kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ► ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র আধুনিক বিশ্বের ইতিহাস

মো. আবু সাঈদ, সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ,মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজ, ঢাকা।

১৪ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ► ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র আধুনিক বিশ্বের ইতিহাস

হিটলারের পাশে মুসোলিনি

আজ এ বিষয়ের তৃতীয় অধ্যায় : প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং ভার্সাই সন্ধি ও লিগ অব নেশনস

পঞ্চম অধ্যায় : হিটলার ও মুসোলিনির উত্থান এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ

ষষ্ঠ অধ্যায় : জাতিসংঘ এবং বিশ্বশান্তি থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য, প্রধান শব্দের ব্যাখ্যা, টীকাসমূহ ও জ্ঞানমূলক প্রশ্ন-উত্তর, গুরুত্বপূর্ণ অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও নমুনা উত্তর তুলে ধরছি।

 

এসো জেনে নিই গুরুত্বপূর্ণ সালগুলো :

১৯১৪-১৯১৮ খ্রি.—প্রথম বিশ্বযুদ্ধ

১৯২০ খ্রি.—লিগ অব নেশনস বা জাতিপুঞ্জ গঠন

১৯১৯ খ্রি.—প্যারিসের ভার্সাই সম্মেলন

১৮৮৯-১৯৪৫ খ্রি.—হিটলারের জন্ম ও মৃত্যু

১৯২৪ খ্রি.—হিটলার রচিত মেইন ক্যাম্ফ

১৯১৯ খ্রি.—নাজি দলের প্রতিষ্ঠা

১৯৩৩ খ্রি.—নাৎসি পার্টির ক্ষমতা লাভ

১৮৩৩—১৯৪৫ খ্রি.—মুসোলিনির জন্ম-মৃত্যু

১৯২১ খ্রি.—ফ্যাসিস্ট পার্টি গঠন

১৯২২ খ্রি.—মুসোলিনির ক্ষমতা লাভ

১৯৩৯ খ্রি.—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু

১৯২৮ খ্রি.—মিউনিখ চুক্তি

১৯৩৬ খ্রি.—কমিন্টার্নবিরোধী চুক্তি

১৯৪৫ খ্রি. ৬ আগস্ট—হিরোশিমায় অ্যাটম বোমা

১৯৪৫ খ্রি. ৯ আগস্ট—নাগাসাকিতে অ্যাটম বোমা

১৯৪৫ সালের ২ সেপ্টে.—দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরিসমাপ্তি

১৯৪৫ খ্রি. ২৪ অক্টো.—জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত

১৯৫০ খ্রি.—কোরিয়া যুদ্ধ সংঘটিত

১৯৫৬ খ্রি.—সুয়েজ খাল জাতীয়করণ।

১৯৮২ খ্রি.—ফকল্যান্ড যুদ্ধ।

১৯৯০ খ্রি.—ইরাক কুয়েত দখল করে।

 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞানমূলক প্রশ্ন :

ফ্রান্সিস ফার্দিনান্দ কে ছিলেন?

উত্তর : অস্ট্রিয়ার যুবরাজ।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ত্রিশক্তি চুক্তি বা মৈত্রী (Triple Alliance) কারা?

উত্তর : জার্মানি, ইতালি, অস্ট্র-হাঙ্গেরি

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ত্রিশক্তি আঁতাত (Triple Entente) কারা?

উত্তর : রাশিয়া, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে কতটি দেশ অংশ নেয়?

উত্তর : ৩৪টি দেশ।

কোন চুক্তির মাধ্যমে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসান ঘটে?

উত্তর : ভার্সাই সন্ধি।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে পরাজিত শক্তি ছিল?

উত্তর : জার্মানি।

অটো ভন বিসমার্ক কে ছিলেন?

উত্তর : জার্মানির রাষ্ট্রনায়ক।

উড্রো উইলসন কে ছিলেন?

উত্তর : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

ভার্সাই সন্ধি স্বাক্ষরিত হয় কাদের মধ্যে?

উত্তর : জার্মানির সঙ্গে মিত্রপক্ষের

লিগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্যোক্তা কে ছিলেন?

উত্তর : উড্রো উইলসন।

জাতিপুঞ্জের স্থায়ী কার্যালয় স্থাপিত হয় কোথায়?          

উত্তর : জেনেভায়।

লিগ অব নেশসনসের কয়টি অঙ্গসংগঠন ছিল?

উত্তর : পাঁচটি।

লিগ অব নেশসনস গঠনে কত দফা ঘোষণা ছিল?

উত্তর : ১৪ দফা।

১৯১৯ সালে প্যারিসের ভার্সাই সম্মেলনে কতটি দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করে?

উত্তর : ৩২টি

জার্মান নাৎসিবাদের জনক কে?

উত্তর : অ্যাডলফ হিটলার।

হিটলারের আত্মজীবনীর নাম কী?

উত্তর : মেইন ক্যাম্ফ।

রাইখস্টাগ কী?

উত্তর : জার্মান সংসদ।

হিটলারের গোপন পুলিশ বাহিনীর নাম কী?

উত্তর : গেস্টাপো।

নাৎসিদের পোশাকের রং কী ছিল?

উত্তর : কালো।

চ্যান্সেলর কী?

উত্তর : জার্মান রাষ্ট্রপ্রধানের পদবি।

ফ্যাসিও কথাটির অর্থ কী?

উত্তর : বল বা শক্তি।

ফ্যাসিবাদের প্রবর্তক কে?

উত্তর : ইতালির বেনিতো মুসোলিনি।

মুসোলিনি কোন দুটি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?

উত্তর : La Lotta di Classi (শ্রেণিসংগ্রাম), Avanti (সম্মুখে)।

মুসোলিনি কোন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন?

উত্তর : I Popolo d Italia.দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অক্ষশক্তি কারা?

উত্তর : জাপান, জার্মানি, ইতালি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মিত্রশক্তি কারা?

উত্তর : যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও রাশিয়া।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কতটি রাষ্ট্র অংশগ্রহণ করে?

উত্তর : ৬১টি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কত কোটি মানুষ নিহত হয়েছিল? উত্তর : প্রায় পাঁচ কোটি মানুষ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার জন্য কোন সংগঠনটি গঠিত হয়?

উত্তর : জাতিসংঘ।

রুজভেল্ট কে ছিলেন?

উত্তর : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট।

উইনস্টন চার্চিল কে ছিলেন?

উত্তর : যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী।

জাতিসংঘ দিবস কোনটি?

উত্তর : ২৪ অক্টোবর।

কোন সম্মেলনে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়?

উত্তর : সানফ্রান্সিসকো সম্মেলন।

জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য কী?

উত্তর : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।

জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্যসংখ্যা কত?

উত্তর : ৫১টি।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশ কতটি? উত্তর : ১৫টি।

নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচটি সদস্য রাষ্ট্র কারা? উত্তর : যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া।

জাতিসংঘের বর্তমান সদস্যসংখ্যা কত?

উত্তর : ১৯৩টি।

ভেটো শব্দের অর্থ কী?

উত্তর : আমি এটা মানি না।

আন্তর্জাতিক আদালত কোথায় অবস্থিত?

উত্তর : হেগ, নেদারল্যান্ডস।

 

গুরুত্বপূর্ণ অনুধাবনমূলক প্রশ্ন :

ভার্সাই চুক্তি সম্পর্কে কী জানো?          

লিগ অব নেশনস সম্পর্কে ধারণা দাও?

ত্রিশক্তি আঁতাত বলতে কী বোঝায়?

উড্রো উইলসনের ১৪ দফা ব্যাখ্যা করো।

নাৎসিবাদ কী? ব্যাখ্যা করো।

অক্ষশক্তি চুক্তি কী? ব্যাখ্যা করো।

ফ্যাসিবাদ কী? এর মূলনীতি কয়টি ও কী কী?

হিটলার ও মুসোলিনির পরিচয় দাও।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভয়াবহতা ব্যাখ্যা করো।

জাতিসংঘের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কী?

জাতিসংঘের শাখাগুলোর কাজ কী?

ভেটো ক্ষমতা কী?

নিরাপত্তা পরিষদের কাজ লেখো

ভিয়েতনাম ট্র্যাজেডি বলতে কী বোঝো?

আটলান্টিক চার্টার বলতে কী বোঝায়?

[email protected] Nations Organization.

[email protected] And Agricultural Organization-খাদ্য ও কৃষি

[email protected] Monetary Fund-অর্থ তহবিল

[email protected] Labour Organisation-শ্রম

[email protected] Health Organisation-বিশ্ব স্বাস্থ্য

[email protected] Nation Educational Scientific and Cultural Organisation-শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি

[email protected] Nation’s International Children’s Emergency Fund-শিশু স্বাস্থ্য

[email protected] Nation High Commission for Refugee—বিশ্ব শরণার্থী

 

নাৎসিবাদ কী?

উত্তর : নাৎসিবাদ ফ্যাসিবাদেরই জার্মান সংস্করণ। বিদেশি লগ্নি পুঁজি ও সহিংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দ্বারা জার্মান উগ্র জাতীয়তাবাদীগোষ্ঠী দেশে গণতান্ত্রিক শক্তিকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করতে বদ্ধপরিকর ছিল। এর জন্য এরা যে ভাবাদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল, তাকেই আমরা নাৎসিবাদ বলি। তাদের স্লোগান ছিল, ‘এক জাতি, এক রাষ্ট্র এবং একজন ফুয়েরার। উক্ত ভাবাদর্শের প্রধান ব্যক্তি তিনিই, সে রাষ্ট্রের তিনিই ফুয়েরার। মূলত নাৎসি পার্টি ফ্যাসিবাদের আদর্শ, কর্মপদ্ধতি, উদ্দেশ্য ও স্বরূপকে আরো হিংস্রভাবে ধারণ করার মাধ্যমে গোটা জার্মান সমাজ, রাষ্ট্র ও জনগোষ্ঠীকে ব্যবহার করেছিল।

 

মেইন ক্যাম্ফ (Mein Kampf)-এর মূল বক্তব্য কী?

উত্তর : Mein Kampf-‘আমার সংগ্রাম’-১৯২৪ সালে কারাগারে বসে এটি রচনা করেন অ্যাডলফ হিটলার। এটি মূলত আত্মকথামূলক বই হলেও এতেই তিনি জার্মান জাতিকে উত্তেজিত করার মাধ্যমে তাদের হারানো গৌরব এবং পৃথিবীর অপরাপর জাতিগুলোর ওপর প্রতিশোধ গ্রহণের পথ উল্লেখ করেন। এতে তিনি জার্মান বিশুদ্ধ রক্তের তত্ত্ব হাজির করেন। হিটলার তাঁর গ্রন্থে ফরাসিদের নিন্দা করেছেন, জার্মানদের আপসহীন শত্রু বলে অভিহিত করেছেন।

 

ফুয়েরার কী?

উত্তর : নাৎসি পার্টির প্রধানকে ফুয়েরার বলে।

 

নাৎসিবাদ কী?

উত্তর : বিদেশি লগ্নি পুঁজি এবং সহিংস সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দ্বারা জার্মান উগ্র জাতীয়তাবাদীগোষ্ঠী দেশে গণতান্ত্রিক শক্তিকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করতে বদ্ধপরিকর ছিল। এর জন্য এরা যে ভাবাদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করেছিল, তাকেই আমরা নাৎসিবাদ বলি। তাদের স্লোগান ছিল—এক জাতি, এক রাষ্ট্র এবং একজন ফুয়েরার।

 

হিটলারের ক্ষমতা দখলে কী পরিবর্তন আসে?

উত্তর : হিটলারের নেতৃত্বে জার্মানিতে সর্বময় একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়। হিটলারের বাহিনী জার্মানির সর্বত্র একচ্ছত্র কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। এরা দেশের সংবাদপত্র, বেতার, শিক্ষাসহ সব প্রতিষ্ঠানের অধিকার কেড়ে নেয়। যেকোনো সময় যেকোনো নাগরিককে হত্যা করা ও বিনা বিচারে আটক রাখা সাধারণ ব্যাপারে পরিণত হয়। রাইখস্টাগে একমাত্র নাৎসি দলের সদস্যদেরই প্রার্থী থাকার অধিকার ছিল। দেশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য বন্দিশিবির খোলা হয়। সর্বত্র ‘হাইল হিটলার’, ‘হাইল হিটলার’ ধ্বনি শোনা যেত।

 

Bloody Saturday বা ‘লম্বা ছুরির রজনী’ কী?

উত্তর : ১৯৩৪ সালের ৩০ জুন রাতে কয়েকটি শহরে গোরিংয়ের নেতৃত্বে হাজারেরও বেশি মানুষকে হিটলারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান ঘটানোর অভিযোগ এনে হত্যা করা হয়। এটিকে লম্বা ছুরির রজনী বলে স্মরণ করা হয়।

 

ফ্যাসিবাদের অর্থ কী?

উত্তর : ইতালীয় শব্দ Fascio থেকে ফ্যাসিবাদ (Fascism) শব্দটির উৎপত্তি। ফ্যাসিও কথার অর্থ হচ্ছে গুচ্ছ, ঐক্য বা একতা।

 

মুসোলিনির ক্ষমতা দখলের ফলে কী পরিবর্তন আসে?

উত্তর : মুসোলিনি ক্ষমতা দখলের পরপরই সব জায়গা থেকে বিরোধী দল ও বিরোধী মতের মানুষদের বিতাড়িত করেন, প্রশাসনকে ফ্যাসিকরণ করেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বিলুপ্ত করেন, তিনি হয়ে ওঠেন সব ক্ষমতার আধার এবং প্রতিষ্ঠা করেন ফ্যাসিবাদী একনায়কতন্ত্র।

                       

Unite for Peace বা শান্তির জন্য ঐক্য কী?

উত্তর : ১৯৫০ সালে জাতিসংঘ এই সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করার পর থেকে সাধারণ পরিষদ নিরাপত্তা পরিষদ ব্যতিরেকে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

 

জাতিসংঘের কয়টি দপ্তর রয়েছে?

দপ্তর আছে ৬টি

১.         সাধারণ পরিষদ (General Assembly) : প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসে সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে একবার সভা ও দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য রাষ্ট্রের ভোটে সিদ্ধান্ত কার্যকর করার বিধান প্রণীত হয়।

২.         নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council) : বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার প্রধান দায়িত্ব ও সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু; ১৯৬৫ সাল থেকে অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র ১০টিতে উন্নীত করা হয়। আগে ছিল ৬টি।

৩. অর্থনৈতিক-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দপ্তর (Economic, Social and Cultural Council)

৪. অছি পরিষদ (Trusteeship Council) : জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে বিশেষ বিবদমান অঞ্চলের সমস্যার নিরসন করাই অছি পরিষদের মুখ্য উদ্দেশ্য।

৫. আন্তর্জাতিক আদালত (International Court of Justice) : একাধিক রাষ্ট্রের মধ্যে কোন বিষয় নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে এ আদালতে মীমাংসা করা যায়। এর সদর দপ্তর হলো নেদারল্যান্ডসের হেগ শহর।

৬. কার্যনির্বাহী দপ্তর (The Secretariat) : জাতিসংঘের যাবতীয় রিপোর্ট তৈরি এবং সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের সব সভার আয়োজন করা। এর প্রধান হচ্ছেন মহাসচিব। সদর দপ্তর হচ্ছে নিউ ইয়র্ক। এটি জাতিসংঘের সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা