kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২ রজব জমাদিউস সানি ১৪৪১

বিজ্ঞান চর্চা

আলট্রাসনোগ্রাফি

মো. মিকাইল ইসলাম নিয়ন, সহকারী শিক্ষক, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা সদর, চুয়াডাঙ্গা

২৪ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



আলট্রাসনোগ্রাফি

[নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বইয়ের চতুর্দশ অধ্যায়ে ‘আলট্রাসনোগ্রাফি’ সম্পর্কে আলোচনা আছে]

আলট্রাসনোগ্রাফি দিয়ে শরীরের ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, মাংসপেশি ইত্যাদির ছবি তোলা হয়। এটি করার জন্য খুব উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দ ব্যবহার করে তার প্রতিধ্বনিকে শনাক্ত করা হয়। শব্দের কম্পাঙ্ক ১-১০ মেগাহার্টজ হয়ে থাকে বলে একে আলট্রাসনোগ্রাফি বলা হয়।

আলট্রাসনোগ্রাফি নিচের কাজগুলো করার জন্য ব্যবহার করা হয়-

১. আলট্রাসনোগ্রাফির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিজ্ঞানে। এর সাহায্যে ভ্রূণের আকার, গঠন, স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক অবস্থান ইত্যাদি জানা যায়। এটি একটি দ্রুত, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।

 

২. আলট্রাসনোগ্রাফি দিয়ে জরায়ুর টিউমার এবং অন্যান্য পেলভিক মাসের উপস্থিতিও শনাক্ত করা যায়।

৩. পিত্তপাথর, হৃদ্যন্ত্রের ত্রুটি ও টিউমার বের করার জন্য আলট্রাসনোগ্রাফি ব্যবহার করা হয়। হৃিপণ্ড পরীক্ষা করার জন্য যখন আলট্রাসাউন্ড ব্যবহার করা হয়, তখন এই পরীক্ষাকে ইকোকার্ডিওগ্রাফি বলে।

ট্রান্সডিউসারটি যেন কোনো নির্দিষ্ট স্থানে বেশি সময়ের জন্য একটানা বিম না পাঠাই সে জন্য আলট্রাসাউন্ড করার সময় ট্রান্সডিউসারটিকে ক্রমাগত নড়াচড়া করাতে হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা