• ই-পেপার

যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যত নিয়ে 'উদ্বিগ্ন' জর্জ ডব্লিউ বুশ

হরমুজে নির্ধারিত পথ ছাড়লেই ‘কঠোর জবাব’, সতর্ক করল ইরান

অনলাইন ডেস্ক
হরমুজে নির্ধারিত পথ ছাড়লেই ‘কঠোর জবাব’, সতর্ক করল ইরান
সংগৃহীত ছবি

ইরানের যৌথ সামরিক কমান্ড হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করা সব তেলবাহী জাহাজের জন্য নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা জানায়, সব জাহাজকে ইরানের নির্ধারিত ও অনুমোদিত পথ ব্যবহার করতে হবে। এই নির্দেশ না মানলে সংশ্লিষ্ট জাহাজকে ‘কঠোর সামরিক জবাবের’ মুখে পড়তে হবে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এই ঘোষণার পর আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেল পরিবহনের বড় একটি অংশ এই জলপথ দিয়ে হয়। ফলে ইরানের এই সতর্কবার্তা আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরে বলা হয়েছে, দেশটির খাতাম আল-আম্বিয়া যৌথ সামরিক কমান্ড এই সতর্কবার্তা দিয়েছে। এর এক দিন আগে, বুধবার কাতারে মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কূটনীতিবিদদের মধ্যে বৈঠক হয়। বর্তমানে ইরান যুদ্ধ-পরবর্তী পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা চলছে।

এদিকে ইরান তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজার প্রস্তুতিও নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাতে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে একটি কফিনের ছবি প্রচার করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, কফিনটিতে খামেনির মরদেহ রাখা হয়েছে। বিদায় অনুষ্ঠানের জন্য সেটি ইমাম খোমেনি হুসাইনিয়ায় নেওয়া হয়েছে। প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, সবুজ কাপড়ে ঢাকা কফিনের পাশে শত শত মানুষ দাঁড়িয়ে দোয়া করছেন এবং শোক প্রকাশ করছেন। সপ্তাহজুড়ে সরকারি জানাজা ও শোক কর্মসূচি শনিবার থেকে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। 

তেলবাহী জাহাজ নিয়ে ইরান কেন এই সময়ে নতুন সতর্কবার্তা দিল, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড বাহরাইনে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নেতারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক চলাচল অবাধ রাখার ব্যাপারে নিজেদের যৌথ অঙ্গীকারের কথা আবারও জানিয়েছেন।’ ধারণা করা হচ্ছে, এই বক্তব্যেই অসন্তুষ্ট হয়েছে ইরান। ইরানের সামরিক কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নির্ধারিত নিয়ম না মানা, অনুমোদিত পথ থেকে সরে যাওয়া অথবা ইরানের নৌচলাচল সংক্রান্ত নির্দেশনা অমান্য করলে সশস্ত্র বাহিনী তাৎক্ষণিক কঠোর ব্যবস্থা নেবে। এতে নিয়ম ভঙ্গকারী জাহাজগুলোর নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করলে তারও দ্রুত ও কঠোর জবাব দেওয়া হবে। 

এর আগে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তির আওতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র ৬০ দিনের জন্য কোনো ধরনের ফি ছাড়া জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছিল। তবে ইরান স্পষ্ট জানায়, কোন পথে জাহাজ চলবে, সেই নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতেই থাকবে। পরে ওই পথ ব্যবহারকারী জাহাজ থেকে ফি নেওয়া হবে বলেও জানায় তেহরান। এতে দীর্ঘদিনের প্রচলিত নৌচলাচল ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি আরব দেশ বলেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের জন্য ইরানের ফি আদায়ের পরিকল্পনা তারা মেনে নেবে না। একই সময়ে ওমান এবং জাতিসংঘের একটি সংস্থা ওমান উপকূলের কাছে বিকল্প একটি নৌপথ চালুর চেষ্টা করছে। এর জেরে গত সপ্তাহের শেষ দিকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। এতে অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা আরো বেড়ে যায়।

