• ই-পেপার

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সহজ লক্ষ্যে জয় হাতছাড়া বাংলাদেশের

৩ মাসেই চূড়া এবং খাদ দেখলেন স্যামসন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
৩ মাসেই চূড়া এবং খাদ দেখলেন স্যামসন
সংগৃহীত ছবি

জীবনটা আসলেই বড্ড নিষ্ঠুর। এ যেন চিকন রশির ওপর হেঁটে যাওয়া। একপাশে আনন্দ তো অন্য পাশে বেদনা, এক পাশে সাফল্য তো অন্য পাশে ব্যর্থতা। জীবন একবার এপাশে তো একটু পরে অন্য পাশে হেলে পড়ে। সেলিব্রেটি, বিশেষ করে যারা খেলাধুলা করেন, তাদের জন্য এ সত্যিটা অনেক বেশি নিষ্ঠুর। 

ধরুন, কোনো ফাইনাল ম্যাচে টাইব্রেকারের শেষ শটটি নিচ্ছেন আপনি। গোল করতে পারলে আপনি হিরো, সবাই আপনাকে মাথায় তুলে নাচবে। সেই একই শট যদি কপালগুনে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ঠেকিয়ে দেয়, আপনি হয়ে যাবেন ভিলেন, সেই গোলরক্ষক হিরো। এ যেন পিলো পাসিং খেলা। বা ক্রিকেটের শেষ বলে ৫ রান লাগবে। আপনি ছক্কা মেরে জিতিয়ে দিলেন। আপনি হিরো। সেই একই শট যদি সীমানার কাছে দুর্দান্ত ক্যাচে পরিণত হয়, আপনি কিন্তু ভিলেন। আপনার চেষ্টা কিন্তু একই রকম ছিল। পার্থক্যটা অতি সামান্য। রশির ওপর দিয়ে হাঁটার মতো। কখনো এপাশে তো কখনো ওপাশে।

এবারের ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো মাঠে ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। ব্যস সবাই তার ক্যারিয়ারের এপিটাফ লিখতে বসে গেলেন। রোনালদো যে জীবনে প্রায় হাজার গোল করে দুই যুগ আপনাকে আনন্দ দিল, আপনি ভুলেই গেলেন। আবার পরের ম্যাচে যখন রোনালদো দারুণভাবে ফিরে এলেন, গোল করলেন, দলকে জেতালেন; সবাই অবাক হয়ে ভাবেন, ৪১ বছর বয়সেও এত ক্ষিপ্রতা আসে কীভাবে?

আপনি যতই ভালো খেলোয়াড়ই হোন না কেন, কখনো কখনো ভাগ্যের একটু সহায়তা লাগে। আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি এখন সর্বকালের সেরাদের একজন। অথচ ২০১৬ সালে কোপা আমেরিকার ফাইনালে চিলির কাছে টাইব্রেকারে হারের পর অবসরই ঘোষণা করেছিলেন মেসি। চারটি বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেও শিরোপা জিততে না পারার গ্লানি তাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছিল। তখনও মেসি জাতীয় দলের জার্সির ভার বহন করতে না পারা নিছক এক ক্লাব খেলোয়াড়। ভাবুন একবার, দুই মাস পর যদি অবসর ভেঙে ফিরে না আসতেন, বিশ্ব কি পেতো এমন এক সর্বজয়া ফুটবলারের দেখা। মেসি নয়, ফুটবল বিশ্বের কপাল ভালো যে তিনি ফিরে এসেছিলেন।

শৈল্পিক প্রতিভা নিয়ে ফুটবলে এসেছিলেন ব্রাজিলের নেইমার। কিন্তু বারবার ইনজুরি তার প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ ঘটতে দেয়নি। এবার বিশ্বকাপে এলেও বেশিরভাগ সময় কেটেছে বেঞ্চে বসেই। নরওয়ের বিপক্ষে ৭০ মিনিট পর মাঠে নেমেও দলের বিদায় ঠেকাতে পারেননি। হেক্সা মিশনের অকাল পরিসমাপ্তির পর মাঠে নেইমারের কান্না ছুঁয়ে গেছে অনেককেই। কিন্তু আপনি দলকে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা এনে দিতে পারেননি মানেই আপনি ব্যর্থ। ইতিহাসের কাছে আপনার কান্নার কোনো মূল্য নেই।

মানুষ বড় নিষ্ঠুর। মুহূর্তের ব্যর্থতায় ভুলে যায় আগের সব অর্জন। এমনকি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি করা টেন্ডুলকারের নামও ব্যঙ্গ করে এনডুলকার লেখা হয়েছিল।

পেন্ডুলামের মত সাফল্য-ব্যর্থতায় ঝুলতে থাকা জীবন দেখার সর্বশেষ উদাহরন ভারতের টি-২০ ফরম্যাটের ওপেনিং ব্যাটসমান সঞ্জু স্যামসন। বিস্তারিত লেখার আগে স্যামসনের সবশেষ ৬টি টি-২০ ইনিংস দেখে আসি চলুন। ৫০ বলে অপরাজিত ৯৭, ৪২ বলে ৮৯, ৪৬ বলে ৮৯, ৪ বলে ৫, ১ বলে ০ এবং ৭ বলে এক রান। প্রথম তিনটি ইনিংস টি-২০ বিশ্বকাপের শেষ তিন ম্যাচে টানা। তৃতীয়টি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতকে ফাইনাল জেতানো। টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যান অব দ্যা টুর্নামেন্টের কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। টি-২০ বিশ্বকাপ জেতার পর ভারতের প্রথম সফর ছিল আয়ারল্যান্ড আর ইংল্যান্ড। 

সঞ্জু স্যামসনের পরের তিনটি ইনিংস আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই সিরিজের এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম মাচের। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে সঞ্জু স্যামসন দেখে ফেললেন সাফল্যের চূড়া এবং ব্যর্থতার অতল খাদ। অমন একটি বিশ্বকাপ কাটিয়ে আসার পর মাত্র তিন ইনিংসের ব্যর্থতাই তাকে দলের বাইরে নিয়ে যেতে পারে, এটা বোধহয় ভাবেননি বেচারা স্যামসন। 

আসলে স্যামসন কেন, তার ঘোরতর শত্রুও এতটা অভিশাপ দেয়নি নিশ্চয়ই। কিন্তু স্যামসনের কপাল খারাপ, তার ঘাড়ে যে নিঃশ্বাস ফেলছিল বৈভব সূর্যবংশী নামের এক বিস্ময়বালক। আইপিএলএ ২৩৭ স্ট্রাইক রেটে ৭৭৬ রান করা বৈভবকে বাইরে বসিয়ে রেখেও সমালোচনার ঝড় সামলাতে হচ্ছিল টিম ম্যানেজমেন্টকে। বৈভবকে দলে নিতে হলে তো কাউকে না কাউকে তো বাদ দিতে হতো। কাকে বাদ দেবেন? উভয়সঙ্কট বুঝি একেই বলে। 

সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে যিনি ওপেন করেন, সেই অভিষেক শর্মা এখন টি-২০ র‌্যাঙ্কিংএ ২ নাম্বার। আর আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সিরিজেও তার ব্যাটে রানের জোয়ার। তাই মাত্র তিন ম্যাচের ব্যর্থতায় বৈভবের জন্য জায়গা ছাড়তে হয়েছে স্যামসনকেই। তাকে বাদ দেয়াটা ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের জন্যও খুব কঠিন ছিল। সেই ম্যাচের আগে কোচ গৌতম গম্ভীরকে দীর্ঘসময় স্যামসনের সাথে কথা বলতে দেখা গেছে। নিশ্চয়ই তিনি দলের অন্যতম সেরা পারফরমারকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন। কিন্তু কোনো মুখের কথায় কি এ বেদনার ক্ষতে প্রলেপ পরবে?

বৈভবের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে কারো কোনো সংশয় নেই। কিন্তু স্যামসনের বাদ পড়াটা অবাক করেছে অনেককেই। স্যামসনের বাদ পড়ার খবরটি বিশ্বাসই করতে চাইছেন না সাবেক ব্যাটসম্যান সঞ্জয় মাঞ্জরেকার। বৈভবকে দলে দেখে তিনি খুশি। কিন্তু অবাক স্যামসনের জায়গায় দেখে, ‘ভারতের জার্সিতে বৈভবকে দেখা খুবই আনন্দের। কিন্তু স্যামসনের কী হলো! ড্রপড? আপনি আমার সঙ্গে মজা করছেন? আমার মনে হয় এটা ইনজুরি। আশা করি ইনজুরি। নইলে এটা হবে সবচেয়ে অদ্ভূত নির্বাচন। বৈভবকে দলে চাইলে স্যামসনকে তিনে খেলানো যেতো।’ কিন্তু সমস্যা হলো তিনে যে ব্যাট করেন ঈশাণ কিষাণ, যিনি এখন র‍্যাংকিংয়ে এক নম্বর!

ভারতের আরেক সাবেক ব্যাটসম্যান আম্বতি রাঈডুর প্রতিক্রিয়াও একইরকম। নিজের এক্স একাউন্টে তিনি লিখেছেন, ‘আসুন সঞ্জু স্যামসনের কথা একটু ভাবি... বৈভবের অভিষেক দেখে খুবই আনন্দ হচ্ছে এবং এটি অবশ্যই উদযাপনের যোগ্য, তবে আসুন আমরা ভুলে না যাই যে মাত্র ৩টি ম্যাচ আগেই সঞ্জু বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় ছিলেন।’ জীবন আসলে এমনই। ক্রূর, নিষ্ঠুর, ক্ষমাহীন।

মেসিকে নিয়ে মিসরীয় কোচের খোঁচা

ক্রীড়া ডেস্ক
মেসিকে নিয়ে মিসরীয় কোচের খোঁচা
ছবি : ইন্টার মিয়ামি নিউজ হাব

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর নকআউট ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে মিশর। নকআউটের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে আলবেসিলেস্তদের একরকম খোঁচাই দিয়ে রাখল মিসর। লিওনেল মেসিকে নিয়ে একদমই ভাবছেন না বলে মন্তব্য করেছেন মিশরের সহকারী কোচ ইব্রাহিম হাসান। উল্টো নিজেদের দলে ‘২৬ জন মেসি’ আছে বলে হুংকার ছেড়েছেন তিনি।

মিসরীয় টেলিভিশন চ্যানেল ‘সাদা আল-বালাদ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাতীয় দলের সহকারী কোচ ইব্রাহিম হাসান বলেন, ‘তাদের (আর্জেন্টিনা) মেসি থাকতে পারে, কিন্তু আমাদের মোহামেদ সালাহ আছে। আর আমাদের স্কোয়াডে আরো ২৬ জন মেসি আছে। আশা করি, আল্লাহ্‌ আমাদের পুরস্কৃত করবেন।’

আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে নিয়ে বাড়তি মাতামাতি না করার জন্য খেলোয়াড়দের পরামর্শ দিয়েছেন এই সহকারী কোচ। তিনি বলেন, ‘আমরা মেসিকে দেখছি না। আমরা খেলোয়াড়দের বলেছি মাঠে নেমে প্রতিপক্ষের দিকে মনোযোগ না দিয়ে নিজেদের খেলাটা খেলতে।’

মেসিকে আটকানোর কোনো বিশেষ পরিকল্পনা আছে কি না; এমন প্রশ্নের জবাবে ইব্রাহিম হাসান সাফ জানিয়ে দেন, ‘মেসির বিপক্ষে খেলা? আমরা এটা নিয়ে ভাবছিই না। আমাদের পুরো মনোযোগ মিসর দলের ওপর। প্রতিপক্ষ মেসি হোক বা অন্য কেউ, আমরা প্রতিটি ম্যাচে লড়াই করতে মাঠে নামি আমাদের সালাহ আছে এবং সেই সঙ্গে একঝাঁক বিশ্বমানের খেলোয়াড় রয়েছে।’

চলতি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বের বাধা পেরিয়ে ৩২ দলের রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে শেষ ১৬-তে জায়গা করে নিয়েছে ফারাওরা। দলের এই পারফরম্যান্স নিয়ে হাসান বলেন, ‘প্রথম দিন থেকেই আমরা খেলোয়াড়দের বলেছি, আমরা এখানে শুধু অংশগ্রহণ করতে আসিনি। টুর্নামেন্টের যতদূর সম্ভব এগিয়ে যাওয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।’

হতাশায় আত্মহননের চেষ্টা নারী ক্রিকেটারের

ক্রীড়া ডেস্ক
হতাশায় আত্মহননের চেষ্টা নারী ক্রিকেটারের
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ক্যাম্পে জায়গা না পাওয়ার হতাশা থেকে আত্মহননের চেষ্টা করেছেন অলরাউন্ডার ইশমা তানজিম। গত শুক্রবার এই ঘটনার পর তিন দিন আইসিইউতে ছিলেন তিনি।

রবিবার (৫ জুলাই) জ্ঞান ফেরার পর হাসপাতাল থেকেই সময় নিউজকে দিয়েছেন সাক্ষাৎকার তিনি।

ইশমার দাবি, পুরোপুরি ফিট থাকা সত্ত্বেও ইনজুরির অজুহাত দেখিয়ে তাকে সব শেষ ক্যাম্প থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘পারফর্ম করেও যদি দলে সুযোগ না পাই, তাহলে আমি কেন খেলব ‘ ২০২৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের সময়ও একই রকম অন্যায়ের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আত্মহত্যা করতে যাওয়ার ব্যাখ্যায় ইশমা যোগ করেন, ‘বলে না, মানুষ কেন এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেয়—ছেলেরা মেয়ের জন্য মরে, মেয়েরা ছেলের জন্য। ভালোবাসে বলেই মরে। আমি ক্রিকেটকে ভালোবেসে মরতে গিয়েছিলাম। আর নিতে পারছিলাম না।’

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ, দলের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

কোচ, ট্রেনার, ফিজিও ও ম্যানেজমেন্টের একে অপরের ওপর দোষ চাপানোর প্রসঙ্গ টেনে ইশমা বলেন, ‘আমার ব্যাটিংয়ের কেউ ভুল ধরে না, শুধু আমাকে একটাই কথা বলা হয়।’

ধানমণ্ডিতে জন্ম নেওয়া এবং ‘বার্গার খাওয়া’ নিয়ে বারবার খোঁটা দেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।

২৯ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডারের ২০২৪ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়। এরপর ২০২৫ সালের এপ্রিলে পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক ঘটে তার।

ওই টুর্নামেন্টেই আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২ ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১৪ রান করেন তিনি, যা এখন পর্যন্ত তার সর্বশেষ ওয়ানডে ম্যাচ।

জয় উদযাপন করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনলেন ইংলিশ তারকা

ক্রীড়া ডেস্ক
জয় উদযাপন করতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনলেন ইংলিশ তারকা
ছবি : রয়টার্স

ইংল্যান্ডের জয়ের উৎসব পণ্ড করে দিলেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার জর্ডান হেন্ডারসন। আজতেকা স্টেডিয়ামে টান টান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে মেক্সিকো হারিয়ে বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড। ম্যাচ শেষে উল্লাস করার সময় আহত হন এই ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার।। তাঁকে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাকে। ৩৬ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় কব্জিতে গুরুতর চোট পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন দলটির কোচ টমাস টুখেল।

মেক্সিকোকে হারিয়ে এক দিকের গোলপোস্টের পিছনে ইংল্যান্ডের সমর্থকদের সামনে উল্লাস করছিলেন হ্যারি কেইনরা। গান গাইছিলেন খেলোয়াড়েরা। এরমাঝে উল্লাসের মাঝে মাঠের ধারের বোর্ড টপকাতে গিয়ে পা পিছলে পড়েন হেন্ডারসন। বাজে ভাবে পড়েন তিনি।

সতীর্থকে পড়ে যেতে দেখে ইংল্যান্ডের ফুটবলারেরা ছুটে যান। সকলে গোল করে ঘিরে রাখেন তাঁকে। ফিজিয়ো কিছুক্ষণ সেখানে হেন্ডারসনের চোট খতিয়ে দেখে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তার পরেই দেখা যায়, স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে তাঁকে। এতে কোচ টমাস টুখেলকে বেশ চিন্তিত দেখায়।

পরে সাংবাদিকদের সামনে হেন্ডারসনের চোট নিয়ে টুখেল বলেন, ‘ও পড়ে গিয়ে চোট পেয়েছে। ওর কব্জিতে লেগেছে।’ তবে হেন্ডারসনের চোট কতটা গুরুতর তা বলেননি কোচ।

ইংল্যান্ডের এই দলে হেন্ডারসন অভিজ্ঞ ফুটবলারদের মধ্যে এক জন। তিনি সাধারণত প্রথম একাদশে থাকেন না। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিতে তাঁর উপর ভরসা করেন টুখেল। মেক্সিকো ম্যাচ যদি অতিরিক্ত সময়ে গড়াত, তা হলে হয়তো হেন্ডারসনকে নামাতেন তিনি। কিন্তু তার প্রয়োজন পড়েনি।