kalerkantho

রবিবার । ২৬ জুন ২০২২ । ১২ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৫ জিলকদ ১৪৪৩

নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ব্যবস্থা নিন

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি

২০ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গুরুতর অপরাধের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। সারা দেশেই অপ্রীতিকর ঘটনা বাড়ছে। সমাজের কিছু মানুষ যেন দিন দিন অপরাধপ্রবণ হয়ে উঠছে।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমানের বাড়িতে ঢুকে তাঁর শিশুপুত্র আল রাফসানকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন এক দুর্বৃত্ত।

বিজ্ঞাপন

ছেলেকে বাঁচাতে যাওয়া চেয়ারম্যানের স্ত্রীকেও কুপিয়ে জখম করা হয়। চেয়ারম্যানের করা সালিসের রায় বিপক্ষে যাওয়ায় এক যুবক এই হামলা চালিয়েছেন বলে স্বজন ও এলাকাবাসী জানিয়েছে। ঘটনার পর ওই যুবককে ধাওয়া করে এলাকাবাসী। তখন তিনি একটি টেলিফোনের টাওয়ারে উঠে পড়েন। এক পর্যায়ে টাওয়ারের ওপর থেকে পড়ে তিনি মারা যান বলে দাবি পুলিশের।

ওদিকে রাজশাহীর দুর্গাপুরে পরকীয়া সন্দেহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর গলায় ফাঁস দিয়ে মাদকাসক্ত স্বামী আত্মহত্যা করেছেন। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় পূর্ববিরোধের জেরে দশম শ্রেণিপডুয়া এক শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে গত মঙ্গলবার রাতে। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের গঞ্জকুমারিয়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ইটখোলা থেকে নিখোঁজের ৪৭ দিন পর এক অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ধরনের আরো অনেক খবর রয়েছে কয়েক দিনের পত্রিকাজুড়ে।

প্রশ্ন উঠতে পারে, হঠাৎ করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটল কেন? কেন খুনখারাবির লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না? সর্বোচ্চ শাস্তির আইন পাস হওয়ার পরও কেন বন্ধ হচ্ছে না ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যার মতো নৃশংস অমানবিকতা?

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে মানুষের দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হওয়াটাই স্বাভাবিক। খুনখারাবির লাগাম টেনে ধরতে না পারলে জনমনে নিরাপত্তাহীনতার বোধ আরো তীব্র হবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অন্যায়কারীর শাস্তি হলে তা দেখে অন্যরা অন্যায় কাজে নিরুৎসাহ হবে। আর সে কারণেই আমাদের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে আরো তৎপর হতে হবে। অপরাধীদের আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে।

 



সাতদিনের সেরা