kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

একাদশ-দ্বাদশ ► তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

এস এম হাবিব উল্লাহ প্রভাষক রাউজান সরকারি কলেজ, চট্টগ্রাম

২৪ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



একাদশ-দ্বাদশ ► তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

জ্ঞা ন মূ ল ক  প্র শ্ন

তৃতীয় অধ্যায়

সংখ্যা পদ্ধতি ও ডিজিটাল ডিভাইস

১।        ডিজিট (অঙ্ক) কী?

            উত্তর : সংখ্যা তৈরির ক্ষুদ্রতম প্রতীকই হচ্ছে অঙ্ক। সব অঙ্ক সংখ্যা কিন্তু সব সংখ্যা অঙ্ক নয়। যেমন ২৪৩ তিন অঙ্কবিশিষ্ট একটি সংখ্যা, যা ২, ৪ ও ৩ পৃথক তিনটি অঙ্ক নিয়ে গঠিত। যারা প্রত্যেকেই পৃথকভাবে একেকটি অঙ্ক। সব অঙ্কই সংখ্যা কিন্তু সব সংখ্যা অঙ্ক নয়।

২।        নাম্বার (সংখ্যা) কী?

            উত্তর : সংখ্যা হচ্ছে একটি উপাদান, যা কোনো কিছু গণনা, পরিমাণ ও পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন—একাদশ শ্রেণিতে ২৪৩ জন ছাত্র আছে; এখানে ২৪৩ একটি সংখ্যা।

৩।        বিট কী?

            উত্তর : বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ০ ও ১ এই দুটি মৌলিক চিহ্নকে বিট বলে। উদাহরণস্বরূপ ১১০১ সংখ্যাটিতে ৪টি বিট রয়েছে।

৪।        বাইট কী?

            উত্তর : আট বিটের গ্রুপ নিয়ে গঠিত হয় একটি বাইট। উদাহরণস্বরূপ ১০১০০১০০ সংখ্যাটিতে ৮টি বিট রয়েছে, যা মিলে একটি বাইট গঠিত হয়েছে।

৫।        সংখ্যা পদ্ধতি কী?

            উত্তর : কোনো সংখ্যাকে লেখা বা প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।

 

৬।       নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কী?

            উত্তর : যে সংখ্যা পদ্ধতিতে কোনো সংখ্যার মান সংখ্যায় ব্যবহৃত অঙ্কসমূহের অবস্থানের ওপর নির্ভর করে না তাকে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এই পদ্ধতিতে ব্যবহৃত প্রতীক বা অঙ্কগুলোর পজিশন বা অবস্থান গুরুত্ব পায় না। ফলে অঙ্কগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধু অঙ্কটির নিজস্ব মানের ওপর ভিত্তি করে হিসাব-নিকাশ করা হয়। প্রাচীন যুগে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিকস (Hieroglyphics)  সংখ্যা পদ্ধতি একটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

৭।        পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কী?

            উত্তর : যে সংখ্যা পদ্ধতিতে কোনো সংখ্যার মান সংখ্যায় ব্যবহৃত অঙ্কসমূহের পজিশন বা অবস্থানের ওপর নির্ভর করে তাকে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। অঙ্কসমূহের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যার মান নির্ণয় করা হয়।

৮।        বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি কী?

            উত্তর : Bi শব্দের অর্থ হলো ২ (দুই)। যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ ও ১ এই দুটি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে যেহেতু ০ ও ১ এই দুটি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাই এর বেজ হচ্ছে ২।

৯।        অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি কী?

            উত্তর : Octa শব্দের অর্থ হলো ৮। যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি প্রতীক বা চিহ্ন নিয়ে যাবতীয় গাণিতিক কর্মকাণ্ড সম্পাদন করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হলো ৮।

১০। ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি কী?

            উত্তর : Deci শব্দের অর্থ হলো ১০। যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১০টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত মোট ১০টি প্রতীক বা চিহ্ন আছে। এর বেজ বা ভিত্তি হলো ১০।

১১। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি কী?

            উত্তর :  হেক্সাডেসিমেল শব্দটির দুটি অংশ। একটি হলো হেক্সা (Hexa) অর্থাৎ ৬ এবং অপরটি ডেসিমেল অর্থাৎ ১০, দুটি মিলে হলো ১৬। যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F)

প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ হচ্ছে ১৬।

 

১২।      সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি কী?

            উত্তর : কোনো একটি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত মৌলিক চিহ্নসমূহের সমষ্টিকে ওই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (Base) বা ভিত্তি বলে। কোনো একটি সংখ্যা কোন পদ্ধতিতে লেখা তা বোঝানোর জন্য সংখ্যার সঙ্গে বেজ বা ভিত্তিকে সাবস্ক্র্বি (সংখ্যার ডানে একটু নিচে) হিসেবে লিখে প্রকাশ করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা