kalerkantho

সোমবার । ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৭ মে ২০২১। ০৪ শাওয়াল ১৪৪

কথা হলো দুই ভাইয়ের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কথা হলো দুই ভাইয়ের

দীর্ঘ এক বছর পর বড় ভাই প্রিন্স উইলিয়ামের সঙ্গে প্রিন্স হ্যারির দেখা ও কথা হলো। স্ত্রী মেগান মার্কেল, সন্তানসহ ২০২০ সালে রাজপরিবার ত্যাগের পর এই প্রথম হ্যারি রাজপরিবারে এলেন। প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্যানুষ্ঠানে যোগ দিতে হ্যারি গত শনিবার দেশে যান।

উইন্ডসর প্রাসাদে প্রিন্স ফিলিপের শেষযাত্রায় হ্যারি ও উইলিয়াম একসঙ্গে হাঁটেন। এ সময় তাঁদের বাবা প্রিন্স চার্লসসহ রাজপরিবারের নিকটাত্মীয়রাও শোকযাত্রায় পা মেলান। তবে এই অনুষ্ঠানে ছিলেন না হ্যারির স্ত্রী মেগান। মেগানের অনুপস্থিতির বিষয়টি অবশ্য আগেই নিশ্চিত হওয়া গেছে। দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা হওয়া মেগান করোনাভাইরাস মহামারিতে চিকিৎসকের পরামর্শে জনসমাগম এড়িয়ে চলছেন। রাজপরিবার ছাড়ার পর হ্যারি-মেগান দম্পতি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে থাকছেন।

এর আগে খ্যাতনামা উপস্থাপক অপরাহ উইনফ্রের অনুষ্ঠানে হ্যারি-মেগান রাজপরিবারের অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর বিষয় তুলে ধরেছিলেন। তাঁদের প্রথম সন্তানের গায়ের রং নিয়ে রাজপরিবারের এক ব্যক্তির নেতিবাচক মন্তব্যের অভিযোগ করেন মেগান। এ ছাড়া মেগানের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে রাজপরিবারের উদাসীনতার কথাও উঠে আসে ওই সাক্ষাৎকারে।

অনেকের ধারণা, বড় ভাই উইলিয়াম এই সাক্ষাৎকার নিয়ে ছোট ভাইয়ের ওপর বেশ নাখোশ। মেগানের বর্ণবাদের অভিযোগ শুনে উইলিয়াম বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয় আমাদের পরিবার খুব একটা বর্ণবাদী নয়।’ এরপর আশঙ্কা করা হয়, হ্যারি-মেগানের সঙ্গে রাজপরিবারের সম্পর্ক বেশ তিক্ততায় পৌঁছেছে। এ অবস্থায় প্রিন্স ফিলিপের শেষকৃত্যানুষ্ঠানে এ দম্পতির উপস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়।

প্রিন্স ফিলিপের শেষযাত্রায় সর্বমোট ৩০ জন উপস্থিত ছিলেন। করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি পালনের স্বার্থে রাজপরিবারের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এমন কেউ এখানে উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনও উপস্থিত ছিলেন না।

ব্রিটিশ রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের ৭৩ বছরের জীবনসঙ্গী, তাঁর স্বামী ডিউক অব এডিনবরা ৯৯ বছর বয়সে গত ৯ এপ্রিল উইন্ডসর ক্যাসলে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। করোনাভাইরাস মহামারিজনিত বিধি-নিষেধের সঙ্গে সংগতি রেখে গত শনিবার তার শেষকৃত্যানুষ্ঠানে মাত্র ৩০ জন উপস্থিত ছিলেন। অতিথিদের তালিকায় ছিলেন রানি এলিজাবেথ ও ডিউক অব এডিনবরার পরিবারের সদস্যরা এবং ডিউক অব এডিনবরার তিনজন জার্মান সদস্য। যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসে শেষকৃত্যে যোগ দেন ডিউকের নাতি প্রিন্স হ্যারি, যিনি গত বছর রাজপরিবারের সক্রিয় ঊর্ধ্বতন সদস্যের দায়িত্ব ত্যাগ করেন।

প্রিন্স ফিলিপের মরদেহ বহনকারী গাড়ির পেছনে ছিলেন ডিউকের চার সন্তান প্রিন্স চার্লস, অ্যান্ড্রু, এডওয়ার্ড ও প্রিন্সেস অ্যান। ছিলেন ডিউকের দুই নাতি প্রিন্স উইলিয়াম ও হ্যারিও। সূত্র : বিবিসি, টাইমস অব ইন্ডিয়া।