kalerkantho

রবিবার । ৪ ডিসেম্বর ২০২২ । ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

স্বল্প পুঁজি নিয়েও জয়, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মেয়েরা

অনলাইন ডেস্ক   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ১০:৩২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



স্বল্প পুঁজি নিয়েও জয়, বিশ্বকাপে বাংলাদেশের মেয়েরা

আসর শুরুর আগে কভিড পজিটিভ হয়ে ছিটকে পড়েছিলেন ফারজানা হক। রুমবন্দি হয়ে যাওয়া ওপেনার নেগেটিভ হয়ে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল দিয়েই ফিরলেন। ফিরে অবশ্য বড় কিছু করতে পারলেন না। আবুধাবির শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে দলের অন্য ব্যাটাররাও বড় কোনো ইনিংস খেলতে পারলেন না।

বিজ্ঞাপন

তবে ৫ উইকেটে ১১৩ রানের স্বল্প পুঁজি নিয়েও আগামী ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠেয় নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করতে সমস্যা হলো না বাংলাদেশের। কারণে বোলাররা এমন নিয়ন্ত্রিত বোলিং করলেন যে থাইল্যান্ডও ঠিক কুলিয়ে উঠল না। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারানো প্রতিপক্ষকে ১০২ রানে থামিয়ে নিগার সুলতানার দল বিশ্বকাপে গেল ১১ রানের জয়ে। এর আগে অন্য সেমিফাইনালে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৪ রানে হারিয়ে বিশ্বকাপযাত্রায় বাংলাদেশের সঙ্গী হয়েছে আয়ারল্যান্ডও। বাছাইপর্ব থেকে মূল পর্বের টিকিট তো পাওয়ার কথা ছিল দুই ফাইনালিস্টেরই।

শামীমা সুলতানার জায়গায় সেমিফাইনালে মুর্শিদা খাতুনের ওপেনিং সঙ্গী হিসেবে পাওয়ার প্লে অবশ্য নিরাপদেই পার করে দিয়েছিলেন ফারজানা (১৭ বলে ১১)। তবে ৩৪ রানের ওপেনিং জুটি ভাঙে তাঁর বিদায়েই। রান তোলার গতি বাড়াতে পারেননি মুর্শিদা (৩৫ বলে ২৬) এবং এই আসরে ব্যাট হাতে দারুণ ধারাবাহিক নিগারও (২৪ বলে ১৭)। চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে সোবহানা মুশতারিও (১০ বলে ৬) দলকে ৮১ রানে রেখে বিদায় নেওয়ার পর পঞ্চম উইকেটে রুমানা আহমেদ (২৪ বলে এক ছক্কা ও দুই চারে ২৮*) ও রীতুমনির (১০ বলে ৩ চারে ১৭) ১৮ বলে ৩২ রানের জুটিতে এক শ পেরোয় বাংলাদেশ। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন রীতু।    

পুঁজি যখন বেশি নয়, তখন প্রতিপক্ষকে শুরুর আঘাতে ছিন্নভিন্ন করার কাজটি করেছেন বাঁহাতি স্পিনার সানজিদা আক্তার মেঘলা (৪ ওভারে একটি মেডেনসহ ৭ রান খরচায় ২ উইকেট), তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন অফস্পিনার সালমা খাতুনও (৪ ওভারে ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট)। তাঁদের বোলিংয়েই ১৩ রানে ৩ উইকেট হারায় থাইল্যান্ড। ৪৫ রানে আরেক বাঁহাতি স্পিনার নাহিদা আক্তার চতুর্থ উইকেট তুলে নেওয়ার সময় পেরিয়ে গেছে ১৩ ওভার। সেখান থেকে ৫১ বলে ৬৪ রানের ইনিংসে দলকে তবু লড়াইয়ে রাখেন ম্যাচ সেরা নাথাকান চ্যান্থাম। ইনিংসের শেষ দুই বলে এই ব্যাটারসহ জোড়া শিকার ধরে দলের সেরা বোলার বনে যান সালমা।



সাতদিনের সেরা