উত্তেজনার মধ্যেও হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আবার বাড়তে শুরু করেছে। সামুদ্রিক তথ্য বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, গত সপ্তাহে এই জলপথ দিয়ে অন্তত ২৫৮টি জাহাজ চলাচল করেছে। একই সময়ে ইরান দুটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালায়। এর আগের সপ্তাহে এই সংখ্যা ছিল ১৩৮টি। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সম্পাদক রিচার্ড মিড বৃহস্পতিবার এক অনলাইন আলোচনায় বলেন, ২৫ ও ২৭ জুন ইরানের হামলার ঘটনাগুলো যেন এখন অনেকেই ভুলে গেছেন। তিনি বলেন, হামলার পর জাহাজ চলাচল কিছুটা ধীর হলেও পরিস্থিতি এখনো স্বাভাবিক নয়। যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন প্রায় ১৩০টি জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করত। বর্তমানে সেই তুলনায় চলাচল কম রয়েছে। জাহাজ পরিচালনাকারীদের এখন দুটি পথের মধ্যে একটি বেছে নিতে হচ্ছে। হয় ইরানের শর্ত মেনে চলতে হচ্ছে, নয়তো ওমানের দিকের সেই বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী নজরদারি করছে। রিচার্ড মিড বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো কিছুই স্থিতিশীল নয়। প্রতি ঘণ্টায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বিবেচনা করে জাহাজের রুট পরিবর্তন করতে হচ্ছে। এটিকে নতুন স্বাভাবিক অবস্থা বলা যাবে না।

এর আগে সপ্তাহের শুরুতে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, রেভল্যুশনারি গার্ডের নির্দেশ অমান্য করায় একটি বিদেশি জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে দেওয়া হয়েছে। তবে জাহাজটির অবস্থান, আকৃতি ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, সেটি ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং কয়েক মাস ধরেই সেখানে অবস্থান করছিল। এদিকে উত্তেজনার মধ্যেও কূটনৈতিক আলোচনা চলছে। বুধবারের বৈঠকে ‘ইতিবাচক অগ্রগতি’ হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা শেষ হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব পরবর্তী দফার বৈঠকের তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলে আশা করছে পাকিস্তান।
 

ট্রাম্পের নির্বাসন কর্মসূচি

পাঁচ দিনে ১০ হাজার জনকে গ্রেপ্তার করল মার্কিন আইসিই

অনলাইন ডেস্ক
পাঁচ দিনে ১০ হাজার জনকে গ্রেপ্তার করল মার্কিন আইসিই
ছবি : রয়টার্স

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গণ নির্বাসন কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় ধরনের এক অভিযান চালিয়েছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই)। জুন মাসের শেষ দিকে মাত্র পাঁচ দিনের একটি বিশেষ অভিযানে সংস্থাটি ১০ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর অবগত এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার সূত্র ধরে এই তথ্যটি জানা গেছে। তবে এই ডেটা বা পরিসংখ্যানটি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি আইসিই। এই গণ-গ্রেপ্তারের খবরটি এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আইসিই তাদের কাজের কৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। আগে আমেরিকার বড় বড় শহরগুলোতে যেভাবে ঢাকঢোল পিটিয়ে বা দৃশ্যমান বড় অভিযান চালানো হতো, সেখান থেকে এখন সরে এসেছে সংস্থাটি।

বর্তমানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাসন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে আইসিই নীরবে ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে কাজ করছে, যাতে জনসাধারণের মধ্যে বড় ধরনের শোরগোল না তৈরি করেই লক্ষ্য অর্জন করা যায়।

সুইডেনে রুশ দূতাবাসে ‘লাল বাক্স’ দিয়ে ড্রোন হামলা

অনলাইন ডেস্ক
সুইডেনে রুশ দূতাবাসে ‘লাল বাক্স’ দিয়ে ড্রোন হামলা
সংগৃহীত ছবি

ন্যাটোভুক্ত দেশ সুইডেনে অবস্থিত রাশিয়ার দূতাবাসে অভিনব ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এ সময় একটি ড্রোন থেকে লাল রং ভর্তি একটি বাক্স ফেলা হয়েছে এবং অন্য একটি ড্রোন থেকে একটি নকল বিস্ফোরক ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি।

রুশ বার্তা সংস্থা তাস নিউজ বলছে, বৃহস্পতিবার দূতাবাসের টেলিগ্রাম চ্যানেলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, সুইডেনে রাশিয়ার দূতাবাস ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। একটি কোয়াডকপ্টার দূতাবাস প্রাঙ্গণে লাল রং ভর্তি একটি বাক্স ফেলেছে। আরেকটি ড্রোনে সংযুক্ত একটি নকল বিস্ফোরক যন্ত্র দূতাবাস ভবনের ঠিক পাশেই পড়ে যায়।

দূতাবাস এ ঘটনাকে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশনকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের প্রকাশ্য চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছে। একই সঙ্গে তারা বলেছে, এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা এবং এর পরিণতির পূর্ণ দায় সুইডেনের।

এর আগে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশন জানিয়েছিল, ২০২৪ সালের মে মাস থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়ার কূটনৈতিক স্থাপনাগুলোতে ১৫টিরও বেশি ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

দূতাবাসের দাবি, কয়েকটি ঘটনায় ভারী কাচের পাত্রে রং বহন করা হয়েছিল, যা বিধ্বস্ত হলে কাচের টুকরা ও ওজনের কারণে গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি ছিল।

রাশিয়ার জানিয়েছে, প্রতিটি ঘটনার পর পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্বাগতিক দেশ হিসেবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে সুইডেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কূটনৈতিক নোট পাঠানো হয়েছে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা অভিযোগ করেছেন, সুইডিশ কর্তৃপক্ষের নীরব সমর্থনের মাধ্যমেই সুইডেনে রাশিয়ার কূটনৈতিক মিশনে এসব ড্রোন হামলা ঘটছে।

তিনি ভিয়েনা কনভেনশনের অধীনে সুইডেনকে তার আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা কঠোরভাবে পালনের আহ্বান জানান।

তবে এখন পর্যন্ত কোনো হামলাকারীকে শনাক্ত করা যায়নি এবং একই ধরনের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।

রুশ হামলায় কিয়েভে নিহত বেড়ে ২০

অনলাইন ডেস্ক
রুশ হামলায় কিয়েভে নিহত বেড়ে ২০
রয়টার্স ছবি

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতভর চালানো এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৯০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি বলছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ওপর চালানো এই হামলাকে এখন পর্যন্ত দেশটির ‘সবচেয়ে ভয়াবহ ও ব্যাপক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো। 

তিনি বলেন, হামলায় একটি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার পরপরই নিহতদের স্মরণে কিয়েভে শুক্রবার শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে।

যদিও অতীতের কিছু হামলায় নিহতের সংখ্যা বেশি ছিল, তবে এবারের হামলায় রাজধানীজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় আঘাত হানা হয়েছে।

হামলার পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় একাধিক এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছিলেন, ‘রাশিয়া বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

অন্যদিকে মস্কো দাবি করেছে, রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ইউক্রেনের হামলার জবাবে তারা সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে।

ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, ‘আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য কিয়েভ সরকারের ওপর চাপ আরো বাড়ানো হবে।’

এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। 

এ বিষয়ে কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানান, হতাহতদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। শত্রুপক্ষ আবারও পরিকল্পিতভাবে আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষকে হত্যা করছে।

কিয়েভ মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার সময় প্রায় সাড়ে ৫২ হাজার মানুষ (যার মধ্যে সাড়ে ৪ হাজার শিশু) নিরাপত্তার জন্য ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি সর্বোচ্চ সংখ্যা।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি ছিল দক্ষিণ-পূর্ব কিয়েভের দারনিৎস্কি জেলা। সেখানে একটি বহুতল আবাসিক ভবনে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যত নিয়ে 'উদ্বিগ্ন' জর্জ ডব্লিউ বুশ | কালের কণ্ঠ