kalerkantho

মঙ্গলবার। ১৮ জুন ২০১৯। ৪ আষাঢ় ১৪২৬। ১৪ শাওয়াল ১৪৪০

জানা-অজানা

তাম্রলিপি

[নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বইয়ে ‘তাম্রলিপি’র কথা উল্লেখ আছে]

১৭ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



তাম্রলিপি

প্রাচীনকালে তামার পাতের ওপর দলিল লেখা হতো। সাধারণত কোনো ধর্মীয় সংগঠন বা গোষ্ঠীকে ধর্ম প্রচারের ক্ষেত্র তৈরিতে রাষ্ট্র যখন ভূমি দান করত, তখন সেই দলিল বা চুক্তি তামার পাতে লিপিবদ্ধ করা হতো। তামার পাতের ওপর লেখা এসব দলিলই ইতিহাসে তাম্রলিপি বা তাম্রশাসন নামে পরিচিত। তামার পাতে লিপিবদ্ধ করার পর তাতে রাজকীয় সিল দেওয়া হতো।

১৯৩১ সালে ওড়িশার বালাশোর জেলায় আবিষ্কৃত হয় বাংলা ভাষায় লিখিত প্রথম তাম্রলিপি। ৪৯ লাইনে লিখিত এই তাম্রলিপি থেকে ‘কম্বোজ বংশ-তিলক’-এর পরিচিতিমূলক বর্ণনা পাওয়া যায়। ধারণা করা হয়, এটি দশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে লিপিবদ্ধ করা হয়। ইর্দা তাম্রলিপি বা তাম্রপত্র নামে এটি পরিচিত।

ওড়িশার বালাশোরে আরো একটি লিপির সন্ধান পাওয়া যায়। কলন্দ গ্রামে পাওয়ায় এর নাম ‘কলন্দ তাম্রলিপি’ দেওয়া হয়। কম্বোজ রাজ নয়পাল রাজধানী প্রিয়ঙ্গু শহর থেকে তাঁর রাজত্বের ১৪তম বছরে আশ্বিন মাসে এ তাম্রলিপি তৈরি করেন।

‘ভাতুরিয়া তাম্রলিপি’ নামে কম্বোজদের আরো একটি তাম্রপত্র পাওয়া যায়। এটি তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ তাম্রপত্র হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।

♦ ইন্দ্রজিৎ মণ্ডল

মন্তব্য