kalerkantho

সোমবার । ৯ কার্তিক ১৪২৮। ২৫ অক্টোবর ২০২১। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

অবৈধ ভিওআইপি

কঠোর অভিযান পরিচালনা করতে হবে

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না অবৈধ ভিওআইপি। নানা কৌশলে বছরের পর বছর ধরে এই অবৈধ কারবারটি চলে আসছে দেশে। বিদেশ থেকে টেলিফোন কল আসা ও যাওয়ার পরিমাণ সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেড়েছে। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ। কোনোভাবেই অবৈধ কল রোধ করা যাচ্ছে না। প্রতিদিন বাংলাদেশে আসা কলের যে রাজস্ব তার বেশির ভাগ চলে যায় চোরাকারবারিদের পকেটে। অথচ বৈদেশিক কলের ক্ষেত্রে অরাজকতা দূর করতে নীতিমালা বদলানো হয়েছে। কমানো হয়েছে কলরেট। অ্যাপস এসে গেছে হাতের মুঠোয়। কিন্তু তার পরও রোধ করা যাচ্ছে না অবৈধ কল। শুধু বিটিআরসি নয়, দেশের মোবাইল কম্পানিগুলোও ভিওআইপির অবৈধ কারবারে রাজস্ব হারাচ্ছে। অভিযান চলছে। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারও করা হচ্ছে। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, মূল হোতারা থেকে যাচ্ছে আড়ালে। ফলে বন্ধ হচ্ছে না ভিওআইপির অবৈধ কারবার। 

গত মঙ্গলবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক বিদেশগামীকে তল্লাশি করে পাওয়া যায় অদ্ভুত ধরনের তিন হাজার কার্ড। কার্ডগুলো নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ শহরে যাওয়ার পথে ছিলেন তিনি। পরে জানা যায়, কার্ডগুলো বানিয়েছে অবৈধ ভিওআইপি চক্র। ওই মঙ্গলবার রাতেই রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে এক হাজারের বেশি মোবাইল সিমসহ অবৈধ ভিওআইপির কাজে ব্যবহৃত ৫১২ পোর্টের তিনটি সিম বক্স, ২৫৬ পোর্টের দুটি সিম বক্স, চারটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। ঢাকার আরো অনেক বাড়িতে এ ধরনের কারবার হয়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

ভিওআইপির অবৈধ ব্যবসা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতাই হতে পারে বড় সহায়ক শক্তি। আমরা দেখি বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধার করা হয় ভিওআইপির কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি। অনেককে গ্রেপ্তারের খবরও আসে গণমাধ্যমে। আবার এসব মামলায় গ্রেপ্তারকৃতরা সহজেই জামিনে বেরিয়ে যায় বলেও অভিযোগ আছে।

কাজেই ভিওআইপির অবৈধ কারবার বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে আরো তৎপর হতে হবে। দেশের রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হয়—এমন যেকোনো তৎপরতা নিয়ন্ত্রণ করার কোনো বিকল্প নেই।



সাতদিনের সেরা