kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

রূপচর্চা

শীতের ত্বকে মধু

শুষ্ক ত্বকে ময়েশ্চারাইজার জোগাতে মধু কার্যকর এক উপাদান। শীতে ত্বকের যত্নে মধু ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন রেড বিউটি স্যালনের রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন। লিখেছেন আতিফ আতাউর

৯ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শীতের ত্বকে মধু

শীতে ত্বক শুষ্ক হয়ে পড়ে খুব সহজেই। শুষ্কতা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। এ জন্য ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখার চেষ্টা করতে হবে। প্রাকৃতিক উপাদান মধু ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। ত্বকে ময়েশ্চারাইজার জোগাতে মধু এতটাই উপকারী যে তৈলাক্ত ত্বকে মধু ব্যবহার করতে নিষেধ করে থাকেন রূপবিশেষজ্ঞরা। কেননা তাতে ত্বকের তৈলাক্ততা আরো বাড়ে। এতে ত্বকে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। মধু শুধু ত্বকের শুষ্কতাই দূর করে না, ডার্ক ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে। নিয়মিত মধু ব্যবহারে ত্বক হয়ে ওঠে নরম ও কোমল। ত্বকে মধু ব্যবহারের আরেকটি সুবিধা হচ্ছে এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। খাঁটি মধুর পুরোটাই প্রাকৃতিক। যাঁরা ত্বকে টান টান ভাব আনতে চান তাঁরাও নিয়মিত মধু ব্যবহার করতে পারেন। তাই বলে প্রতিদিন কিন্তু ত্বকে মধু ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন ব্যবহারে বরং উল্টো ফল হতে পারে।

সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন ত্বকে মধু ব্যবহার করতে পারেন। বিভিন্ন প্যাকের মধ্যে যেমন মধু মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন তেমনি সরাসরিও ব্যবহার করা যায়। সকালে ত্বকে খাঁটি মধু মেখে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর কুসুম গরম পানিতে মুখ ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক পরিষ্কারের পাশাপাশি কোমল হবে। ত্বকে টান টান ভাব চলে আসবে।

ত্বকের ওপর মধু ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত মধু পান করতে পারেন। এটা বরং আরো ভালো ফল এনে দেবে। সকালে ঘুম থেকে উঠে এক চামচ মধু হাতের তালুতে নিয়ে চেটে খেতে পারেন। সবচেয়ে ভালো হয় কুসুম গরম পানিতে এক চামচ মধু এবং একটি লেবুর রস মিশিয়ে পান করা। এতে কণ্ঠ পরিষ্কার থাকে। শরীরের জন্যও উপকার দেয়। লেবু-মধু পানি শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কাটতে সহায়তা করে। এটাও কিন্তু একদিক দিয়ে আমাদের ত্বকের জন্যই উপকার বয়ে আনে। তবে যাঁরা ডায়াবেটিস রোগে ভুগছেন তাঁদের মধু পান করার প্রয়োজন নেই। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা