kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৭ ফাল্গুন ১৪২৬ । ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২৫ জমাদিউস সানি ১৪৪১

এগিয়ে আসছে ভোটের দিন

সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে

২৭ জানুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এগিয়ে আসছে ভোটের দিন

নির্বাচনী প্রচারণায় সরগরম ঢাকা মহানগরী। নির্বাচন সামনে রেখে ভোটারদের মন জয় করতে সদলবলে মাঠে নেমেছেন মেয়র ও কাউন্সিলর পদপ্রার্থীরা। পথসভা থেকে শুরু করে দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট চাইছেন প্রার্থীরা। ভোটারদের কাছে নিজেদের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরছেন। ঢাকার দুই সিটিতে এখন নির্বাচনী উৎসবের আমেজ। পোস্টারে পোস্টারে ছেয়ে গেছে চারদিক। প্রচারে সরগরম এলাকা। ভোটারদের সম্ভাব্য উপস্থিতির বিষয়ে কালের কণ্ঠ গত শনিবার ঢাকার দুই সিটির ১২৯টি ওয়ার্ডের ৬০টিতে ৩০০ জন ভোটারের অভিমত গ্রহণ করেছে। ভোটারদের অভিমত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ৩০০ জনের মধ্যে ২০৪ জন অর্থাৎ ৬৮ শতাংশই সরাসরি বলেছেন যে তাঁরা ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবেন। ৫৭ জন অর্থাৎ ১৯ শতাংশ বলেছেন যে তাঁরা ভোট দিতে যাবেন না। যাঁরা ভোট দিতে কেন্দ্রে না যাওয়ার কথা বলেছেন তাঁরা তাঁদের মতের পক্ষে নানা ধরনের কারণ ও যুক্তি তুলে ধরেছেন। ৩৯ জন অর্থাৎ ১৩ শতাংশ জানিয়েছেন যে পরিস্থিতি বুঝে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেবেন।  

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে অংশ নেওয়া বেশ কয়েকজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। অনেক কাউন্সিলর প্রার্থীর বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, দুর্নীতি, ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, নাশকতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে গুরুতর অভিযোগে মামলা রয়েছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশ নেওয়া বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সমর্থন পাওয়া অনেক প্রার্থীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলাও চলমান। প্রার্থীর হলফনামা বিশ্লেষণে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। ঢাকার দুই সিটিতে সাধারণ কাউন্সিলর পদে মোট ৫৮৬ প্রার্থীর মধ্যে ১৬৪ জনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির সমর্থন পাওয়া প্রার্থী যেমন রয়েছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীও রয়েছেন।

নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই উত্তেজনা বাড়ছে মাঠে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ও আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এর আগেও হামলার ঘটনা ঘটেছে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটিতে। ঢাকার উত্তর সিটির বিভিন্ন ওয়ার্ডে গত শুক্রবার পর্যন্ত হামলার ঘটনা ঘটেছে ১২টি। দক্ষিণে হামলা হয়েছে আটটি।

যেকোনো নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনই হচ্ছে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। নির্বাচন কমিশন এই সার্বভৌম ক্ষমতা কতটা ব্যবহার করবে, তার ওপর নির্ভর করছে একটি নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা। সব প্রার্থীকেই নির্বাচনের আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। দলগুলোকে অবশ্যই সহিষ্ণুতার পরিচয় দিতে হবে। কারণ সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও দায়িত্বশীল আচরণ করতে হয়। সবার সম্মিলিত চেষ্টায় সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা