• ই-পেপার

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহত তিনজন

চেতন নির্দোষ, সিয়া বাঁচার জন্য তাকে ফাঁসাচ্ছে—দাবি বাবার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
চেতন নির্দোষ, সিয়া বাঁচার জন্য তাকে ফাঁসাচ্ছে—দাবি বাবার
সংগৃহীত ছবি

ভারতের পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়াল হত্যার ঘটনায় নতুন দাবি নিয়ে সামনে এসেছেন অভিযুক্ত চেতন চৌধুরীর বাবা। প্রাথমিক তদন্ত শেষে পুলিশের ধারণা, কেতন আগরওয়ালের বাগদত্তা সিয়া গোয়েল এবং তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী পরিকল্পিতভাবে প্রথমে ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করেন ও পরে ৪০০ ফুট ওপর থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালকে হত্যা করেন। দুই অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। তারা এখন সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে আছে।

তবে চেমন চৌধুরীর বাবা বাবুলাল চৌধুরী দাবি করেছেন, এ ঘটনায় তার ছেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সিয়া গোয়েল নিজে বাঁচার জন্য চেতনকে ফাঁসাচ্ছে। বাবুলাল চৌধুরী দাবি করেন, সিয়ার সঙ্গে চেতনের প্রেমের সম্পর্কের যে কথা বলা হচ্ছে, তা তারা জানতেন না। বাবুলালের দাবি, থানায় যাওয়ার আগে তিনি কখনো সিয়ার নাম শোনেননি, দেখেনওনি। 

পুলিশ রিমান্ডে থাকা চেতন চৌধুরীর সঙ্গে থানায় দেখা করেন তার পরিবারের সদস্যরা। চেতনের বাবা দাবি করেন, চেতন তাদের বলেছে, ঘটনার সময় তিনি বেশ কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তবে চেতন কেন ওই সময় লোহাগড় দুর্গে গিয়েছিলেন, এ প্রশ্নের কোনো সদুত্তর ছিল না তার বাবার কাছে। চেতনও তাদের এ ব্যাপারে কিছু বলেনি। ব্যবসায়ী বাবুলাল চৌধুরী পুনেতে একটি দোকান চালান। 

তিনি দাবি করেন, ‘আমার ছেলে মোটেই এমন নয়। সে নিয়মিত দোকানের কাজে আসত।’

চেতনের চাচা উদয়রাম চৌধুরীও তার ভাতিজাকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘চেতন একজন খেলোয়াড় এবং সব সময় সরাসরি কথা বলা মানুষ। বাজারে বা এলাকায় কেউ কখনো তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিবারের কেউ চেতনের প্রেমের সম্পর্কের কথা জানত না।’ তিনি জানান, থানায় তারা এক মিনিটের জন্য চেতনের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছিলেন। কাঁদতে কাঁদতে চেতন তাদের বলেছেন, তিনি নির্দোষ, তাকে ফাঁসানো হচ্ছে।

চেতনের আইনজীবী রাম সাহানেরও দাবি তার মক্কেল নির্দোষ, ‘এফআইআরে কথিত অপরাধে তার (চেতন) ভূমিকার কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। প্রধান আসামির প্রেমিক, শুধু এ ভিত্তিতেই তাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে।’

তবে পরিবার ও আইনজীবীর দাবির সঙ্গে পুলিশের তদন্তের কোনো মিল নেই। গত ১৮ জুন কেতন আগরওয়াল পুনের লোহাগড় দুর্গ থেকে পড়ে মারা যান। সঙ্গে থাকা তার বাগদত্তা সিয়া গোয়েল পুলিশ ও পরিবারকে জানান, ছবি তোলার সময় কেতন পড়ে গেছেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা মনে হলেও পরে পরিবার ও পুলিশ নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বুঝতে পারে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। প্রাথমিক তদন্তে সম্পৃক্ততা নিশ্চিত হওয়ায় ঘটনার ৫ দিন পর গত ২৩ জুন সিয়া গোয়েল ও তার প্রেমিক চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন পুনের একটি আদালত নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।

গত বছরের নভেম্বর থেকে সিয়া ও চেতন প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে পারিবারিকভাবে ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বাগদান হয়। প্রস্তুতি চলছিল আগামী নভেম্বরে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠানের। এ জন্য জয়পুরে ১৭ কোটি টাকায় একটি প্রাসাদ ভাড়া করা হয়েছিল। অতিথিদের আনা-নেওয়ার জন্য দুটি বিমান প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। কিন্তু সিয়া ও তার প্রেমিক চেতন মিলে তাদের প্রেমের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ানো কেতনকে একেবারে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন এবং ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গে তা বাস্তবায়ন করেন।

মোবাইল কল রেকর্ড পর্যালোচনা করে পুলিশ দেখেছে, গত ৭ মাসে সিয়া ও চেতন ২ হাজার ৪ বার টেলিফোনে মোট ২৩৮ ঘণ্টা কথা বলেছেন। সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশ দেখেছে, ঘটনার দিন সিয়া ও কেতনকে ২০-৩০ ফুট পেছন থেকে হুডি পরা এক যুবক অনুসরণ করছিলেন। সে যুবকটিই চেতন। ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস তামপাত্রায় ট্র্যাকিং ট্রেইলে হুডি পরার সন্দেহ থেকেই পুলিশ চেতন পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছে।

পুনের (গ্রামীণ) পুলিশ সুপার সন্দ্বীপ সিং গিল জানান, ১৮ জুন সকালেও পুনের একটি ক্যাফেতে সিয়া ও চেতন বৈঠক করেছেন। পুলিশের ধারণা, সকালের  বৈঠকে সিয়া ও চেতন মিলে কেতনকে হত্যার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন এবং ঠিক কোন জায়গা থেকে তাকে ফেলে দেওয়া হবে, তা ঠিক করেন। বহুল আলোচিত এ মামলার তদন্ত সম্পর্কে সন্দ্বীপ গিল বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদে সব সূত্র এক সুতায় গাঁথার পর সিয়া ও চেতনের পূর্বপরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের বিষয়টি সামনে এসেছে।’

ভেনিজুয়েলায় বিনা মূল্যে ইন্টারনেট, টেলিফোন ও টিভি সেবা

অনলাইন ডেস্ক
ভেনিজুয়েলায় বিনা মূল্যে ইন্টারনেট, টেলিফোন ও টিভি সেবা
রয়টার্স ছবি

ভেনিজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিনা মূল্যে ইন্টারনেট, ল্যান্ডলাইন টেলিফোন ও টেলিভিশন সেবা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার জন্য এ সেবা চলবে বলে জানায় দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান সিএএনটিভি।

এক বিবৃতিতে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে যোগাযোগব্যবস্থা সচল রাখা এবং সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ভেনিজুয়েলায় স্থানীয় সময় বুধবার আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর দেশটির বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বড় ধরনের কম্পনের পর একাধিক আফটারশক অনুভূত হওয়ায় উদ্ধার তৎপরতা ও জরুরি যোগাযোগব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

৬ দেশকে সুখবর দিল আরব আমিরাত

অনলাইন ডেস্ক
৬ দেশকে সুখবর দিল আরব আমিরাত
সংগৃহীত ছবি

অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা সম্প্রসারণ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। এই তালিকায় আরো ছয়টি দেশের নাগরিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, কেনিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাধারণ পাসপোর্টধারী নাগরিকরা আমিরাতে পৌঁছেই ১৪ দিন বা ৬০ দিনের ভিসা নিতে পারবেন। 

তবে এ সুবিধা পেতে হলে তাদের যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সদস্য রাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড অথবা কানাডা কর্তৃক প্রদত্ত বৈধ আবাসিক অনুমতিপত্র থাকতে হবে। তাদের সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যরাও এ সুবিধার আওতায় থাকবেন।

এ প্রসঙ্গে আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভিসা-অন-অ্যারাইভাল কর্মসূচির আওতা সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত মূলত বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদারের বার্তা। 

পাশাপাশি এটি অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকরা আরব আমিরাতের বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক পরিবেশ, বিশ্বমানের পর্যটন সুবিধা, গতিশীল অর্থনীতি, আকর্ষণীয় ব্যাবসায়িক পরিবেশের সুবিধা লুফে নিতে পারবেন।

মন্ত্রণালয় আরো বলেছে, ভ্রমণকারীদের যাতায়াত সহজ করা, কনস্যুলার প্রক্রিয়া আরো সরলীকরণ এবং ব্যবসা, বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা কার্যক্রম ও মেধাবী জনশক্তির জন্য আরব আমিরাতকে শীর্ষ বৈশ্বিক গন্তব্যে পরিণত করতে চায় তারা।

এদিকে, আমিরাতের ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি, সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি (আইসিপি) জানিয়েছে, নতুন ভিসা-অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পেতে আবেদনকারী এবং তার সঙ্গে আগত পরিবারের সদস্যদের অবশ্যই উল্লিখিত ছয়টি দেশের কোনও একটির নাগরিক হতে হবে। 

পাশাপাশি তাদের যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোনো সদস্য রাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড অথবা কানাডা কর্তৃক প্রদত্ত বৈধ রেসিডেন্স পারমিট থাকতে হবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, প্রদত্ত ভিসার ধরন অনুযায়ী ১৪ থেকে ৬০ দিনের ভিসা ইস্যু করা হবে।

আইসিপি-এর তথ্যমতে, ১৪ দিনের ভিসা আরব আমিরাতে অবস্থানকালে একবার নবায়ন করা যাবে। তবে ৬০ দিনের ভিসা এককালীন অবস্থানের জন্য প্রদান করা হবে। এটি নবায়নযোগ্য নয়। উভয় ধরনের ভিসার মেয়াদ শেষ হলে ভিসাধারীদের দেশ ত্যাগ করতে হবে। নির্ধারিত সময়সীমার বেশি অবস্থান করলে প্রতিদিন ৫০ দিরহাম হারে জরিমানা আরোপ করা হবে।

ভিসা ফি প্রসঙ্গে সংস্থাটি জানায়, ১৪ দিনের ভিসা ইস্যুর মোট ফি ১০০ দিরহাম এবং ৬০ দিনের ভিসা ইস্যুর মোট ফি ২৫০ দিরহাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে

অনলাইন ডেস্ক
ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বাড়ছে
রয়টার্স ছবি

ভেনিজুয়েলায় শক্তিশালী দুটি ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৬৪ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত ৯৭১ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তবে ধসে পড়া ও ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সংখ্যা বিবেচনায় এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে কর্তৃপক্ষ এখনো উদ্ধার ও অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানান, প্রধান দুটি ভূমিকম্পের পর এখন পর্যন্ত অন্তত ৩০টি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।

ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রদ্রিগেজ বলেন, উদ্ধারকারী দল পাঠানোর বিষয়ে জাতিসংঘের সঙ্গে সমন্বয় করছেন তিনি।

পাশাপাশি দেশটির পুনর্গঠন কার্যক্রমের জন্য ২০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রাথমিক তহবিল গঠনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গেও কাজ করছেন।

উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তার জন্য ভারী যন্ত্রপাতি সরবরাহ করতে বেসরকারি খাতের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

দেশের জনগণকে শান্ত ও ‘ঐক্যবদ্ধ’ থাকার আহ্বান জানিয়ে রদ্রিগেজ বলেন, যেসব ভবন নিরাপদ রয়েছে, সেসব ভবনের বাসিন্দাদের নিজ নিজ বাড়িতেই অবস্থান করা উচিত।

এ ঘটনায় স্থানীয় সময় সন্ধ্যা বৃহস্পতিবার ৭টায় দেশের সব ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণে একটি জাতীয় প্রার্থনার আয়োজন করা হবে বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিটে কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর মাত্র ৪০ সেকেন্ড পর রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে আরো শক্তিশালী ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প হয়।

এই ভূমিকম্পকে দেশটির গত ১২৫ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী বলে আখ্যা দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। এর আগে ১৯০০ সালে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। যার মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৫।

ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহত তিনজন | কালের কণ্ঠ