সৌদি আরবের আল-উলা, তাবুক এবং আল-বাহাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে জাফরান চাষের শুধু সম্প্রসারণই হয়নি, আরব বিজ্ঞানীরা বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান এই ফসলটির উৎপাদনশীলতা ও গুণমান উন্নত করার উপায়ও খুঁজছেন।
কেএইউএসটি-এর উদ্ভিদ বিজ্ঞান গবেষণার সহযোগী উপাচার্য অধ্যাপক সেলিম আল-বাবিলি আরব নিউজকে বলেছেন, রাজ্যের উদীয়মান জাফরানশিল্পকে সহায়তা করতে এবং শুষ্ক পরিবেশে ফসলটি চাষের প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে চাষিদের সাহায্য করার ক্ষেত্রে জৈবপ্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।
‘লাল সোনা’ নামে পরিচিত জাফরান শুধু তার অর্থনৈতিক মূল্যের জন্যই নয়, বরং এর জৈব-সক্রিয় যৌগগুলোর জন্যও সমাদৃত, যেগুলো সম্ভাব্য স্বাস্থ্য উপকারিতার কারণে ক্রমবর্ধমান আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। আল-বাবিলি বলেন : ‘শুষ্ক জলবায়ু পরিস্থিতিতে নাজুক ক্রোকাস স্যাটিভাস চাষ করা উল্লেখযোগ্য জৈবিক ও কৃষিতাত্ত্বিক চ্যালেঞ্জ উপস্থাপন করে।’
এই প্রতিবন্ধকতাগুলো মোকাবেলার জন্য উদ্ভাবনী বৈজ্ঞানিক সমাধান প্রয়োজন। জাফরানে মাইজ্যাক্সের প্রয়োগ উল্লেখযোগ্য ফল দিয়েছে, যা গাছের বৃদ্ধি, গর্ভমুণ্ডের জৈবভর এবং মূল্যবান জৈব-সক্রিয় যৌগসমূহের সঞ্চয়নকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করছে। এতে উচ্চ ফলন, উন্নত গুণমান এবং বর্ধিত পুষ্টিগুণ মিলছে। জাফরান উৎপাদন অত্যন্ত শ্রমনিবিড়, মাত্র এক কিলোগ্রাম মসলা তৈরি করতে প্রায় দেড় লাখ ফুলের প্রয়োজন হয়। আর সৌদি জাফরান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করায় এর টেকসই ও লাভজনক চাষাবাদ নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। সূত্র : অ্যারাব নিউজ