kalerkantho

বুধবার । ১২ মাঘ ১৪২৮। ২৬ জানুয়ারি ২০২২। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

রুটি ছোটদের জন্যও উপকারী

শুধু বড়দের নয়, নির্দ্বিধায় ছোটদের পাতেও তুলে দিতে পারেন রুটি। পুষ্টিবিদ আখতারুন নাহার আলোর সঙ্গে কথা বলে লিখেছেন আতিফ আতাউর

৬ ডিসেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রুটি ছোটদের জন্যও উপকারী

ছোট ছেলেমেয়েদের খাবার নিয়ে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই মায়েদের। একে তো তারা খেতে চায় না, তার ওপর কিসে ওদের ভালো-মন্দ, সে নিয়েও মনে নানা ভয়। সন্তান সঠিক পুষ্টি পাচ্ছে কি না, ওর বেড়ে ওঠা ঠিকমতো হচ্ছে কি না—এ রকম রাজ্যের প্রশ্ন ঘুরপাক খায় মায়েদের মনে। পুষ্টিবিদদের মতে, শিশুকে ছয় মাস পরই স্বাভাবিক খাবার খাওয়ানো যেতে পারে; কিন্তু এর আগে পানিও নয়।

বিজ্ঞাপন

ছয় মাস পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধই শিশুর পুষ্টি ও বেড়ে ওঠার জন্য যথেষ্ট। তবে ছয় মাস পার হওয়ার পর শিশুকে স্বাভাবিক খাবার নরম করে খাওয়ানোর অভ্যাস করতে হবে। এর পর থেকে ধীরে ধীরে তাকে বড়দের খাবারের প্রতি অভ্যস্ত করে তোলা উচিত। এ সময় নরম খিচুড়ি, ডিম পোচ, ডিম সিদ্ধ, গরুর কলিজা, মাছ, নরম ভাত ইত্যাদি অল্প অল্প করে খাওয়ানো ভালো। তবে একবারে শিশুকে বেশি করে খাবার খাওয়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ শিশুদের পাকস্থলী ছোট থাকে। এ জন্য একবারে বেশি খাবার তারা খেতে পারে না। তাই অল্প অল্প করে দিনের মধ্যে কয়েকবার শিশুকে খাবার খাওয়ানো ভালো।

শিশুর বয়স একটু বেড়ে গেলে বা স্কুলে যেতে শুরু করলে ওর পাতে বড়দের মতোই খাবার দিতে পারেন, বিশেষ করে শিশুর দাঁত গজিয়ে গেলে খাবার নিয়ে আর অহেতুক চিন্তা করার দরকার নেই। এ সময় চিবিয়ে খাওয়া যায় এজাতীয় সব খাবারই শিশুকে খেতে দিতে পারেন।

শিশু চিবিয়ে খাওয়া শুরু করলে ওর পাতে রুটি তুলে দিতে পারেন। রুটি ভাতের পরিপূরক খাবার হিসেবে কাজ করে। রুটির সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন মাছ বা মাংসের ঝোল, সবজি, জেলি ইত্যাদি।

স্কুলগামী শিশুদের জন্যও টিফিন হিসেবে রুটি-সবজি দিতে পারেন। এতে যেমন ওর খিদে মিটবে, তেমনি শরীরের পুষ্টি চাহিদাও পূরণ হবে। টিফিন হিসেবে রুটি বেশ প্রিয় শিশুদের কাছে। কারণ তা ভাতের মতো আয়োজন করে খেতে হয় না। রুটি-সবজি সহজেই খেয়ে নেওয়া যায়। এ জন্য মায়েদের কাছে দিন দিন টিফিন হিসেবে তো বটেই, সকাল কিংবা বিকেলের নাশতা হিসেবেও প্রিয় হয়ে উঠছে রুটি।

আবার রুটি তৈরির যে ঝামেলা, এখন তা-ও নেই। কারণ দোকানেই কিনতে পাওয়া যায় রেডিমেড রুটি। বাসায় রুটি বানাতে না পারলেও অসুবিধা নেই। দোকান থেকে ঝটপট কিনেই খিদের সমাধান করা যায়। শুধু তাই নয়, রেডিমেড রুটি কয়েক দিন পর্যন্ত বাসায় রেখে খাওয়া যায়। রেডিমেড রুটির গুণাগুণও বাড়িতে তৈরি রুটির মতোই। এ ছাড়া রেডিমেড রুটিতেও রয়েছে প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ। এতে যেমন খাবারে বৈচিত্র্য যোগ হবে, তেমনি শিশুর খাবার খাওয়ার প্রতিও আগ্রহ বাড়বে।



সাতদিনের সেরা