kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

ফোকাস

দলছুট-৫০

৩ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৫ মিনিটে



দলছুট-৫০

একে একে পঞ্চাশ পার হলো দলছুটের। কেমন লেগেছে আর আরো কী কী চাই, জানিয়েছে তোমাদেরই কয়েকজন বন্ধু। বাকিরাও নিয়মিত জানাও দলছুটে যা যা পড়তে চাও। পাঠাতে পারো তোমাদের তোলা তাক লাগানো ছবি (ক্যাপশনে বিস্তারিত তথ্যসহ), অন্য রকম প্রতিভাধর কোনো বন্ধুর খবর কিংবা মজার কোনো জায়গায় একটা জম্পেশ আড্ডার বর্ণনা। ছবিসহ ই-মেইল করে দাও [email protected] ঠিকানায়

দলছুটের বিজ্ঞানের লেখাগুলোর সহজ-সরল ও রসালো উপস্থাপন বেশ ভালো লাগে। আজ দলছুট হাফ সেঞ্চুরি করল। সময় কিন্তু বেশি না। আশা করি, বাকি দিনগুলোতেও মুগ্ধতা ধরে রাখবে। আমি চাই, দলছুটে ‘অন্য রকম প্রভিতা’ বিভাগ খোলা হোক। স্কুল-কলেজপড়ুয়াদের ভিন্নধর্মী প্রতিভার কথা প্রকাশ পাবে সেখানে। প্রতিটি জেলায় দলছুট ক্লাব খোলা হোক। যেখানে পাকাপোক্ত লেখক তৈরির চর্চা নিয়মিত চলবে। ধন্যবাদ কালের কণ্ঠকে এ রকম একটি কিশোর ম্যাগাজিন উপহার দেওয়ার জন্য।

—আমানুর রহমান, একাদশ শ্রেণি, সরকারি কদম রসুল কলেজ, নারায়ণগঞ্জ।

 

আমার কাছে মনে হয়, দলছুট আকারে ছোট। তার মধ্যে গাদাগাদি করে অনেক বিভাগ। দু-তিনটি বিভাগ ভালো লাগে না। যেমন ফটোফিচার বা নিজে বানাই। এর বদলে দুই পৃষ্ঠা পাঠকের লেখা ছাপানো দরকার। ‘এমন যদি হতো’ বিভাগটি তো হারিয়েই গেছে। সেটা ফিরিয়ে আনলে ভালো হয় (শুধু ফেরানো নয়, নিয়মিত চাই!)। আজ দলছুটের ৫০। এক শ হতেও খুব দেরি নেই!

—পঞ্চতপা অনন্যা, বিএএফ শাহীন কলেজ, শমশেরনগর, মৌলভীবাজার।

ক্লাস, পরীক্ষা, প্রাইভেট—এত এত চাপের ভিড়ে দলছুট যেন একটু হাঁফ ছাড়ার জায়গা। পরামর্শ দিতে বললে বলব যে—প্রতিটি সংখ্যায় একটি করে বুক রিভিউ ছাপানো উচিত। এ ক্ষেত্রে পাঠকদের জন্য রিভিউ লেখার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা যেতে পারে। তা ছাড়া প্রতি মাসে দলছুট পাঠকদের নিয়ে একটা দলছুট আড্ডার আয়োজন করা হলেও মন্দ হবে না! অনেক শুভ কামনা। জয়তু দলছুট।

—খাদিজা আক্তার সায়মা, দশম শ্রেণি, উইমেন্স মডেল কলেজ, সিলেট।

 

দলছুটের প্রতি আপাতত কোনো অভিযোগ নেই। তবে বলতেই হবে, সময়োপযোগী ম্যাগাজিন। পরামর্শ হলো, প্রথমত পাঠক ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ মাথায় ধরে এগোতে হবে। তারপর পাঠকের চাহিদা কোন দিকে, সেটা জানতে মাঝেমধ্যে মতামত নিতে হবে ফেসবুক গ্রুপে। চাহিদা অনুযায়ী পাতা বাড়ানোও দরকার। ‘ফোকাস’ ফিচারটি দলছুটের একটি অন্য রকম স্থান, যার ধারাবাহিকতা প্রয়োজন। অন্যদিকে শরীর ও মন শুরুর দিকে ধারাবাহিক ফিচার ছিল, এখন খুব কম দেখা যাচ্ছে। ফিচারটি নিয়মিত করার অনুরোধ করছি। এ ছাড়া হাটে যাই, শিখে নাও, টিন টিপসের মতো ফিচারগুলোও নিয়মিত করা হোক। আর এর জন্য পাতাও বাড়তে হবে। এ ছাড়া বাড়তি কিছু চাওয়াও আছে—ফটোগ্রাফি, গ্রাফিকস ডিজাইন, সিনেমাটোগ্রাফি, আউটসোর্সিং, প্রগ্রামিং ইত্যাদি বিষয়ের টিপস ও ট্রিকস। জনপ্রিয় লেখকদের গল্পও একটু বেশি বেশি চাই। আউট অব দ্য টপিক—পরবর্তী ১০০তম সংখ্যার সময় একটি পাঠক সমাবেশের আয়োজন করা হোক। সামনের যেকোনো সংখ্যায় শুদ্ধ বানান নিয়ে একটি ফিচার দিলে সুবিধা হতো।

—মুহসিন মুন্সী, দৌলতপুর দিবা-নৈশ কলেজ, খুলনা।

দলছুটের প্রচ্ছদ বেশ সুন্দর হয়। প্রচ্ছদ প্রতিবেদনগুলোও ভালো লাগে। আমার কাছে ৪৯তম সংখ্যাটি বেশি ভালো লেগেছে। ‘বনে বনে সবে মিলে চলো হে’ শিরোনামে প্রচ্ছদটি যেন বসন্তের কথা কয়। রহস্যজট পড়ে মনে হয়েছে, আমিই মিতুল। মিতুলের মতো খুব বই পড়ি তো তাই! সব মিলিয়ে দলছুটের এ আয়োজন এক বসায় শেষ করার মতো ছিল। ছোট ছোট আরো ফিচার, মজার তথ্য ও তোমাদের আলোকচিত্র বিভাগ থাকলে খুশি হব।

—মিশকাত রাসেল, শ্রীপুর, গাজীপুর।

 

দলছুটের কথা আমি বাবার কাছে প্রথম শুনি। প্রথম দিনই এর লেখাগুলো আমাকে মুগ্ধ করে। এটি এখন আমার পছন্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। শিশু-কিশোরদের সৃজনশীল করে তুলতে ‘দলছুট’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নবীন লেখকের সংখ্যা বাড়বে বলেও মনে করি। পঞ্চাশতম সংখ্যা একটি বড় মাইলফলক। আশা করি, এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি পৃষ্ঠাসংখ্যা বাড়ানো যায়, যাতে আমরা আরো বেশি লেখকের গল্প ও ফিচার পড়তে পারি।

—অনন্য যারিফ আকন্দ, পঞ্চম শ্রেণি, দ্য হলি চাইল্ড স্কুল, মানিকগঞ্জ।

 

এখন তো দলছুটই একমাত্র সাপ্তাহিক কিশোর ম্যাগাজিন। প্রতিটি আর্টিকল, গল্প, কমিকস ভালো লাগে। দলছুট যেন এমন আরো অনেক মাইলফলক ছুঁতে পারে। কিছু কিছু বিভাগ ভালো লাগে না। আলাদা করে আর নাম বললাম না। তবে সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস চাই। ছাপার মানটা আরেকটু ভালো হলে পড়তে ভালো লাগত। টিনএজারদের জন্য ভ্রমণবিষয়ক টিপস ও গাইডলাইন চাই। তবে সেটা যেন আবার একঘেয়ে না হয়। সবই হবে মজার ছলে। গল্পে গল্পে।

—সাবিদ ইবনে নূর, হাজী মুহাম্মদ মহসিন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, রাজশাহী।

         

শ্রুতলিখন : গোলাম মোর্শেদ সীমান্ত 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা