিবর্তন করে নিতেই কম্পিউটারের সব গাণিতিক সমস্যা বুলিয়ান অ্যালজেবরার সাহায্যে করা সম্ভব হয়। লজিকের সত্য ও মিথ্যা নির্ণয়ের অ্যালজেবরাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।

 

১৮।      বুলিয়ান চলক কী?

            উত্তর : বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যে রাশির মান সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হয় তাকে বুলিয়ান চলক বলে।

            যেমন : C = A + B, এখানে A ও B হচ্ছে বুলিয়ান চলক।

 

১৯।      বুলিয়ান ধ্রুবক কী?

            উত্তর : বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যে রাশির মান সময়ের সঙ্গে অপরিবর্তিত থাকে তাকে বুলিয়ান ধ্রুবক বলে।

            যেমন : A = ০ + ১, এখানে ০ ও ১ হচ্ছে বুলিয়ান ধ্রুবক।

 

২০।     বুলিয়ান পূরক কী?

            উত্তর : বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যেকোনো চলকের মান ০ অথবা ১ হয়। এই ০ ও ১ কে একটি অপরটির বুলিয়ান পূরক বলা হয়। বুলিয়ান পূরককে র্  বা  — চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। গণিতের ভাষায় লেখা হয় A এর পূরক         Aর্ ।

২১।      বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ কী?

            উত্তর : বুলিয়ান অ্যালজেবরায় সব গাণিতিক কাজ করা হয় যৌক্তিক যোগ এবং যৌক্তিক গুণের সাহায্যে। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় শুধু যৌক্তিক যোগ ও যৌক্তিক গুণের নিয়মগুলোকে বুলিয়ান স্বতঃসিদ্ধ বলে।

 

২২।     বুলিয়ান দ্বৈতনীতি কী?

            উত্তর : বুলিয়ান অ্যালজেবরায় ব্যবহৃত সব উপপাদ্য বা সমীকরণ যে দুটি নিয়ম মেনে একটি বৈধ সমীকরণ থেকে আরেকটি বৈধ সমীকরণ নির্ণয় করা যায় তাকে বুলিয়ান দ্বৈতনীতি বলে। বুলিয়ান অ্যালজেবরায় অর (OR) এবং অ্যান্ড (AND) এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত সব উপপাদ্য বা সমীকরণ দ্বৈতনীতি মেনে চলে।

 

২৩।     সত্যক সারণি কী?

            উত্তর : যে সারণিতে লজিক সার্কিটের বিভিন্ন ইনপুটের সাপেক্ষে আউটপুটগুলো প্রদর্শন করা হয়, তাকে সত্যক সারণি বলে। যদি সত্যক সারণিতে n সংখ্যক চলক থাকে, তবে ইনপুটের অবস্থা হবে 2n সংখ্যক।

 

২৪।     বুলিয়ান উপপাদ্য কী?

            উত্তর : যেসব উপপাদ্য ব্যবহার করে জর্জ বুল সব ধরনের যুক্তিসংগত বিষয়ের গাণিতিক রূপ প্রদান করেন সেই উপপাদ্যগুলোকে বুলিয়ান উপপাদ্য বলা হয়।

২৫।     লজিক গেইট কী?

            উত্তর : লজিক গেইট হলো এক ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনী, যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে এবং শুধু একটি আউটপুট প্রদান করে। লজিক গেইট বুলিয়ান অ্যালজেবরার ব্যাবহারিক কাজগুলো বাস্তবায়নের জন্য ব্যবহার করা হয়। লজিক গেইট যুক্তিভিত্তিক সংকেতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

 

২৬।     মৌলিক লজিক গেইট কী?

            উত্তর : যেসব গেইট অন্য কোনো গেইটের সাহায্য ছাড়া তৈরি করা যায় তাদের মৌলিক লজিক গেইট বলা হয়।

            মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা—

            অর গেইট (OR Gate)

            অ্যান্ড গেইট (AND Gate)

            ও নট গেইট (NOT Gate)

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা