kalerkantho

শনিবার । ২১ ফাল্গুন ১৪২৭। ৬ মার্চ ২০২১। ২১ রজব ১৪৪২

বাইডেনের পররাষ্ট্র দপ্তরে ‘ইরান চুক্তির মধ্যস্থতাকারী’

অনলাইন ডেস্ক   

১৮ জানুয়ারি, ২০২১ ০৮:৫৯ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাইডেনের পররাষ্ট্র দপ্তরে ‘ইরান চুক্তির মধ্যস্থতাকারী’

প্রশাসনে বৈচিত্র্য আনার পাশাপাশি অভিজ্ঞতায়ও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আর তাই উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে তিনি এমন একজনকে বেছে নিয়েছেন, যিনি ইরানের পরমাণু চুক্তি নিশ্চিত করতে মধ্যস্থতা করেছেন। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরেও ভূমিকা রেখেছেন ওয়েন্ডি শারম্যান।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ছয় বিশ্বশক্তি ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষর করে। ওই সময় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে মধ্যস্থতাকারী ছিলেন শারম্যান। এ ছাড়া আরেক সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের আমলে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যে পরমাণু চুক্তি হয়, সে সময়ও মধ্যস্থতাকারী ছিলেন শারম্যান। বাইডেন তাঁকে উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ায় পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশৃঙ্খল পররাষ্ট্রনীতি থেকে বেরিয়ে আগের অবস্থায় ফিরতে চান নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরান চুক্তিতে ফেরার চিন্তাও বাইডেনের আছে বলে তাঁদের ধারণা। ২০১৫ সালে করা ওই চুক্তি থেকে ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

এর আগে বাইডেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে যাঁকে মনোনয়ন দিয়েছেন, সেই অ্যান্টনি ব্লিংকেনের অভিজ্ঞতার ঝুলিও সমৃদ্ধ। তাঁর নিয়োগ চূড়ান্ত করতে আগামীকাল মঙ্গলবার সিনেটে শুনানি হবে। সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রথম মেয়াদে তিনি ডেপুটি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ভূমিকায় ছিলেন আর পরের মেয়াদে ছিলেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী, যে পদে বসতে যাচ্ছেন শারম্যান। মনোনীতদের মধ্যে আরো আছেন ভিক্টোরিয়া নিউল্যান্ড। তিনি পররাষ্ট্র দপ্তরের আন্ডারসেক্রেটারি পদে মনোনয়ন পেয়েছেন। এ ছাড়া পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র হতে চলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর সাবেক কর্মকর্তা নেড প্রাইস।

পররাষ্ট্র দপ্তরে যাঁদের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, তাঁদের ব্যাপারে বাইডেন বলেন, মনোনীত ব্যক্তিরা জাতীয় নিরাপত্তা ও কূটনীতিতে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলোর অধিকারী। মনোনীতরা কর্মক্ষেত্রে তাঁদের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ‘আমেরিকার বৈশ্বিক ও নৈতিক নেতৃত্ব’ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করবেন বলে তাঁর বিশ্বাস।

গত ৩ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী বাইডেন বৈচিত্র্যময় ও কার্যকর প্রশাসন গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। একই সঙ্গে তিনি ট্রাম্পের আমলের সব ঝুটঝামেলা বিদায় করে স্থিতিশীলতা ফেরানোর ইঙ্গিতও দিয়েছেন। প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় মনোনয়নপ্রাপ্তদের তালিকা বাইডেনের অঙ্গীকার পূরণের দিকেই নির্দেশ করছে বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা।

সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা