kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

ভিটামিন

কোন ভিটামিনের কী কাজ?

ভিটামিন নিয়ে আলোচনায় আজ জেনে নেব কোন ভিটামিন কী কাজে আসে। জানাচ্ছেন বাংলাদেশ ডায়েট প্ল্যানেটের পুষ্টিবিদ মাহবুবা চৌধুরী

৪ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কোন ভিটামিনের কী কাজ?

ভিটামিন ‘সি’

♦ ভিটামিন ‘সি’ রক্তের প্রবাহ বাড়ায়। এতে রক্তের অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা বাড়ে।

♦ এটি রক্তনালির দেয়ালগুলোকে চাপমুক্ত রাখে।

♦ ফুসফুস ও শ্বাসনালির প্রদাহ কমায়।

♦ এটি বিভিন্ন ধরনের অ্যালার্জির তীব্রতা কমায় এবং সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে।

♦ ঠাণ্ডা লাগার কারণে আমাদের মুখের ভেতর ও গলায় শুষ্কতা দেখা দেয়, যা রোধ করতে ভিটামিন ‘সি’ সহায়তা করে।

♦ যেকোনো ক্ষত জলদি সারায়।

♦ অস্থি, ত্বক, দাঁত, শিরা কোষের মধ্যকার পদার্থকে স্বাভাবিক অবস্থায় রাখতে সাহায্য করে।

♦ আয়রন শোষণে ভিটামিন ‘সি’ সহায়তা করে।

♦ অ্যামাইনো এসিড মেটাবলিজমে সহায়তা করে।

♦ দেহ থেকে অবসন্নতা দূর করতে সাহায্য করে।

♦ কোষে কোলাজেন টিস্যু তৈরিতে সহায়তা করে।

♦ ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা ও রক্তাল্পতা রোধেও ভিটামিন ‘সি’ ভালো কাজ করে।

 

ভিটামিন ‘ডি’

♦ ক্ষুদ্রান্ত্রে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণের কাজ করে।

♦ ফুসফুসের প্রদাহে যে ক্ষতি হয় তা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

♦ দেহে ভিটামিন ‘ডি’ যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে না থাকে, তবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমবে। এতে ঘন ঘন অসুস্থবোধ করা, হঠাৎ ঠাণ্ডা লাগা ও সর্দি-কাশি হতে পারে।

♦ এ ভিটামিন মাংসপেশি সচল রাখে।

 

ভিটামিন ‘এ’

♦ রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ‘এ’র ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে।

♦ দেহের পুষ্টি ও বৃদ্ধি ঘটায়।

♦ দৃষ্টিশক্তি ঠিক রাখে। রাতকানা প্রতিরোধ করে।

♦ রক্তের স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখে।

♦ হৃপিণ্ড, ফুসফুস, কিডনি ও অন্য অঙ্গগুলোকে ঠিকভাবে কাজ করতে সহায়তা করে।

♦ ত্বক সুস্থ রাখে।

♦ সংক্রমণ প্রতিহত করে।

♦ সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ নানা রোগ প্রতিরোধ করে।

♦ দেহকোষের গঠনে সহায়তা করে।

 

ভিটামিন ‘বি-১২’

♦ এটিও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন ‘সি’র কার্যকারিতাকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে ভিটামিন ‘বি’।

♦ ক্ষুধামান্দ্য, কোষ্টকাঠিন্য, অবসাদবোধ, দুর্বলতা এবং মুখে ও গলার ঘা প্রতিরোধ করে ভিটামিন ‘বি-১২’।

 

ভিটামিন ‘বি-৯’

♦ এটা পানিতে দ্রবণীয়। একে ফলিক এসিডও বলা হয়। এটি বিপাকের মৌলিক ক্রিয়াকে সহযোগিতা করে।

♦ বিষণ্নতা, হৃদেরাগ এবং স্ট্রোক থেকে রক্ষা এই ভিটামিন।

♦ স্নায়ুতন্ত্র ভালো রাখে।

 

ভিটামিন ‘ই’

♦ ভিটামিন ‘ই’র অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের দেহ-ত্বক সতেজ রাখে।

♦ চুলপড়া রোধ করে।

♦ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চোখে একধরনের সমস্যা হয়। যার ফলে ম্যাকুলার ডিজেনারেশনের সমস্যা দেখা দেয়। এটি অন্ধত্বের অন্যতম কারণ। ভিটামিন ‘ই’ এটি প্রতিরোধ করে।

♦ স্নায়ুতন্ত্রকে সুরক্ষা করে স্নায়ুবিক নানা রোগ প্রতিহত করে।

♦ হরমোনের সমতা রক্ষা করে, মাতৃগর্ভে শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশের ক্ষেত্রে ভিটামিন ‘ই’ কাজ করে।

 

ভিটামিন ‘কে’

♦ রক্তক্ষরণের সময় রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।

♦ হাড়ের গঠনে সাহায্য করে।

♦ মানবদেহে অতিরিক্ত গ্লুকোজ গ্লাইকোজেন হিসেবে যকৃতে জমা রাখতে সহায়তা করে।

♦ ক্যান্সার কোষ গঠনে বাধা দেয়।

♦ ভিটামিন ‘ডি-৩’ শোষণে ভিটামিন ‘কে’র ভূমিকা রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা