• ই-পেপার

সালাহর যে রেকর্ডে ভাগ বসালেন মরক্কোর স্ট্রাইকার

চোটে মাঠ ছাড়লেন রাফিনিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক
চোটে মাঠ ছাড়লেন রাফিনিয়া
ছবি : রয়টার্স

বিরতি যাওয়ার আগে দুঃসংবাদ শুনেছে ব্রাজিল। পায়ের চোটে মাঠ ছেড়েছেন রাফিনিয়া। তার বদলে মাঠে নেমেছেন উদীয়মান তারকা রায়ান।

এর আগে ম্যাচ শুরুর ১২ মিনিটে জালের দেখা পেয়েছিল ব্রাজিল। তবে অফসাইডের কারণে বাতিল হয় রাফিনিয়ার গোলটি। 

এরপর ২২ মিনিটে আরেকটি দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিলেন রাফিনিয়া। তবে গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড। অবশ্য শটটি নেওয়ার আগে অফসাইডে ছিলেন তিনি।

এরপর চোটের কারণে মাঠ ছেড়ে উঠে যেতে দেখা যায় তাকে। তবে রাফিনিয়ার চোট কতটা গুরুতর তা তাৎক্ষনিকভাবে জানা যায়নি।
 

স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম জয় মরক্কোর

ক্রীড়া ডেস্ক
স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম জয় মরক্কোর
ম্যাচ জয়ের পর হাকিমির উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

সময় ফুরিয়ে আসছিল স্কটল্যান্ডের। সমতায় ফিরতে মরিয়া হওয়া স্কটিশরা তাই আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দিল। তবে চেষ্টা পর্যন্তই। ম্যাচে আর ফেরা হয়নি তাদের। 

এতে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখল স্কটল্যান্ড। জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করলেও দ্বিতীয় ম্যাচেই হার দেখল তারা। পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে মরক্কোর কাছে। ১-০ গোলের জয়টি বিশ্বকাপে মরক্কোর প্রথম। 

মরক্কোর জয়সূচক গোলটি এসেছে ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে। অর্থাৎ, বোস্টন স্টেডিয়ামে হয়তো তখনো অনেক দর্শক নিজেদের আসনে ঠিকমতো বসতেই পারেননি। এমন সময়েই দেখলেন মরক্কোর গোল উদযাপন।

সেকেন্ডের হিসেবে ৬৯ সেকেন্ডে মরক্কোর জয়সূচক গোলটি করেছেন ইসমায়েল সাইবারি। সতীর্থ ব্রাহিম দিয়াজের পাস থেকে বুলেট গতির শটে। তাতে এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের মালিক বনে যান ২৫ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। অন্যদিকে মোহাম্মদ সালাহর পর দ্বিতীয় আফ্রিকান ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম দুই ম্যাচে গোল করার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

সাইবারির আগে এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের মালিক ছিলেন মাইকেল সাদিলেক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গোলটি করেছিলেন চেক প্রজাতন্ত্রের মিডফিল্ডার।

তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের মালিক হাকান শুকুর। ২০০২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ১১ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন তুরস্কের স্ট্রাইকার।

৫০ মিনিটে আরেকটি গোল পেতে পারতেন সাইবারি। তবে তার শট ডিফ্লেকশন হয়ে বারে লাগায় তা আর পাওয়া হয়নি। সেই কর্নারে লিড বাড়ানোর আবার সুযোগ পেয়েছিল মরক্কো। তবে এবার তাদের হতাশ করেন স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষক। বিপরীতে শেষ দিকে একের পর এক আক্রমণ করেও ম্যাচে সমতায় ফিরতে পারেনি স্কটল্যান্ড।

দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে ব্রাজিল

ক্রীড়া ডেস্ক
দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে ব্রাজিল
হাইতির বিপক্ষে মাঠে নামার আগে সতীর্থর সঙ্গে ভিনিসিয়ুস। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপের শুরুটা ভালো হয়নি ব্রাজিলের। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। নকআউটে যেতে হলে তাই জয়ে ফিরতে হবে তাদের।

সেই লক্ষ্যে আজ হাইতির বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল। ফিলাডেলফিয়া আজ দুই পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে সেলেসাওরা। মরক্কোর বিপক্ষে খেলা রজার ইবানেজ ও ইগোর থিয়াগোকে বেঞ্চে রেখেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। দুজনের পরিবর্তে দলে জায়গা পেয়েছেন মাতেউস কুনিয়া ও দানিলো। 

হাইতির বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশ-
আলিসন (গোলরক্ষক), দানিলো, মার্কিনিওস, গ্যাব্রিয়েল মাগালাইস, ডগলাস সান্তোস, কাসেমিরো, ব্রুনো গিমারেইস ও লুকাস পাকেতা, রাফিনিয়া, মাতেউস কুনিয়া ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল মরক্কোর

ক্রীড়া ডেস্ক
এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল মরক্কোর
এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল করার সময় সাইবারির শট। ছবি : রয়টার্স

নিজ আসনে হয়তো তখনো অনেকে বসতে পারেননি। কিন্তু এর মধ্যেই দেখলেন মরক্কোর গোল উদযাপন। অথচ, বোস্টনে তখন সবে দ্বিতীয় মিনিটের খেলা চলছিল।

সেকেন্ডের হিসেবে তখন ৬৯ সেকেন্ড। যা এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল। দ্রুততম গোলের নায়ক হচ্ছেন ইসমাইল সাইবারি। সতীর্থ ব্রাহিম দিয়াজের পাস থেকে বুলেট গতির শটে স্কটল্যান্ডের জাল খুঁজে নেন মরক্কোর ফরোয়ার্ড।

এর আগে এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের মালিক ছিলেন মাইকেল সাদিলেক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গোলটি করেছিলেন চেক প্রজাতন্ত্রের মিডফিল্ডার।

তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের মালিক হাকান শুকুর। ২০০২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ১১ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন তুরস্কের স্ট্রাইকার।