kalerkantho

মঙ্গলবার। ৫ মাঘ ১৪২৭। ১৯ জানুয়ারি ২০২১। ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

মানবতার কল্যাণে অনন্য বসুন্ধরা গ্রুপ

শরীফুল আলম সুমন   

৬ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



মানবতার কল্যাণে অনন্য বসুন্ধরা গ্রুপ

মানবহিতৈষী কাজে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপ। মানবসেবার এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে সহায়তার হাত বাড়ায়নি বসুন্ধরা। তাদের স্লোগান—‘দেশ ও মানুষের কল্যাণে’। সেই স্লোগানের সার্থকতা তারা বারবার প্রমাণ করেছে। বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব আহমেদ আকবর সোবহান দেশ ও মানুষের কল্যাণে প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছেন। বহু দাতব্য প্রতিষ্ঠান করেছেন তিনি। যেমন—বসুন্ধরা আই হসপিটাল, বসুন্ধরা আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, আরো তিনটি হাসপাতাল নির্মাণাধীন, বিশাল মসজিদ করেছেন বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায়, বিনা সুদে ঋণ, অসহায় দরিদ্র মানুষের চিকিৎসায় নগদ অর্থ সহায়তা, শিশুদের চিকিৎসায় বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা, অসহায় ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়ার খরচ ইত্যাদির পাশাপাশি কালের কণ্ঠ শুভসংঘের মাধ্যমে প্রতি মাসে বহু ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। আহমেদ আকবর সোবহানের কল্যাণে অসহায় নারী পাচ্ছে ঘর, দোকান ও গবাদি পশু। এসব পেয়ে তারা স্বাবলম্বী হচ্ছে। মানবতার কল্যাণে বসুন্ধরার আরেক উদাহরণ ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদে বসুন্ধরা রিভারভিউ প্রজেক্টে অবস্থিত ‘বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন’। বসুন্ধরার সেবা থেকে যে প্রতিবন্ধী শিশুরাও বাদ পড়েনি, তার প্রমাণ এই বিশেষ স্কুল। দরিদ্র পরিবারের প্রতিবন্ধী শিশুরা এখানে এসে যেন প্রাণ ফিরে পাচ্ছে। শারীরিক সুস্থতা, পড়ালেখার পাশাপাশি পাচ্ছে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ। মা-বাবার দীর্ঘশ্বাস পরিণত হয়েছে এক টুকরো হাসি আর আনন্দে।

বসুন্ধরা গ্রুপের মাননীয় চেয়ারম্যান জনাব আহমেদ আকবর সোবহানের পৃষ্ঠপোষকতায় বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক ইয়াশা সোবহান অত্যন্ত কর্মনিষ্ঠা ও যত্নের সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাঁর প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনায় চলছে এই বিশেষ স্কুল। শিশুদের সঙ্গে যেন তাঁর আত্মার সম্পর্ক। প্রতিবন্ধী শিশুরা যে সমাজের বোঝা নয়, একটু বিশেষ যত্ন ও ভালোবাসাই যে পারে তাদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবন দান করতে তা প্রমাণ করতে চান ইয়াশা সোবহান। আর সে কাজে এরই মধ্যে তিনি পেয়েছেন বড় সফলতা। এমনকি প্রতিবন্ধী শিশুদের নিজ বাড়িতে এনে শীতকালীন ক্যাম্পের আয়োজনও করেছেন তিনি, যা প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতি মমত্ববোধের প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

অটিস্টিক ও অন্য প্রায় সব ধরনের প্রতিবন্ধী শিশুর দাতব্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকার কেরানীগঞ্জে বসুন্ধরা রিভারভিউ প্রজেক্টে ২০১৭ সালের ১ মার্চ থেকে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন যাত্রা শুরু করে। বসুন্ধরা গ্রুপের পৃষ্ঠপোষকতায় এটি একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে সিনিয়র ও জুনিয়র সেকশনের জন্য সাততলা বিশিষ্ট দুটি আলাদা ভবনে প্রতিবন্ধী স্কুলের কার্যক্রম চলমান। এখানে শিশুদের মানসিক বিকাশ লাভের জন্য রয়েছে সুসজ্জিত শ্রেণিকক্ষ, সেঞ্চুরি ইন্টিগ্রেশন পার্ক ও বড় খেলার মাঠ।

এই স্কুলে বর্তমানে ১২৩ জন প্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে। তাদের জন্য রয়েছে ৩২ জন শিক্ষক-শিক্ষকা ও কর্মচারী। শুধু আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের সন্তানদেরই এই স্কুলে বিনা মূল্যে ভর্তি করা হয়। এখানে আটটি ক্লাসের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সেগুলো হচ্ছে—আর্লি চাইল্ডহুড স্পেশাল এডুকেশন প্রগ্রাম, সেরেব্রাল পালসি, অটিজম স্পেকট্রাম ডিস-অর্ডার, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী-১, বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী-২, ভোকেশনাল ট্রেনিং ছেলে, ভোকেশনাল ট্রেনিং মেয়ে ও প্রাইমারি। আমাদের দেশে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের রাস্তাঘাটে চলাচল করাটা অত্যন্ত দুরূহ। তাই সেই যাতায়াতের দায়িত্বও কাঁধে নিয়েছেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়াশা সোবহান। স্কুলকে দিয়েছেন ৩৬ আসনের একটি অত্যাধুনিক এসি বাস। বাসে করেই শিক্ষার্থীরা এখন নির্বিঘ্নে স্কুলে আসা-যাওয়া করে।    

শিক্ষার্থীদের বসুন্ধরা আদ-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে সব ধরনের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়। শিক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় জিনিসপত্র, যেমন—বই, খাতা, কলম, পেনসিল, স্কুলব্যাগ, স্কুল ড্রেস, জুতা, পানির পট, টিফিন বক্স ইত্যাদিও বিনা মূল্যে দেওয়া হয়। 

বসুন্ধরা গ্রুপের মাননীয় চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শায়লা শারমিন বলেন, ‘ফাউন্ডেশনের শ্রদ্ধেয় চেয়ারম্যান ম্যাডাম ইয়াশা সোবহানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। প্রতিবন্ধী শিশুরা ছিল সমাজে অবহেলার পাত্র, তাদের যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতি তাঁর অপরিসীম ভালোবাসা দেখে আমরাই অবাক হয়ে যাই। দেশে ও আন্তর্জাতিকভাবে তাঁর মহানুভবতা ও কাজের যথাযথ মূল্যায়ন হোক—এটাই আমাদের একমাত্র প্রত্যাশা।’

অল্প দিনেই বড় সফলতা

সেরেব্রাল পালসিতে আক্রান্ত আসাদুল্লাহ আল গালিব। সে দাঁড়াতে পারত না, কথা বলতে পারত না এবং হাত-পা বাঁকা ছিল। দরিদ্র মা-বাবা তাকে নিয়ে চিন্তায় অস্থির ছিল। কিন্তু তিন বছর আগে এই অবস্থা থাকলেও এখন তাকে আর চেনা যাবে না। এখন সে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। মা-বাবার মুখেও হাসি ফুটেছে। গত বুধবার আসাদুল্লাহর সঙ্গে কথা হলে সে নিজ থেকেই একটি কবিতা আবৃত্তি করে শোনাল।

আসাদুল্লাহর মা পারভীন আক্তার বলেন, ‘আমার ছেলেটাকে নিয়ে কী করব, সে চিন্তা সব সময় মাথায় ঘুরপাক খেত। কিন্তু এখন তা দূর করেছে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন। এখন সে কথা বলতে পারে, হাঁটতে পারে, লিখতে পারে। বসুন্ধরার এই স্কুলকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা আমাদের নেই। যত দিন বাঁচব, তাদের জন্য দোয়া করব।’

মাত্র চার বছরে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন স্কুলের এই সফলতা চোখে পড়ার মতো। যেসব শিশুকে নিয়ে চিন্তার অন্ত ছিল না মা-বাবার, তাঁরাই আজ বসুন্ধরা গ্রুপের কল্যাণে দেখছেন আশার আলো। এই স্কুলের ৩৫ জন শিক্ষার্থী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে। অটিজমে আক্রান্ত ১২ বছরের কদর। সে কাউকে চিনত না, কথা বলতে পারত না, সব সময় অস্থির থাকত, চিৎকার করত। তাকে ঘরে রাখাই দায় হয়ে পড়েছিল। সাড়ে তিন বছর ধরে সে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের স্কুলে আসছে। এরই মধ্যে বদলে গেছে কদরের জীবনযাত্রা। কদরের মা কামরুন্নেসা বলেন, ‘এত অল্প দিনেই যে আমার ছেলের এত পরিবর্তন হবে তা ভাবতেই পারিনি। এখন ওর মধ্যে স্থিরতা এসেছে। প্রয়োজনীয় কাজ সারতে পারছে। টয়লেটে যেতে পারে। বল ছুড়ে মারতে পারছে।’

বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী আমিরুল ইসলাম ফাহিম আগে কিছুই বুঝত না, মাথা বাড়ি দিত দেয়াল, চেয়ার-টেবিলের সঙ্গে। কিন্তু সে তিন বছর ধরে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের স্কুলে আসায় বড় পরিবর্তন হয়েছে। ওর মা ফেরদৌসি ইসলাম বলেন, ‘আমার ছেলে এখন বুঝতে পারে, নিজে পরিচ্ছন্ন থাকতে পারে, সবাইকে চিনতে পারে। এখন মরে গিয়েও শান্তি পাব।’ ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত মাহিম দেড় বছর ধরে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের স্কুলে আসছে। ওর মা শাহানাজ সুলতানা বলেন, ‘আগে কানে শুনত না, মুখ দিয়ে লালা পড়ত, ঘাড় সোজা করতে পারত না। ওকে নিয়ে সারাক্ষণ চিন্তা করতাম। এখন আল্লাহর রহমতে আর বসুন্ধরা গ্রুপের সাহায্যে আমার ছেলে নিজের কাজ নিজেই করছে।’

