• ই-পেপার

রেমডেসিভিরের কালোবাজারির আশঙ্কা, বাজারে আসছে জেনেরিক ভার্সন

কম্বোডিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা অংশীদারত্ব গড়তে প্রস্তুত চীন : শি চিনপিং

অনলাইন ডেস্ক
কম্বোডিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা অংশীদারত্ব গড়তে প্রস্তুত চীন : শি চিনপিং

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং বলেছেন, কম্বোডিয়ার সঙ্গে একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে প্রস্তুত রয়েছে চীন। শুক্রবার বেইজিংয়ে কম্বোডিয়ার সিনেটের প্রেসিডেন্ট হুন সেনের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।

চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার খবরে বলা হয়েছে, বৈঠকে শি চিনপিং বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে জটিল ও বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটছে। এমন পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়ন ধরে রাখতে চীন ও কম্বোডিয়াকে আরো ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে চীন সব সময় কম্বোডিয়াকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। ভবিষ্যতেও কম্বোডিয়ার জাতীয় সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং উন্নয়নের স্বার্থ রক্ষায় বেইজিংয়ের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

শি চিনপিং দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত পারস্পরিক বিশ্বাস আরো শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, চীন ও কম্বোডিয়ার সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে উভয় দেশকে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে।

বৈঠকে টেলিযোগাযোগ ও অনলাইন প্রতারণার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার জন্য কম্বোডিয়ার প্রশংসা করেন শি চিনপিং। তিনি বলেন, এ ধরনের প্রতারণা সমাজের জন্য একটি ‘টিউমারের’ মতো। তাই এই অপরাধ পুরোপুরি নির্মূল করতে কম্বোডিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে চীন।

এর আগে চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২৫ থেকে ২৭ জুন পর্যন্ত সরকারি ভাবে চীন সফর করছেন কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বর্তমান সিনেটের প্রেসিডেন্ট হুন সেন।

উল্লেখ্য, গত এপ্রিলে ‘টু প্লাস টু’ কৌশলগত সংলাপ ব্যবস্থার আওতায় প্রথম বৈঠক করে চীন ও কম্বোডিয়া। ওই বৈঠকে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীরা রাজনৈতিক, নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরো জোরদার করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

গুগলের চাকরি ছেড়ে রেস্তোরাঁ ব্যবসায়, বছরে আয় প্রায় ২৮ কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক
গুগলের চাকরি ছেড়ে রেস্তোরাঁ ব্যবসায়, বছরে আয় প্রায় ২৮ কোটি টাকা
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে হালাল বারবিকিউ রেস্তোরাঁ শুরু করতে বছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার (প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা) বেতনের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন এক প্রযুক্তিবিদ। তার নাম সালাহউদ্দিন আবদুল-কাফি। তার বয়স ৩৫ বছর। তিনি প্রায় ১৪ বছর ধরে বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিতে কাজ করেছেন। এর মধ্যে আছে গুগল, মাইক্রোসফট, ইউটিউব এবং ক্রুজের মতো প্রতিষ্ঠান।

আবদুল-কাফি বলেন, দীর্ঘদিন কাজ করার পর তিনি প্রযুক্তি খাত নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েন। তার মতে, এই খাতে মানুষের জীবন উন্নত করার চেয়ে শুধু অর্থ উপার্জনের দিকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছিল। এই কারণে তিনি উচ্চ বেতনের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। চাকরি ছাড়ার পর তিনি নিজের বেতন ৫০ শতাংশের বেশি কমিয়ে একটি ধর্মীয় অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন।

এরপর তিনি সান ফ্রান্সিসকো ছেড়ে দেন। সেই সময় তিনি দিনের চাকরির পাশাপাশি বন্ধুদের জন্য রাতের খাবার রান্না ও বারবিকিউ আয়োজন করতেন। তার রান্না দেখে বন্ধুরা খুবই প্রশংসা করেন। আবদুল-কাফি বলেন, সেখান থেকেই নতুন ভাবনা আসে। তিনি ভাবতে শুরু করেন, টেক্সাসে বারবিকিউ নিয়ে এমন কিছু করা যায় কি না, যা আগে কেউ করেনি। বিজনেস ইনসাইডারকে তিনি বলেন, সেই ভাবনা থেকেই 'কাফি বারবিকিউ' শুরু করার পরিকল্পনা তৈরি হয়। রেস্তোরাঁটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে চালু হয়। শুরুর দিকে তারা তিন দিনের খাবার প্রস্তুত করেছিলেন। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে প্রথম দিনেই সব খাবার বিক্রি হয়ে যায়। এরপর সেই রাতেই আবার রান্না শুরু করতে হয়। 

অল্প সময়ের মধ্যেই রেস্তোরাঁটি টেক্সাসসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। আবদুল-কাফি জানান, তার রেস্তোরাঁর আয় দ্রুত বাড়ছে। গত বছর তাদের আয় ছিল প্রায় ২৩ লাখ ডলার (প্রায় ২৮ কোটি ২১ লাখ টাকা)। এ বছর তা বেড়ে প্রায় ৪০ লাখ ডলারে (প্রায় ৪৯ কোটি ৭ লাখ টাকা) পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ব্যবসা ভালো চললেও তিনি এখনো নিজের জন্য রেস্তোরাঁ থেকে এক ডলারও নেননি। তিনি নিজের সঞ্চয়ের টাকা থেকেই জীবন চালাচ্ছেন।

রেস্তোরাঁটি দ্রুত সফল হলেও খরচও অনেক বেশি। আবদুল-কাফি জানান, প্রতি মাসে ব্যবসা চালাতে প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার ডলার খরচ হয়। এর মধ্যে খাবারের জন্য প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার লাগে। কর্মীদের বেতন দিতে খরচ হয় প্রায় ৫০ হাজার ডলার। ভাড়া দিতে হয় প্রায় ১৫ হাজার ডলার। এছাড়া বিজ্ঞাপন, বিপণন এবং অন্যান্য খাতে আরো বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়।

তিনি বলেন, শুরুতে প্রায় ১০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করা হলেও সেই টাকা এখনো পুরোপুরি ফিরে আসেনি। তাই ভবিষ্যৎ নিয়ে আবদুল-কাফি আশাবাদী হলেও সতর্ক থাকেন। 

কেতন হত্যায় পরস্পরকে দুষছেন সিয়া-চেতন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
কেতন হত্যায় পরস্পরকে দুষছেন সিয়া-চেতন
বাঁ থেকে কেতন আগরওয়াল, সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরী।

পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের হত্যার জন্য পরস্পরকে দুষছেন সিয়া গোয়েল ও তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী। ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে থাকা সিয়া ও চেতনকে মুখোমুখি জেরা করলে দুজনই অপরের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে চেতন চৌধুরী দাবি করেন, কেতন আগরওয়ালকে সিয়া-ই ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিল। তবে সিয়ার দাবি, কেতনকে হত্যার মূল পরিকল্পনা ছিল চেতন চৌধুরীর। এমনকি ১৪ জুন ধাক্কা দিলেও ঝোপঝাড় ধরে কেতন বেঁচে যাওয়ার পর সিয়ার সামনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন চেতন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চেতন চৌধুরী দাবি করেন, কেতনকে হত্যার পরিকল্পনা তার ছিল না। তিনি শুধু সিয়াকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করতে চাননি সিয়া। পরিবারের সামাজিক মর্যাদার কথা ভেবে প্রেমিক চেতনের সাথে পালাতে রাজি হননি তিনি। কেতনকে হত্যার আগে নানা বিকল্প নিয়ে ভেবেছিলেন সিয়া ও চেতন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুজন মিলে তাদের প্রেমের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ানো কেতন আগরওয়ালকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

কেতন আগরওয়াল হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিরাজ কুমার নামে চেতন চৌধুরীর দোকানের এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুনে পুলিশ। নিরাজ ৩ বছর ধরে চেতনের দোকানে কাজ করতেন। ১৮ জুন কেতন আগরওয়ালকে হত্যার দিনে চেতন নিরাজের ফোন ব্যবহার করেছিলেন।

পুলিশের ধারণা, এর আগেও চেতন নিরাজের ফোনে তার প্রেমিকা সিয়ার সাথে যোগাযোগ করেছেন।

গত ফেব্রুয়ারিতে পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সাথে সিয়া গোয়ালের বাগদান হয়। আগামী নভেম্বরে জমকালো বিয়ের আয়োজন চলছিল। গত ১৮ জুন সিয়া আর তার প্রেমিক চেতন মিলে পরিকল্পিতভাবে লোহাগড় দূর্গ থেকে ফেলে কেতন আগরওয়ালকে হত্যা করেন। ঘটনার ৫ দিন পর পুলিশ সিয়া ও চেতনকে গ্রেপ্তার করে। দুজন এখন ৭  দিনের পুলিশ রিমান্ডে আছেন।

হাইতি ও সিরীয় অভিবাসীদের সুরক্ষা বাতিলের রায় দিল যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট

অনলাইন ডেস্ক
হাইতি ও সিরীয় অভিবাসীদের সুরক্ষা বাতিলের রায় দিল যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বৃহস্পতিবার একটি রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে হাইতি ও সিরিয়ার হাজার হাজার অভিবাসীর জন্য থাকা আইনি সুরক্ষা বাতিল করার অনুমতি দিয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা কয়েক লাখ মানুষ দেশ থেকে বহিষ্কারের ঝুঁকিতে পড়বেন।

সুপ্রিম কোর্ট ৬–৩ ভোটে এই রায় দেয়। এর মাধ্যমে আগের একটি নিম্ন আদালতের আদেশ বাতিল হয়ে যায়। আদালত যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগকে দ্রুত 'টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস' বা অস্থায়ী সুরক্ষা কর্মসূচি বন্ধ করার অনুমতি দেয়। এই কর্মসূচির আওতায় মোট ১৭টি দেশের প্রায় ১৩ লাখ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রে সুরক্ষা পেয়ে আসছিলেন।


এই রায়কে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি বড় আইনি জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ তিনি অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্পের কিছু নীতিতে বাধা দিলেও, এবার আবার তার পক্ষেই রায় এসেছে। একই দিনে আদালত আরো একটি নীতির পথ খুলে দেয়, যেখানে আশ্রয়প্রার্থী অভিবাসীদের ওপর কড়াকড়ি বাড়ানো যাবে। বিচারপতি স্যামুয়েল আলিটো বলেন, ট্রাম্পের অতীত মন্তব্য এই সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেনি। তিনি বলেন, এসব মন্তব্য থেকে প্রমাণ হয় না যে সিদ্ধান্ত জাতিগত কারণে নেওয়া হয়েছে।

তবে বিচারপতি এলেনা কাগান এই রায়ের সঙ্গে একমত হননি। তিনি বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিরা ট্রাম্পের কিছু মন্তব্য রায়ে না আনলেও সেগুলো খুবই গুরুতর ছিল। তিনি উল্লেখ করেন, ট্রাম্প একবার হাইতিদের সম্পর্কে এমন মন্তব্য করেছিলেন যা তিনি 'জাতিগতভাবে অবমাননাকর' বলে মনে করেন। ট্রাম্প বলেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে থাকা হাইতিয়ানদের 'সম্ভবত এইডস আছে'। তিনি ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে মিথ্যা গুজবও ছড়িয়েছিলেন যে ওহাইওতে হাইতিয়ান অভিবাসীরা কুকুর ও বিড়াল ধরে খায়।

ফেডারেল কর্তৃপক্ষ বলেছে, এই সিদ্ধান্তে কোনো পক্ষপাত নেই। তাদের দাবি, এই সুরক্ষা মূলত সাময়িক ছিল। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এটি ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চালু ছিল। হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, এই কর্মসূচি 'অতিরিক্ত দীর্ঘস্থায়ী হয়ে গিয়েছিল' এবং এখন এটি বন্ধ হওয়া উচিত। হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেন, এটি একটি দীর্ঘ লড়াইয়ের পর পাওয়া সাফল্য।

অভিবাসীদের আইনজীবীরা এই রায়ের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তারা বলেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে হাজার হাজার মানুষের জীবন ঝুঁকিতে পড়বে। তাদের দাবি, হাইতিতে ফেরত পাঠালে অনেক মানুষের নিরাপত্তা থাকবে না। একজন কমিউনিটি সংগঠক বলেন, অনেক পরিবার যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে। তাদের সন্তানরা স্কুলে যাচ্ছে, অভিভাবকরা কাজ করছেন। এখন হঠাৎ করে তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। একজন মানবাধিকার কর্মী বলেন, এই সিদ্ধান্ত প্রবীণদের সেবাসহ বিভিন্ন খাতে বড় প্রভাব ফেলবে।

এই কর্মসূচি প্রথম চালু হয় ১৯৯০ সালে। যুদ্ধ, সহিংসতা বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের মানুষকে নিরাপদে রাখতে এটি তৈরি করা হয়। ২০১০ সালে বড় ভূমিকম্পের পর হাইতির নাগরিকদের এই সুরক্ষা দেওয়া হয়। পরে দেশটিতে সহিংসতা বাড়ায় এটি কয়েকবার বাড়ানো হয়। সিরিয়ার নাগরিকদের ২০১২ সালে এই সুরক্ষা দেওয়া হয়, কারণ তখন দেশটিতে দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ চলছিল। 

অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই রায়ের ফলে হাইতি ও সিরিয়ার হাজার হাজার মানুষের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তারা এখন জানতে চাইছেন, এই সিদ্ধান্ত কবে এবং কীভাবে কার্যকর হবে। একই সঙ্গে অনেক পরিবার পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে।
 

রেমডেসিভিরের কালোবাজারির আশঙ্কা, বাজারে আসছে জেনেরিক ভার্সন | কালের কণ্ঠ