kalerkantho

শুক্রবার । ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৫ জুন ২০২০। ১২ শাওয়াল ১৪৪১

করোনা নিয়ে সতর্ককারী মার্কিন ক্যাপ্টেন অপসারিত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৪ এপ্রিল, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা নিয়ে সতর্ককারী মার্কিন ক্যাপ্টেন অপসারিত

মার্কিন নৌবাহিনী তাদের বিমানবাহী জাহাজ ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না—এমন মন্তব্য করার পর জাহাজটির কমান্ডারকে অপসারণ করা হয়েছে। জাহাজটির ক্যাপ্টেন ব্রেট ক্রোজিয়ার তাঁর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে মার্কিন সেনাদের মৃত্যু ঠেকাতে পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ করেন। বিভিন্ন রিপোর্টে জানা যায় যে ওই জাহাজটিতে অন্তত ১০০ জনের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণ ঘটেছে।

তবে মার্কিন নৌবাহিনীর সেক্রেটারি টমাস মোডলি বলেছেন, ওই কমান্ডার ‘অত্যন্ত দুর্বল মাপকাঠিতে যাচাই করে’ মন্তব্য করেছেন।

বৃহস্পতিবার মোডলি সাংবাদিকদের বলেন যে চিঠিটি মিডিয়ার সামনে ফাঁস করার অভিযোগ ক্যাপ্টেন ক্রোজিয়ারকে ‘চাকরিচ্যুত’ করা হয়। তিনি বলেন যে ওই চিঠিটি ‘এমন একটি ধারণা দেয় যে নৌবাহিনী তার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে না। এটা এমন একটা ধারণা তৈরি করে যে নৌবাহিনী তাদের কাজ করছে না, সরকার তাদের কাজ করছে না। যেটা একেবারেই সত্য নয়।’

জাহাজটিতে সংক্রমিত হননি, এমন চার হাজার ক্রুকে গুয়ামে কোয়ারেন্টিন করা হচ্ছে। সেখানে স্থানীয়দের সঙ্গে সংস্পর্শে না এসে তারা যত দিন ইচ্ছা থাকতে পারবে বলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপটির গভর্নর জানিয়েছেন।

জাহাজের ক্রুদের আবদ্ধ জায়গায় বসবাস করতে হচ্ছে বলে সেখানে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হচ্ছে বলে ক্যাপ্টেন ক্রোজিয়ার তাঁর চিঠিতে পেন্টাগনকে সতর্ক করেছিলেন। ৩০ মার্চে লেখা চার পৃষ্ঠার ওই চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘আমরা যুদ্ধের মধ্যে নেই। নাবিকদের মারা যাওয়ার প্রয়োজন নেই।’ জাহাজ থেকে সংক্রমণমুক্ত ক্রুদের সরিয়ে নিয়ে আলাদা করতে দ্রুত সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান ক্যাপ্টেন ক্রোজিয়ার। চিঠিটি পরে স্যান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকলে ছাপা হয়।

বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। মার্কিন কংগ্রেসের সশস্ত্র বাহিনীবিষয়ক কমিটির ডেমোক্রেটিক নেতাদের এক বিবৃতিতে উঠে আসে, ‘ক্যাপ্টেন ক্রোজিয়ার নিশ্চিতভাবে চেইন অব কমান্ড ভঙ্গ করেছেন, তবে এই সংকটময় সময়ে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করবে এবং আমাদের বাহিনীর সদস্যদের আরো ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে এবং তাদের প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত ঘটাবে। ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্টে যেই সংকট তৈরি হয়েছে, পূর্ণ তদন্ত ছাড়া কমান্ডিং অফিসারকে সরিয়ে আনার মাধ্যমে সেই সমস্যার সমাধান হবে না।’ সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা