• ই-পেপার

নিজের সন্তানকে নির্মমভাবে কেন খুন করলেন এই মা?

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ৮০০ মিলিয়ন ডলার অনুদান পেল বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ৮০০ মিলিয়ন ডলার অনুদান পেল বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি
ছবি : রয়টার্স।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের পূর্ববর্তী তহবিল কর্তনের পর যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ৮০০ মিলিয়ন ডলারের অনুদান পাচ্ছে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রগ্রাম (ডব্লিউএফপি)। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন এ অনুদানকে স্বাগত জানিয়েছে ওয়ার্ল্ড ফুড প্রগ্রাম (ডব্লিউএফপি)। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) বুধবার এ কথা জানিয়েছে। 

সংস্থাটি বলেছে, এই অর্থ বিশ্বজুড়ে বাড়তে থাকা ক্ষুধা মোকাবেলা এবং জরুরি সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করতে সহায়তা করবে। ডব্লিউএফপির মতে, নতুন তহবিলের মাধ্যমে লেবানন, হাইতি এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের মতো সংকটপূর্ণ এলাকায় খাদ্য মজুদ, নগদ সহায়তা এবং সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে।

ডব্লিউএফপি বলেছে, এই তহবিল সহায়তা বাড়াতে এবং উদ্ভূত সংকট মোকাবেলায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করবে। এমন একসময়ে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যখন বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা রেকর্ড পর্যায়ে রয়েছে। এ বছর তীব্র ক্ষুধার সম্মুখীন মানুষের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

যুক্তরাষ্ট্র ডব্লিউএফপির সবচেয়ে বড় দাতা, কিন্তু ২০২৪ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তাদের অনুদান অর্ধেকেরও বেশি কমে প্রায় ২০০ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

ডব্লিউএফপি বলেছে, এই নতুন তহবিল তাদের লেবানন, হাইতি এবং গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের মতো সংকট-কবলিত এলাকাগুলোতে খাদ্য সরবরাহ আগে থেকে মজুদ করতে, নগদ সহায়তা কর্মসূচি প্রসারিত করতে এবং সরবরাহব্যবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। 

যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সহায়তাদাতা দেশ, যদিও বৈদেশিক সহায়তা নীতিতে পরিবর্তনের কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এর অনুদানে ওঠানামা দেখা গেছে। বড় ধরনের ব্যয় সংকোচনের ফলে ২০২৫ সালে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের মানবিক সহায়তা তহবিল আগের বছরের ১৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে প্রায় ৩ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফকে ২১৮ মিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদানের ঘোষণাও দিয়েছে। 

গুগলের ওপর নতুন নিয়ম জারি করেছে যুক্তরাজ্য

অনলাইন ডেস্ক
গুগলের ওপর নতুন নিয়ম জারি করেছে যুক্তরাজ্য
রয়টার্স ছবি

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত সার্চ ইঞ্জিন গুগলকে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে যুক্তরাজ্য। সার্চ ফলাফলের র‌্যাঙ্কিং কিভাবে নির্ধারণ করা হয়, সে বিষয়ে আরো স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আরো ন্যায্য পরিবেশ তৈরি করাসহ ব্যবহারকারীদের সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যেও নতুন কিছু শর্ত আরোপ করেছে যুক্তরাজ্যের প্রতিযোগিতা ও বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা (সিএমএ)।

বুধবার এক বিবৃতিতে সিএমএ জানায়, নতুন নিয়মের আওতায় গুগলকে সার্চ ফলাফলের র‌্যাঙ্কিং প্রক্রিয়া আরো স্বচ্ছ ও ন্যায্য করতে হবে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীরা যাতে তাদের সার্চ-সংক্রান্ত তথ্য অনুমোদিত তৃতীয় পক্ষের কাছে স্থানান্তর করতে পারেন, সেই সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে।

ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি গুগলের সার্চ বাজারে আধিপত্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে ‘স্ট্র্যাটেজিক মার্কেট স্ট্যাটাস’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যার ফলে প্রতিষ্ঠানটির ওপর বিশেষ কিছু বিধি-নিষেধ ও স্বচ্ছতাসংক্রান্ত নিয়ম প্রয়োগ করা সম্ভব হবে।

সিএমএর ডিজিটাল মার্কেটস বিভাগের নির্বাহী পরিচালক উইল হেইটার রয়টার্সকে বলেন, ‘নতুন এই পদক্ষেপগুলো নিশ্চিত করবে যে সার্চ ফলাফল ন্যায্য ও বস্তুনিষ্ঠভাবে র‌্যাঙ্ক করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবর্তন সম্পর্কে আরো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে এবং অভিযোগ উত্থাপনের কার্যকর ব্যবস্থা থাকবে।’

এর আগে চলতি মাসের শুরুতেও গুগলের জন্য নতুন কিছু আচরণগত নির্দেশনা ঘোষণা করেছিল সিএমএ। সেসব নির্দেশনার মাধ্যমে প্রকাশকরা চাইলে তাদের কনটেন্ট গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ফিচারগুলোর প্রশিক্ষণ বা ব্যবহারের জন্য ব্যবহার না করার সুযোগ পাবেন।

লক্ষ্যমাত্রার গতি ও উচ্চতায় সফলভাবে উড়ল নাসার এক্স-৫৯

অনলাইন ডেস্ক
লক্ষ্যমাত্রার গতি ও উচ্চতায় সফলভাবে উড়ল নাসার এক্স-৫৯
সংগৃহীত ছবি

শব্দের গতির চেয়েও দ্রুতগতিতে উড়ে নতুন মাইলফলক অর্জন করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা-এর পরীক্ষামূলক বিমান এক্স-৫৯। সংস্থাটি জানিয়েছে, গত ১২ জুন বিমানটি ম্যাক ১.৪ গতিতে এবং প্রায় ৫৫ হাজার ফুট উচ্চতায় সফলভাবে উড্ডয়ন করেছে।

নাসার মতে, এই উড্ডয়ন তাদের কুয়েস্ট কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত পরীক্ষামূলক উড্ডয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।

এর কয়েক দিন আগেই এক্স-৫৯ প্রথমবারের মতো শব্দের গতিকে অতিক্রম করে ম্যাক ১.১ গতিতে উড়েছিল। সর্বশেষ পরীক্ষায় বিমানটির গতি আরো বাড়ানো হয়েছে। এতে প্রকৌশলীরা বিমানটির কর্মক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরো বিস্তারিতভাবে মূল্যায়নের সুযোগ পেয়েছেন।

নাসার কুয়েস্ট কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো শব্দের গতির চেয়ে দ্রুতগতির বিমান থেকে তৈরি হওয়া প্রচলিত সনিক বুমের শব্দ কমিয়ে আনা। সাধারণত কোনো বিমান শব্দের গতিকে অতিক্রম করলে শক্তিশালী বিস্ফোরণের মতো একটি শব্দ তৈরি হয়, যাকে সনিক বুম বলা হয়। এই শব্দের কারণে জনবসতিপূর্ণ এলাকার ওপর দিয়ে অতিদ্রুতগতির বিমান চলাচলে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

এই সমস্যার সমাধান খুঁজতেই এক্স-৫৯ বিমানটির নকশা বিশেষভাবে করা হয়েছে। বিমানটির দীর্ঘ ও সরু কাঠামোসহ বেশ কিছু নতুন নকশাগত বৈশিষ্ট্য রয়েছে। নাসার দাবি, এসব পরিবর্তনের ফলে প্রচলিত সনিক বুমের পরিবর্তে অনেক কম তীব্রতার একটি শব্দ তৈরি হবে। সংস্থাটি এই শব্দকে 'সনিক থাম্প'নামে উল্লেখ করছে।

বর্তমান পরীক্ষামূলক উড্ডয়নগুলোতে এক্স-৫৯ এর সঙ্গে নাসার একটি এফ-১৫ গবেষণা বিমানও অংশ নিচ্ছে। এফ-১৫ বিমান থেকে সাধারণ ধরনের সনিক বুম তৈরি হয়। ফলে পরীক্ষার সময় এক্স-৫৯ থেকে উৎপন্ন যেকোনো শব্দ সেই বড় শব্দের আড়ালে চলে যায়। এতে গবেষকেরা শব্দ নিয়ে চিন্তা না করে মূলত বিমানটির গতি, উচ্চতা এবং সামগ্রিক কর্মক্ষমতা মূল্যায়নের দিকে বেশি মনোযোগ দিতে পারেন।

নাসা জানিয়েছে, ভবিষ্যতের পরীক্ষাগুলোতে এফ-১৫ বিমানে স্থাপন করা বিশেষ শক-পরিমাপক যন্ত্র ব্যবহার করা হবে। এসব যন্ত্রের মাধ্যমে এক্স-৫৯ থেকে তৈরি হওয়া শক তরঙ্গের বৈশিষ্ট্য এবং শব্দের প্রকৃতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

সংস্থাটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী কয়েক মাসএক্স-৫৯ এর উড্ডয়ন পরীক্ষা চলবে। এরপর বিমানটি নতুন একটি ধাপে প্রবেশ করবে, যাকে শব্দ-যাচাই বা অ্যাকোস্টিক ভ্যালিডেশন পর্যায় বলা হয়।

এই পর্যায়ে গবেষকেরা বাস্তবে তৈরি হওয়া শব্দ পরিমাপ করবেন এবং বিমানটির নকশা তৈরির সময় যে পূর্বাভাস ও হিসাব করা হয়েছিল, তার সঙ্গে সেই ফলাফল মিলিয়ে দেখবেন। এর মাধ্যমে বোঝা যাবে, ভবিষ্যতে কম শব্দে অতিদ্রুতগতির বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের প্রযুক্তি কতটা বাস্তবসম্মত হতে পারে।


 


 

মার্কিন-ইরান চুক্তিতে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিলের পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন-ইরান চুক্তিতে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিলের পরিকল্পনা
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে কাঠামোগত চুক্তি বাস্তবায়ন হলে বড় ধরনের বিনিয়োগ তহবিল পাবে ইরান। এ চুক্তির অধীনে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি বেসরকারি তহবিল গঠনের পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

চুক্তি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, এই তহবিলের অর্ধেকেরও বেশি অর্থ ইতিমধ্যে বিভিন্ন বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি পেয়েছে।

সূত্রটি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছে, এই তহবিল উভয় পক্ষকে যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পাদনে অর্থনৈতিক প্রণোদনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। যেহেতু ওয়াশিংটন ও তেহরান শুক্রবার চুক্তিটি স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তাই পরিকল্পনাটি এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

এই তহবিলের কথা আগে জানানো হলেও রয়টার্স প্রথমবারের মতো প্রকাশ করছে, অর্ধেকেরও বেশি অর্থ ইতিমধ্যেই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে এবং এটি সম্পূর্ণরূপে বেসরকারি খাতের তহবিল দ্বারা গঠিত হবে।

মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তারা রবিবার বলেছেন, তারা তাদের যুদ্ধ শেষ করার জন্য একটি কাঠামোগত চুক্তি করতে সম্মত হয়েছেন। এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। এই কাঠামোর আওতায় ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বন্ধ করা এবং বিশ্বের তেল ও গ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়েও তারা একমত হয়েছেন।

বেসরকারি বিনিয়োগ তহবিল

মার্কিন-ইরান কাঠামো চুক্তির অংশ হিসেবে প্রস্তাবিত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিলটি কোনো ক্ষতিপূরণ বা সরকারি সহায়তা কর্মসূচি নয়। এটি হবে সম্পূর্ণ বেসরকারি বিনিয়োগ তহবিল। যুক্তরাষ্ট্র, উপসাগরীয় আরব দেশ, এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন কম্পানি এতে অর্থায়নের আগ্রহ দেখিয়েছে।

তহবিলের অর্থ জ্বালানি, পরিবহন, উৎপাদন ও লজিস্টিকস খাতে বিনিয়োগ করা হবে। এ ছাড়া যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা, শোধনাগার, বিমানবন্দর ও অন্যান্য অবকাঠামো পুনর্গঠনের কাজেও অর্থ ব্যবহার করা হতে পারে।

বিশ্বের অন্যতম বড় তেল ও গ্যাস মজুদ থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইরান বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে পিছিয়ে রয়েছে। নতুন তহবিলটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা বিদেশে জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত করার আলোচনা থেকে আলাদা একটি উদ্যোগ। তবে একটি চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই তহবিল গঠন বা কার্যকর করা হবে না। প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) আগামী ৬০ দিনের আলোচনার কাঠামো নির্ধারণ করবে।

সূত্রটির দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেই ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ তহবিল গঠন করা হবে। এরপর ৬০ দিনের মধ্যে তহবিলের প্রশাসকরা ইরান ও সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বিভিন্ন প্রকল্পের পরিকল্পনা ও পরিধি নির্ধারণ করবেন।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরান যদি তার পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ অপসারণ এবং কঠোর আন্তর্জাতিক তদারকি মেনে নেয়, তাহলে দেশটি এই পুনর্গঠন তহবিলের সুবিধা পেতে পারে।

সূত্রের মতে, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে তহবিলটি কিভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

 

নিজের সন্তানকে নির্মমভাবে কেন খুন করলেন এই মা? | কালের কণ্ঠ