• ই-পেপার

মাথাচাড়া দিচ্ছে ভুটান! ভারতের কৃষকদের পানি দেওয়া বন্ধ করল থিম্পু

সাড়ে ৩ হাজার পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করল আরব আমিরাত

অনলাইন ডেস্ক
সাড়ে ৩ হাজার পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করল আরব আমিরাত
সংগৃহীত ছবি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত চলাকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৩ হাজার ৫০০ পাকিস্তানিকে বহিষ্কার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ (ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি) থেকে এমন তথ্য জানানো হয়েছে বলে জানায় পাক সংবাদ মাধ্যম দ্য নেশন

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাকিস্তানের পার্লামেন্টারি অ্যাফেয়ার্স বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী তারিক ফজল চৌধুরী বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের জন্য সরকার সর্বোচ্চ সহায়তা প্রদানের চেষ্টা করছে।

জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) সামিনা খালিদ ঘুরকির এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, স্পেন, পর্তুগাল ও যুক্তরাজ্যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কোনো পাকিস্তানি নাগরিক নেই। 

তিনি বলেন, এসব দেশে পাকিস্তানি দূতাবাসগুলোতে বন্দি নাগরিকদের সহায়তার জন্য বিশেষ সেল রয়েছে। এসব সেল নিয়মিত কারাগার পরিদর্শন, বন্দিদের সমস্যার সমাধান এবং আর্থিকভাবে অসচ্ছলদের জন্য আইনি সহায়তা প্রদান করে থাকে।

এর আগে পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বন্দি স্থানান্তর চুক্তির আওতায় ২০২৪ ও ২০২৫ সালে মোট ৯ জন পাকিস্তানি বন্দিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বহিষ্কৃত ৩ হাজার ৫০০ পাকিস্তানির বিরুদ্ধে ঠিক কী ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছিল, সে বিষয়ে জাতীয় পরিষদে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

আমিরাতের ভিসা নিয়ে সুসংবাদ

অনলাইন ডেস্ক
আমিরাতের ভিসা নিয়ে সুসংবাদ
সংগৃহীত ছবি

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক পর্যটকদের জন্য এলো সুখবর। দেশটি এখন মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ট্যুরিস্ট ভিসা দেওয়ার সুবিধা চালু করেছে। একই সঙ্গে হোটেল, ডেজার্ট সাফারি, জেট স্কি ও বিভিন্ন পর্যটন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য ছাড় ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে কম খরচে দুবাই ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে ভ্রমণপিপাসুদের আগ্রহ বাড়ছে। শনিবার (২০ জুন) খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ট্রাভেল এজেন্টরা বলছেন, ভিসার দ্রুত সুবিধা ছাড়াও আমিরাতে হোটেল, আউটডোর অ্যাক্টিভিটি এবং বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে বিশাল ছাড় দেওয়া হয়েছে। এতে করে সাশ্রয়ী খরচে দুবাই ট্যুর এখন আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। 

দেশটিতে এখন মাত্র ১৩৯ দিরহামে হোটেলের রুম সুবিধা মিলছে। এর বাইরে ডেজার্ট সাফারি, জেট স্কি এবং বাগি রাইডে অবিশ্বাস্য ছাড় দেওয়া হচ্ছে। ফলে দ্রুক বুকিং দিলে খুব সাশ্রয়ী খরচে ভ্রমণের সুযোগ মিলছে।  

খালিজ টাইমস সাশ্রয়ী ভ্রমণের জন্য কয়েকটি টিপসও তুলে ধরেছে। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, পর্যটকদের সবচেয়ে বড় খরচের খাত হলো আবাসন। তবে গ্রীষ্মকালে অনেক হোটেল পর্যটকদের জন্য নানা ছাড় দেয়। তাই অনলাইনে দেখে বুকিং না দিয়ে সরাসরি আসার পর বুকিং দেওয়া উচিত। এতে করে খরচ অনেকটাই বেচে যেতে পারে। কারণ ভাড়া বিভিন্ন সময়ে কমবেশি হয়ে 

ওয়াইজফক্স ট্যুরিজমের সিনিয়র ম্যানেজার সুবাইর বলেন, গ্রীষ্মকালে দুবাই এখন অনেক সাশ্রয়ী গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। হোটেলগুলোতে ভাড়া কম হওয়ায় এবং দর্শনীয় স্থানগুলোতে বিশেষ ছাড় থাকায় পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরতে পারেন।

ডেজার্ট সাফারি 

দুবাইয়ের অন্যতম জনপ্রিয় অভিজ্ঞতা হলো ডেজার্ট সাফারি। শীতকালে সাধারণত এর প্যাকেজ ১৫০ দিরহামের আশপাশে থাকে। তবে গরমকালে এটি ৫০ দিরহামের আশপাশে পাওয়া যায়। তবে বুকিং করার আগে কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে তা যাচাই করে নেওয়া ভালো।

জেট স্কি রাইড 

বুর্জ আল আরব বা আটলান্টিস দেখার জন্য জেট স্কি রাইড পর্যটকদের খুব প্রিয়। গ্রীষ্মকালে অপারেটররা প্রায়ই সপ্তাহের কর্মদিবসগুলোতে বিশেষ অফার এবং অগ্রিম বুকিং করলে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেয়। তবে এটির ক্ষেত্রে সরাসরি কাউন্টারে গিয়ে টিকেট না কেটে অনলাইনে অফারগুলো দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

প্লুটো ট্রাভেলসের ম্যানেজিং পার্টনার ভরত আইদাসানি বলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ভিসা পাওয়ার কারণে পর্যটকরা দুবাই সফরে আরো আগ্রহী হয়ে উঠবেন। দ্রুত ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা পেলে পর্যটকরা সেটিকে সহজেই গন্তব্য হিসেবে বেছে নিতে পারেন।

লিবিয়ার উপকূলে ১৫ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
লিবিয়ার উপকূলে ১৫ অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার
ফাইল ছবি

লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলে গত এক সপ্তাহে অন্তত ১৫ জন অভিবাসীর মরদেহ ভেসে এসেছে। তাদের মধ্যে একটি কন্যাশিশুও রয়েছে বলে জানা গেছে।

মিসরের সীমান্তবর্তী তোব্রুক শহরের উপকূলের বিভিন্ন স্থান থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার নিরাপত্তা, নৌবাহিনী ও চিকিৎসা সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স

একটি সূত্র জানায়, ডুবে যাওয়া নৌকাটিতে প্রায় ৬১ জন আরোহী ছিলেন। বেঁচে যাওয়া ১০ জনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ সংখ্যা জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই নিরাপত্তা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর বেশিরভাগই পচে গিয়েছিল। তাদের আশঙ্কা, সমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় আরো মরদেহ পাওয়া যেতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত তোব্রুক রেড ক্রিসেন্টের ছবিতে দেখা যায়, সাদা সুরক্ষা পোশাক পরিহিত স্বেচ্ছাসেবীরা পাথুরে উপকূল থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করে সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে রাখছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সাবেক শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ইউরোপমুখী অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুটে পরিণত হয়েছে লিবিয়া।

আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে সংঘাত, দারিদ্র্য ও রাজনৈতিক অস্থিরতা থেকে পালিয়ে আসা হাজারো মানুষ মরুভূমি পেরিয়ে লিবিয়ায় পৌঁছে সেখান থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

তবে এই সমুদ্রপথ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রায়ই নৌকাডুবি ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ এই দুর্ঘটনাও সেই মানবিক সংকটের আরেকটি মর্মান্তিক উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঝুঁকির মধ্যেও কেন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু?

অনলাইন ডেস্ক
ঝুঁকির মধ্যেও কেন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু?
ফাইল ছবি

ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকেই লেবাননে তীব্র হামলা অব্যাহত রেখেছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকার। যুদ্ধবিরতির শুরুর মাত্র একদিনেই অন্তত ১৬ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। তবে এ সংখ্যা হুরহুর করেই বাড়ছে বলে জানা গেছে।

এ অবস্থায় ইসরায়েলের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোশে ইয়ালন সতর্ক করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের নীতির কারণে দেশকে চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে।

দেশটির চ্যানেল ১২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন বলে জানায় আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরা

সাক্ষাৎকারে ইয়ালন বলেন, ‘নেতানিয়াহু ও তার সরকারের বিভ্রান্তিকর কল্পনার মূল্য এখন ইসরায়েলকে দিতে হচ্ছে।’

তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের অক্টোবরেই লেবাননের সঙ্গে আলোচনায় বসা উচিত ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক কারণে তা না হওয়ায় সংঘাত অব্যাহত রয়েছে এবং ইসরায়েলি সেনারা প্রাণ হারাচ্ছেন।

জোট টেকাতে যুদ্ধ?

ইয়ালনের ভাষায়, ‘ব্যক্তিগত ও দলীয় রাজনৈতিক স্বার্থের কারণে সেনাদের মৃত্যু অব্যাহত রয়েছে।’

এ ছাড়া নেতানিয়াহু তার ডানপন্থী ও কট্টরপন্থী জোটকে অক্ষত রাখতে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সাবেক এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘নেতানিয়াহু তার উগ্রপন্থী জোটকে নিরাপদ রাখতে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন।’

ইসরায়েলে সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে ইয়ালন আরো বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছি। এর পরও যদি বর্তমান অবস্থা চলতে থাকে, তাহলে আমাদের আর কোনো রাষ্ট্রই অবশিষ্ট থাকবে না।’

ইসরায়েলের শক্তির জোগান

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও কৌশলগত সহায়তা ছাড়া ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে টিকে থাকতে পারত না। ওয়াশিংটনের সমর্থন না থাকলে ইসরায়েল ‘চূর্ণবিচূর্ণ’ হয়ে যেত। 

প্রেস টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমার হস্তক্ষেপ না থাকলে ইসরায়েল চূর্ণ হয়ে যেত। কারণ ইসরায়েলকে উন্নত অস্ত্র ব্যবস্থা, আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক এবং বি-২ বোমারু বিমানসহ গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে থাকে ওয়াশিংটন।’

এত শত্রুতা কেন?

ইসরায়েলের শত্রু লেবানন নয়, বরং ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ—এমন মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল এলা ওয়াউইয়া।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘লেবানন ইসরায়েলের শত্রু নয়। সমস্যা হলো হিজবুল্লাহ, যারা বারবার লেবাননকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয় এবং দেশটির জনগণকে স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি থেকে বঞ্চিত করে।’

ওয়াউইয়া আরো বলেন, হিজবুল্লাহ যদি চুক্তি লঙ্ঘন বন্ধ করে এবং শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকে, তাহলে ইসরায়েলি ও লেবানিজ—উভয় পক্ষের জন্যই শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব।

যুদ্ধবিরতি ও হামলা

এদিকে, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সর্বশেষ যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাত্র একদিন পরেও অব্যাহত রয়েছে তীব্র হামলা। এতে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাবাতিয়েহ জেলায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ জনে। আহত হয়েছেন আরো ১২ জন।

লেবাননের সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি শনিবার জানিয়েছে, উদ্ধারকারী দলগুলো নাবাতিয়েহ এলাকায় চলমান হামলার পর ১৬ জনের মরদেহ এবং ১২ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে স্থানান্তর করেছে।

সংস্থাটি জানায়, শনিবার ভোর থেকে তাদের সদস্যরা এলাকায় উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। একই সময়ে ইসরায়েলি বাহিনী নাবাতিয়েহ জেলার বিভিন্ন স্থানে হামলা অব্যাহত রেখেছে।

মাথাচাড়া দিচ্ছে ভুটান! ভারতের কৃষকদের পানি দেওয়া বন্ধ করল থিম্পু | কালের কণ্ঠ