kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৩ জানুয়ারি ২০২০। ৯ মাঘ ১৪২৬। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১          

'গুলি চালানোর নির্দেশ দিন'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ১৩:২২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



'গুলি চালানোর নির্দেশ দিন'

বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে ভারতের কয়েকটি রাজ্যে তুমুল বিক্ষোভ চলছে। আসাম, ত্রিপুরা রাজ্য এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যেও বিক্ষোভ চলছে। পশ্চিমবঙ্গে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারীরা। এদিকে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। আন্দোলন বন্ধ করতে তিনি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন। 

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে  গত দুদিনে বিক্ষোভ চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। চলন্ত ট্রেন লক্ষ্য করে এলাপাথাড়ি পাথর ছোড়ার পাশাপাশি একাধিক স্টেশনে ব্যাপক ভাঙচুর, রাস্তা অবরোধের সঙ্গে বাস এবং গাড়িতে আগুন লাগানোর ঘটনাও ঘটছে। 

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের এমন পরিস্থিতিতে এবার বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

তিনি জানিয়েছেন, বিক্ষোভের নামে বাসে আগুন ধরানো, ট্রেনে পাথর ছোড়া এবং সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা একেবারেই বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। 

এ বিষয়ে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার মন্তব্য, যে অশান্তির ঘটনা ঘটছে তাতে বিজেপির বসে বসে প্রচার হবে। অনুকূলে হাওয়া আসবে। কিন্তু এভাবে আমরা রাজনৈতিক ফায়দা চাই না। 

 তিনি বলেন, যে ঘটনা ঘটছে তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী কড়া বিবৃতি দিন। মুখ্যমন্ত্রী এই আন্দোলন বন্ধ করার জন্য দেখামাত্র গুলির আদেশ দিন।

রাজ্য সরকার পরিস্থিতি সামলাতে না পারলে পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। 

তিনি বলেন, আমরা নির্বাচিত সরকারকে ফেলতে চাই না। কিন্তু এই অগ্নিগর্ভ অবস্থা যদি আর কয়েকদিন চলে, তবে রাষ্ট্রপতি শাসন ছাড়া উপায় নেই। ২০২০ শুরুতেই বিদায় নিতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। 

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে শুক্রবার থেকেই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবাদ শুরু হয়। শনিবারও পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার বদলে আরও খারাপ হতে থাকে। বিক্ষোভের জেরে শিয়ালদহ-হাসনাবাদ শাখায় ভোর থেকেই ট্রেন চলাচল বন্ধ। লক্ষ্মীকান্তপুর-নামখানা শাখায় রেলের ওভারহেড তারে বিক্ষোভকারীরা কলাপাতা ফেলে রাখে বলে অভিযোগ। মালদহ-বীরভূম-সহ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে খাস কলকাতাতেও। নিউটাউনের একাধিক জায়গায় পথ অবরোধ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর কুশপুতুলও পোড়ান বিক্ষোভকারীরা।

এদিকে, এই অবস্থার প্রতিবাদে পাল্টা মিছিলের ডাক দিয়েছে বিজেপি। আগামী ২৩ ডিসেম্বর শান্তি মিছিলের ডাক দিয়েছে গেরুয়া শিবির। 

বিজেপির পক্ষ থেকে এক আবেদন বার্তায় বলা হয়েছে, আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োজনে প্রয়োগ করুন। তবে শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করুন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা