• ই-পেপার

এবার ড্রোন ও মন্ত্রণালয়ে অফিস চান কম্পিউটার বাবা!

মোজতবা খামেনির সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক
মোজতবা খামেনির সঙ্গে দেখা করতে চান ট্রাম্প
সংগৃহীত ছবি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছা পোষণ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

তিনি বলেছেন, মোজতবা খামেনি চলমান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনায় সরাসরি যুক্ত আছেন। উভয় পক্ষের মধ্যে সম্পর্ক ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। 

বুধবার পড ফোর্স ওয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, দুই নেতার মধ্যে বেশ ভালো বোঝাপড়া হচ্ছে।

সাক্ষাৎকারে খামেনির প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি অবশ্যই আলোচনায় জড়িত আছেন। আমার মনে হয় সবাই তার প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধাশীল।’ 

পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ভবিষ্যতে খামেনির সঙ্গে তার সরাসরি সাক্ষাৎও হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘সবকিছু কিভাবে এগোয় তার ওপর নির্ভর করবে, তবে কোনো একসময় আমাদের দেখা হতে পারে।’

ইরানের পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইরান ইতিমধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র না রাখতে সম্মত হয়েছে এবং এটি একটি বড় বিষয়। আমরা তাদের পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দিতে পারি না। ভবিষ্যতে তারা মত পরিবর্তন করতে পারে, কিন্তু আলোচনার ক্ষেত্রে এটিই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে আলোচনা দ্রুত এগোচ্ছে এবং পরিস্থিতি ইতিবাচক দিকে যাচ্ছে। দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে আলোচনা। খুব ভালো কিছু ঘটতে যাচ্ছে। অনেক ইতিবাচক বিষয় সামনে আসবে।

হরমুজ প্রণালি অবরোধের সম্ভাবনা দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না— এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘এটা হতে পারে, কিন্তু আমি মনে করি সম্ভাবনা কম। আমার ধারণা, বিষয়টির সমাধান খুব দ্রুত হয়ে যাবে।’

ট্রাম্পের দাবি

পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগে সম্মত ইরান

অনলাইন ডেস্ক
পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগে সম্মত ইরান
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান ইতোমধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জন না করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানায় বার্তা সংস্থা আলজাজিরা

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে দিতে পারি না। দেশটি ইতোমধ্যেই সম্মত হয়েছে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র রাখবে না।’

ইরানে সামরিক দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্র ‘অত্যন্ত বড় সাফল্য’ অর্জন করছে দাবি করে ট্রাম্প বলেন, ‘তেহরান কোনোভাবেই সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। তার ভাষায়, ‘ইরানের কোনো নৌবাহিনী নেই, কোনো বিমানবাহিনী নেই। তাদের খুব কম সেনা রয়েছে। তাদের কোনো নেতৃত্বও নেই। তাদের অর্থনীতি ধসে পড়ছে।’

তিনি আরো দাবি করেন, ইরানে মূল্যস্ফীতির হার ২৫০ শতাংশে পৌঁছেছে এবং দেশটি নানা ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে।

হরমুজ প্রণালি অবরোধের সম্ভাবনা দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না— এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘এটা হতে পারে, কিন্তু আমি মনে করি সম্ভাবনা কম। আমার ধারণা, বিষয়টির সমাধান খুব দ্রুত হয়ে যাবে।’
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত প্রসঙ্গে সাক্ষাৎকারে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ভূমিকা সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে জানিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি অবশ্যই জড়িত। বলা হচ্ছে, তিনি অনুমোদন দিচ্ছেন, কারণ দীর্ঘদিন ধরেই এভাবেই বিষয়গুলো পরিচালিত হয়ে আসছে।’

নতুন নেতার সঙ্গে ভবিষ্যতে সাক্ষাতের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘সব কিছু কিভাবে এগোয় তার ওপর নির্ভর করবে, তবে কোনো একসময় আমাদের সাক্ষাৎ হতে পারে।’

তবে ট্রাম্পের এই দাবির বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে যেকোনো সমঝোতা বা চুক্তির বাস্তবতা নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ আলোচনার অগ্রগতি এবং উভয় পক্ষের আনুষ্ঠানিক অবস্থানের ওপর।

কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানি হামলায় ভারতীয় নাগরিক নিহত

অনলাইন ডেস্ক
কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানি হামলায় ভারতীয় নাগরিক নিহত
সংগৃহীত ছবি

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক ভারতীয় নাগরিক নিহত হয়েছেন। একই হামলায় অন্তত ৬৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

বুধবার কুয়েতে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে

বার্তা সংস্থা আলজাজিরা জানায়, বুধবার ভোরে চালানো এই হামলায় বিমানবন্দরের একটি টার্মিনাল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং কয়েকটি কূটনৈতিক মিশনও ক্ষতির মুখে পড়ে। বিমানবন্দরের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।

হামলার পরপরই জরুরি সেবা ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। এদিকে কুয়েতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, আহত ৬৩ জনের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ৭ জনকে জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়েছে। 

কুয়েতি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বিমানবন্দর কর্মী ও যাত্রীসহ আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। হামলায় বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা এবং কয়েকটি কূটনৈতিক মিশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘটনার পর নিরাপত্তার স্বার্থে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাময়িকভাবে সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়।

পরবর্তীতে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন ও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পর টার্মিনাল-৪ থেকে কুয়েত এয়ারওয়েজের ফ্লাইট কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে।

কুয়েত সরকার হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক রীতিনীতির পরিপন্থী। তবে হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ডি কে শিবকুমার

অনলাইন ডেস্ক
কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ডি কে শিবকুমার

কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন ডি কে শিবকুমার। বুধবার (৩ জুন) কর্ণাটকের লোকভবনের গ্লাস হাউস হলে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন জি পরমেশ্বর।

নিউজবাংলা আঠেরো টেলিভিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী শিবকুমারের সঙ্গেই শপথ গ্রহণ করেন মন্ত্রিসভার ১৩ সদস্য। সেই দলে রয়েছেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়ার পুত্র যথীন্দ্র সিদ্ধারামাইয়া। 

নতুন মন্ত্রিসভায় আরো স্থান পেয়েছেন ইউ টি খাদার, এম বি পাটিল, কে জে জর্জ, কে এইচ মুনিয়াপ্পা, সতীশ জারকিহোলি, রামালিঙ্গা রেড্ডি, কৃষ্ণা বাইরেগৌড়া, প্রিয়াঙ্ক খাড়গে, ঈশ্বর খাণ্ড্রে, বাইরাথি সুরেশ এবং শরণ প্রকাশ পাটিল। রাজ্যসভার নির্বাচন শেষে মন্ত্রিসভার আরো সম্প্রসারণ হতে পারে বলে জানা গেছে।

তবে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত বাজানোকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অনুষ্ঠান সঞ্চালক ‘বন্দে মাতরম’ বাজানোর ঘোষণা করার পর হঠাৎ করেই কর্ণাটকের রাজ্য সংগীত বাজতে শুরু করে। ভুল ধরা পড়তেই কর্মকর্তারা মাঝপথে সেই সংগীত বন্ধ করে দেন এবং পরে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী ‘বন্দে মাতরম’ পরিবেশন করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে কানাঘুষা।