kalerkantho

শাহজাদপুর
ডেঙ্গু মোকাবেলায় ছুটি বাতিল

এর পরও ডাক্তারের অফিস ফাঁকি!

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ ) প্রতিনিধি   

৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এর পরও ডাক্তারের অফিস ফাঁকি!

সারা দেশে যখন ডেঙ্গু মোকাবেলায় দেশের ৩২৮ পৌরসভার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। তখন সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর পৌরসভার বেতনভুক্ত একমাত্র চিকিৎসক পৌরসভায় অনুপস্থিত থাকার রেকর্ড গড়লেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাহজাদপুর পৌরসভার একমাত্র চিকিৎসক লিয়াকত হোসেন দিনের পর দিন কর্মস্থলে না এসে শাহজাদপুর উপজেলা সদরে ক্লিনিকে রোগী দেখেন। অভিযোগ রয়েছে, লিয়াকত হোসেন বেসরকারি একটি মেডিক্যাল কলেজের চাকরি করছেন। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় শাহজাদপুর পৌরসভায় গিয়ে দেখা যায় ডা. লিয়াকত হোসেনের বসার চেম্বারে টেবিলের ওপর ফ্যান ঘুরলেও তিনি অনুপস্থিত। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি। আনুমানিক ১১.৫৪ বর্গ কিলোমিটার এই পৌরসভায় প্রায় ৯৬ হাজার লোকের বাস। এত মানুষের ‘একমাত্র’ চিকিৎসকের দায়িত্ব পালনে অবহেলায় চিকিৎসাসেবার ব্যাঘাত হচ্ছে এমনটাই বলছে পৌরসভার অনেকেই।

এ ব্যাপারে শাহজাদপুর পৌরসভার পরিচ্ছন্ন পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বেশির ভাগ কর্মদিবসেই পৌরসভার ডাক্তার অফিস করেন না। সপ্তাহে দু-এক দিন অফিসে এলেও কিছুক্ষণ অফিসে বসে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয়ে যান। এ কারণে অনেক রোগীকেই ফেরত যেতে হয়।’

এদিকে শাহজাদপুর পৌরসভার সচিব মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সারা দেশে ডেঙ্গু মোকাবেলায় পৌরসভার সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে জেনেও শাহজাদপুর পৌরসভার একমাত্র চিকিৎসক লিয়াকত হোসেন বিনা নোটিশে প্রায়ই অফিসে না আসায় চিকিৎসাসেবা বিঘ্নিত হচ্ছে।’

এ বিষয়ে শাহজাদপুর পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি লেখার পরও ডা. লিয়াকত হোসেন এখন মাঝেমধ্যে অফিস করলেও নিয়মিত তাঁকে অফিসে পাওয়া যায় না।’

মন্তব্য