kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

শেষবিদায় জানাতে টুটুর মরদেহ সেন্ট ক্যাথেড্রালে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শেষবিদায় জানাতে টুটুর মরদেহ সেন্ট ক্যাথেড্রালে

সাদামাটা কফিনে টুটুর মরদেহ নেওয়া হয় গির্জায়। ছবি : এএফপি

দক্ষিণ আফ্রিকার বিবেক হিসেবে পরিচিত বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটুকে শেষশ্রদ্ধা জানাতে তাঁর মরদেহ কেপটাউনের সেন্ট জর্জ ক্যাথেড্রালে রাখা হয়েছে। তাঁর কফিনের কাছে গিয়ে শোক প্রকাশ ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছে সর্বস্তরের মানুষ।

শান্তিতে নোবেল পাওয়া ডেসমন্ড টুটু গত রবিবার ৯০ বছর বয়সে মারা যান। নববর্ষের প্রথম দিন ১ জানুয়ারি শনিবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হবে।

বিজ্ঞাপন

তার আগে শেষবিদায় জানানোর জন্য তাঁর মরদেহ সেন্ট জর্জ গির্জায় নেওয়া হয়। দুই দিনব্যাপী শোকাহত মানুষেরা তাঁকে শেষবিদায় জানাবেন।

স্থানীয় একজন যাজক বলেছেন, ‘পদদলিত হওয়ার মতো ভয়ংকর ঘটনা ঘটতে পারে’ এমন আশঙ্কায় টুটুকে শেষবিদায় জানানোর সময় দুই দিন বাড়ানো হয়েছে।

সাধারণ একটি কাঠের কফিনে করে টুটুর মৃতদেহ নিয়ে যাওয়া হয় সেন্ট জর্জ ক্যাথেড্রালে। এ সময় পুরোহিতরা ধূপ জ্বালান। টুটুর বড় মেয়ে থান্ডেকা টুটু-গক্সেসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা কফিনের পেছন পেছন হেঁটে গির্জায় পৌঁছায়। টুটুর অসুস্থ স্ত্রী লেয়াকে এর আগেই গির্জায় নিয়ে যাওয়া হয়।

১৯৪৮ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠদের বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গ-সংখ্যালঘু সরকারের আরোপ করা নিন্দিত বর্ণবাদ ব্যবস্থা চালু ছিল। এ ব্যবস্থা বিলুপ্তির কঠিন সংগ্রামের অন্যতম চালিকাশক্তি ছিলেন টুটু।

শনিবার শেষকৃত্যের সময় টুটুর দেহাবশেষ দাহ করা হবে এবং দেহভস্ম সেন্ট জর্জ ক্যাথেড্রালেই রাখা হবে। সেখানে তিনি বহু বছর ধরে মানবতা প্রচার করেছেন। প্রয়াত যাজকের ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া হবে সাদামাটা। টুটুর ফাউন্ডেশন বলেছে, জীবদ্দশায় তিনি কখনো দাম্ভিকতা দেখাননি। কখনো জাঁকজমকপূর্ণ খরচ চাননি। এমনকি চেয়েছিলেন তাঁর মরদেহ রাখার কফিনটিও যেন সবচেয়ে সস্তা হয়। সূত্র : এএফপি



সাতদিনের সেরা