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হচ্ছে প্রতিবন্ধী শিশুরা

বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন স্কুলের ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ের ক্লাসে ঢুকতেই অবাক হতে হলো। এই ক্লাসে গিয়ে দেখা যায়, থরে থরে সাজানো নানা জিনিস, যা বানিয়েছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা। বিভিন্ন ধরনের ছোট-বড় নকশিকাঁথা, যা দেখে কেউ চিন্তাই করতে পারবে না, এগুলো প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হাতে তৈরি।

জানা যায়, ভোকেশনাল ট্রেনিংয়ে মেয়েদের দেওয়া হয় সেলাই প্রশিক্ষণ। এমনকি কয়েকজন শিক্ষার্থী এখন নিজেদের জামা নিজেরাই তৈরি করতে পারে। স্কুলের বোর্ডে স্যাম্পল হিসেবে ছোট ছোট জামা বানিয়ে রাখে শিক্ষার্থীরা। শ্রবণ ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী জিন্নাতুন নাহার সুমাইয়া সেলাইকাজে অনেকটাই দক্ষ হয়ে উঠেছে। সুনিপুণ হাতে পুঁতির কাজ করে প্রতিবন্ধী মেয়েরা। একটি শোকেসে নানা ধরনের পুঁতির ছোট-বড় ব্যাগ, শোপিসসহ নানা জিনিস বানানো রয়েছে। এগুলো বানিয়েছে প্রতিবন্ধী মেয়েরা। কাপড় দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ফল তৈরি করে রাখা হয়েছে। বড় একটি ঝাড়বাতি বানিয়েছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা। বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী সিয়াম বানাতে পারে নানা ধরনের খাম। রান্নার বিভিন্ন ধরনের উপকরণ রয়েছে এই স্কুলে। নিয়মিত রান্নার প্রশিক্ষণ পায় শিক্ষার্থীরা। এতে তারা রান্নার নানা উপকরণ চেনার পাশাপাশি নিজেদের খাবার নিজেরাই তৈরি করা শিখতে পারছে। আবার অনেকে খেতে চাইত না, তারা সবার সঙ্গে আনন্দ করে খাচ্ছে। সব শিক্ষার্থীকেই রান্নার প্রশিক্ষণে অংশ নিতে হয় বলে জানা যায়।

প্রতিবন্ধীদের অনলাইন ক্লাস

এশিয়ার মধ্যে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের প্রতিবন্ধী সন্তানদের পড়ালেখার দায়িত্ব নিয়েছে বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন। যাদের মা-বাবা কেউ অল্প বেতনে চাকরি করেন, কেউ দোকানদার, কেউ আবার রিকশা-ভ্যান চালান। এমন পরিবারের সন্তানরা অনলাইন ক্লাস করবে, সে চিন্তাও কেউ করতে পারেনি। কিন্তু বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহানের পৃষ্ঠপোষকতায় বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক ও বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়াশা সোবহানের দিকনির্দেশনায় সেই অসম্ভবই এখন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। করোনার মধ্যে আট মাস ধরে নিয়মিত অনলাইন ক্লাস করছে এই বিশেষ স্কুলের শিক্ষার্থীরা। এটা শুধু বাংলাদেশেই নয়, এশিয়ার মধ্যেও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধের পর বড় অনেক স্কুল অনলাইন ক্লাস শুরু করতে পারেনি। নামিদামি স্কুলগুলো মে-জুন থেকে তাদের অনলাইন ক্লাস শুরু করে। কিন্তু বসুন্ধরা স্পেশাল চিলড্রেন ফাউন্ডেশন স্কুল অনলাইন ক্লাস শুরু করেছে এপ্রিল মাস থেকে। এই স্কুলের শিশুরা নিয়মিত অনলাইন ক্লাসে অংশগ্রহণ করছে, পরীক্ষা দিচ্ছে। অনলাইনেই হচ্ছে প্রাত্যহিক সমাবেশ, ক্লাস পার্টিসহ নানা অনুষ্ঠান। শিক্ষকরা নিজ নিজ গ্রুপে ভিডিও আপলোড করছেন। বিভিন্ন রকম থেরাপির ভিডিও করে শিক্ষার্থীদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা তাদের হোমওয়ার্ক ভিডিও করে গ্রুপে আপলোড করছে। অভিভাবকদেরও এ ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। অভিভাবকরা স্কুলে এসে সিলগালা খামে ভরা প্রশ্ন নিয়ে যাচ্ছেন। সেই প্রশ্নে নিয়মিত পরীক্ষাও দিচ্ছে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা। শিক্ষকদের এই অনলাইন ক্লাস সার্বক্ষণিক মনিটর করছেন প্রধান শিক্ষিকা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা