kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

এই সময়ে ঘরের পোশাক

এখন ঘরে থাকা হয় বেশিক্ষণ। ফলে ঘরে পরা পোশাকের ব্যবহারও বেশি। পোশাকটি তাই আরামদায়ক হওয়া চাই। বিস্তারিত জানাচ্ছেন এ এস এম সাদ

৬ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এই সময়ে ঘরের পোশাক

মডেল : অদিতা

দিন শুরু 

শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কর্মজীবীরাও   বেশির ভাগ সময় বাড়িতে থাকলেও অনলাইনে ক্লাস বা হোম অফিস করতে হচ্ছে। অর্থাৎ বাসায় থাকলেও দেখা-সাক্ষাৎ বন্ধ নেই। তাই বাড়িতেও থাকতে হবে পরিপাটি। পোশাকটি যেন উপস্থাপনযোগ্য ও আরামদায়ক হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বিশ্বরঙের প্রতিষ্ঠাতা ও ফ্যাশন ডিজাইনার বিপ্লব সাহা বলেন ‘এখন তো বাসায়ই বেশির ভাগ সময় থাকতে হয়, তাই নিজেকে কিংবা অন্যের কাছে নতুনভাবে তুলে ধরতে বিভিন্ন রকমের পোশাক পরতে পারেন। বিশেষ করে সালোয়ার-কামিজ দিয়ে সকাল শুরু করতে পারেন। পাতলা সুতির কাপড়ে সালোয়ার-কামিজ পরলে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকবেন যে কেউ। কাপড়ের মান কারুকার্যে নয়; বরং সুতার বুনন ও মানের ওপরই নির্ভর করে। রঙের দিকে বিবেচনা করলে গাঢ় কিংবা হালকা দুই রঙের সালোয়ার-কামিজই মানাবে। তবে সকালবেলা বৃষ্টি কিংবা মেঘলা থাকলে হালকা রং বেছে নিতে পারেন। কালেকশনে থাকা হলুদ, আকাশি ও কমলা রঙের কামিজ করোনার দিনগুলোতে পরে ফেলুন। এ ছাড়া এখন যেহেতু বাইরে ঘুরতেও যাওয়া হয় না, তাই বাসায়ই একেক সময় একেক রকম নিজের পছন্দের ড্রেস পরতে পারেন।

বর্ষাকাল হলেও আবহাওয়া এখনো বেশ গরম। তাই যে কাপড়টি বাসায় পরবেন সেটি হতে হবে আরামদায়ক। অন্যদিকে ছেলেদেরও সকালে অফিসে না গেলেও ল্যাপটপে বসেই কাজ করতে হয়। তাই ভার্চুয়াল মিটিং কিংবা ক্লায়েন্টের সঙ্গে কথা বলতেও পরিপাটি থাকা চাই। পলো টি-শার্ট পরতে পারেন।

 

বাসার কাজে ঢিলেঢালা পোশাক

অফিস না থাকলেও কিন্তু বাসায় অনেক ধরনের কাজ থাকে। করোনায় বাইরে কম বের হওয়া হলেও কিন্তু বাসায় স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য হলেও ঘর পরিষ্কার রাখতে হয়। এ ছাড়া প্রতিদিন রান্নাও করতে হয়। আবার ভাপসা গরমও পড়ছে। তাই একটু ঢিলেঢালা পোশাক পরা ভালো। নিজেকে নতুন লুক দিতে বাসার কাজ করার সময় শাড়িও পরতে পারেন। আবার পাতলা সুতির কাপড়ের সালোয়ার-কামিজেও পরতে পারেন। আয়েশ করে হাত-পা ছড়িয়ে বসে কাজ করতে চাইলে পাতলা কাপড়ের লিনেনের প্রিন্ট হারেম প্যান্ট পরতে পারেন।

ছেলেরা এখন বাড়ির কাজে মেয়েদের সাহায্য করে থাকে। কাজের সময় বরং ঢিলেঢালা লোয়ার পরুন। সঙ্গে পাতলা সুতির গেঞ্জি। মাঝেমধ্যে ফতুয়াও পরতে পারেন। এই গরমে এক রঙের সুতির ফতুয়ার মতো আরাম হয়তো অন্য কোনো  পোশাকে পাবেনও না। 

মডেল : শামীম

স্নিগ্ধ বিকেলের পোশাক

সারা দিন বাসা কিংবা অফিসের কাজ করেও এখন সূর্যাস্ত দেখার সময় পাওয়া যায়। কারণ এখন দিন বড়, তাই অফিস কিংবা বাসার অন্যান্য কাজ শেষ করে নিজের মনের প্রশান্তির জন্য হলেও ছাদে যেতে পারেন। ইচ্ছে হলে সঙ্গীর পছন্দের রঙের পোশাকও পরতে পারেন। বিকেলের দিকে পালাজো পরাটা আরামদায়ক। কিংবা আপনার কালেকশনে হয়তো স্কার্ট আছে। বিকেলে পরতে পারেন সেগুলোও। ছেলেরাও ট্রাউজার, টি-শার্ট পরে ছাদে উঠতে পারেন। আর সাদা রঙের পোশাক গরমে শরীরের পাশাপাশি চোখে প্রশান্তি দেয়। নীল জিনসের সঙ্গে গোল গলার সাদা টি-শার্ট। ছেলেদের ক্যাজুয়াল স্টাইলে আরাম এনে দেবে এমন পোশাক।

নিয়মিত কাপড় পরিষ্কার

করোনায় ভালো থাকাই সব থেকে বড় কথা। যা-ই পরুন, প্রতিদিন ধুয়ে দিন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা