• ই-পেপার

শেবাগের খোঁচা খেয়েও রাগ করলেন না শোয়েব

ব্যালন ডি’অর নিয়ে বড় সুখবর পেলেন মেসি

ব্যালন ডি’অর নিয়ে বড় সুখবর পেলেন মেসি
ছবি : রয়টার্স

২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের মহারণের আগে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির জন্য এলো বড়সড় এক সুখবর। ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, বিশ্বের সেরা ফুটবলারের এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিততে হলে ইউরোপের কোনো ক্লাবে খেলার বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে মার্কিন ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে খেললেও নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে মেসির সম্ভাবনা পুরোপুরি অক্ষুণ্ন রয়েছে। 

বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞ শেষ হতে বাকি আর মাত্র দুটি ম্যাচ। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের পর রবিবারের হাইভোল্টেজ ফাইনালে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। মাঠের এই উত্তাপের মধ্যেই ব্যালন ডি’অর নিয়ে আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ঠিক এমন সময়ই আয়োজক কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে পুরস্কারটি নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে প্রচলিত একটি পুরোনো ধারণা পরিষ্কার করেছে।

ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, শুরুতে ব্যালন ডি’অর শুধু ইউরোপীয় লিগে খেলা ইউরোপীয় ফুটবলারদেরই দেওয়া হতো। ১৯৯৫ সালে পুরস্কারটি আন্তর্জাতিক করা হলেও তখনও ইউরোপের কোনো ক্লাবে খেলার শর্ত বহাল ছিল। তবে ২০০৭ সাল থেকে সেই নিয়ম পুরোপুরি তুলে দেওয়া হয়। এরপর থেকে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে খেলা সেরা ফুটবলারকেই এই পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে।

ব্যালন ডি’অর কর্তৃপক্ষ তাদের বিবৃতিতে জানায়, ‘ইউরোপের বাইরে খেলে কোনো ফুটবলারের ব্যালন ডি’অর জেতা বাস্তবসম্মত কি না, তা বোঝার জন্য আমরা গত ১৮টি আসর বিশ্লেষণ করেছি। ২০০৭ সালে কাকা, ২০০৮ সালে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং ২০০৯ সালে লিওনেল মেসি—তিনজনই সে বছর উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিলেন, যেটিকে ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতা হিসেবে ধরা হয়। লুকা মদরিচ, করিম বেনজেমা, রদ্রি এবং উসমান দেম্বেলেও যখন ব্যালন ডি’অর জিতেছেন, তখন সবাই ইউরোপের ক্লাবেই খেলছিলেন।’

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, ইতিহাসের মাত্র একজন ফুটবলারই ইউরোপের বাইরে খেলার সময় ব্যালন ডি’অর জয়ের অনন্য কীর্তি গড়েছেন, তিনি হলেন লিওনেল মেসি। ২০২৩ সালের ৩০ অক্টোবর যখন ৬৭তম ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান হয়, আর্জেন্টাইন মহাতারকা তখন ইতোমধ্যেই ইন্টার মায়ামির জার্সি গায়ে জড়াচ্ছেন। এর মাধ্যমে আটবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী মেসিই প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে ইউরোপের বাইরের কোনো ক্লাবের প্রতিনিধিত্ব করে এই পুরস্কার জেতার ইতিহাস গড়েন। সবশেষে আয়োজকরা যোগ করেছে, ‘ব্যালন ডি’অরের ক্ষেত্রে কিছুই অসম্ভব নয়। প্রযুক্তিগতভাবে, বিশ্বের যেকোনো ফুটবলারই এই পুরস্কার জিততে পারেন।’

কর্তৃপক্ষের এই আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যার পর ফুটবল বিশ্বে নতুন করে আলোচনার তুঙ্গে উঠে এসেছেন মেসি। ৩৯ বছর বয়সী এই জাদুকর চলমান বিশ্বকাপে রয়েছেন দুর্দান্ত ছন্দে। আসরে এ পর্যন্ত সাত ম্যাচে করেছেন আটটি চোখধাঁধানো গোল, পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও চারটি গোল। তার জাদুকরী নেতৃত্বেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আলবিসেলেস্তেরা। এখন ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে জ্বলে উঠতে পারলেই নবম ব্যালন ডি’অর জয়ের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবেন আটবারের এই বিশ্বসেরা পুরস্কারজয়ী ফুটবলার। 
 

সাকিব-তাসকিনের দলের মালিক গ্রেপ্তার

ক্রীড়া ডেস্ক
সাকিব-তাসকিনের দলের মালিক গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) শুরুর ঠিক আগমুহূর্তে বড়সড় এক ধাক্কা খেল লঙ্কান ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট। ম্যাচ ফিক্সিং বা ম্যাচ পাতানোর মতো গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এলপিএল-এর দল জাফনা কিংসের অন্যতম মালিককে। শ্রীলঙ্কা পুলিশের ক্রীড়া বিষয়ক অপরাধ প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিশেষ তদন্ত বিভাগ (এসআইইউ) এই অভিযান চালিয়ে তাকে হেফাজতে নিয়েছে। 

পুলিশ নিশ্চিত করেছে, ২০২৬ লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগের জমকালো আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই এই গ্রেফতারের ঘটনা ঘটে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জাফনা কিংস ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিকদের একজন বলে জানা গেছে। ক্রীড়াঙ্গনে দুর্নীতি ও ম্যাচ পাতানোর চলমান একটি তদন্তের অংশ হিসেবেই তাকে আটক করা হয়।

ক্রীড়া ক্ষেত্রে দুর্নীতি দমনে শ্রীলঙ্কার আইন বিশ্বের অন্যতম কঠোর আইন হিসেবে পরিচিত। দেশটির ‘ক্রীড়া সংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধ আইন’-এর আওতায় ম্যাচ ফিক্সিং, স্পট ফিক্সিং কিংবা যেকোনো ধরনের অবৈধ কারসাজি করা শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ। এই আইনের অধীনে দোষী সাব্যস্ত হলে অপরাধীকে চড়া জরিমানা এবং দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে হয়।

তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটির বিষয়ে আরো গভীর তদন্ত চলছে এবং খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে। 

ফাইনাল জিতলে এবার ট্রফি-মেডেলের পাশাপাশি মিলবে ‘চ্যাম্পিয়নস রিং’

অনলাইন ডেস্ক
ফাইনাল জিতলে এবার ট্রফি-মেডেলের পাশাপাশি মিলবে ‘চ্যাম্পিয়নস রিং’

এবারের বিশ্বকাপ থেকে ট্রফি ও মেডেলের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন দল পাচ্ছে বিশেষ ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’। ফিফা প্রথমবারের মতো ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ঐতিহ্যবাহী আমেরিকান সংস্কৃতির প্রচলন করেছে। ট্রফি আর স্বর্ণপদকের পাশাপাশি এবার থেকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের প্রত্যেক সদস্য পাবেন পারসোনালাইজড বিশেষ ‘চ্যাম্পিয়নস রিং’ বা আংটি।

আগামী রবিবার আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার ফাইনালের বিজয়ীরাই প্রথম এ অনন্য উপহারের মালিক হবেন।

উত্তর আমেরিকার জনপ্রিয় খেলাধুলা। যেমন—এনবিএ, এনএফএল এবং এমএলবি চ্যাম্পিয়নদের আংটি দেওয়ার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। সেই আমেরিকান সংস্কৃতির আদলে অনুপ্রাণিত হয়ে এবার ফুটবল বিশ্বেও এই আভিজাত্য যুক্ত করছে ফিফা।

জানা গেছে, ট্রফি এবং পদক দেওয়ার পর বিজয়ীদের আঙুলেই পরিয়ে দেওয়া হবে এই বিশেষ রিং।

ফিফা জানিয়েছে, এই রিংয়ের মোট ২,০২৬টি ইউনিট তৈরি করা হবে। এর মধ্যে মাত্র ৩০টি আংটি পাবেন চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা। বাকি ১,৯৯৬টি আংটি অফিসিয়াল লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্য হিসেবে সারা বিশ্বের ফুটবল ভক্তরা কিনতে পারবেন। আংটির একদিকে থাকবে ফিফা বিশ্বকাপের ট্রফির নকশা এবং অন্য পাশে থাকবে বিজয়ী দলের লোগো। প্রতিটি আংটির সঙ্গে একটি সত্যতা যাচাইয়ের সনদ বা ‘সার্টিফিকেট অব অথেন্টিসিটি’ দেওয়া হবে।

ফাইনাল ম্যাচের পর অধিনায়ক ও কোচের হাতে প্রতীকী আংটি তুলে দেওয়া হবে, পরে কাস্টমাইজ করা মূল ৩০টি আংটি খেলোয়াড়দের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। আগামী রবিবার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা বনাম স্পেনের এই ফাইনাল ম্যাচটি এমনিতেই বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। কারণ, এই প্রথম দক্ষিণ আমেরিকার চ্যাম্পিয়ন (কোপা আমেরিকা) এবং ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন (ইউরো) কোনো বিশ্বকাপ ফাইনালে একে অপরের মুখোমুখি হচ্ছে।

‘লটারি জিতে’ মেসির সঙ্গে পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামালের সাক্ষাতের নেপথ্যের গল্প

ক্রীড়া ডেস্ক
‘লটারি জিতে’ মেসির সঙ্গে পাঁচ মাস বয়সী ইয়ামালের সাক্ষাতের নেপথ্যের গল্প

ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি। তারই সাবেক ক্লাব বার্সেলোনায় ডান প্রান্তে খেলা লামিনে ইয়ামালকে ধরা হচ্ছে আর্জেন্টাইন জাদুকরের যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে। তবে এবারই প্রথম মাঠের লড়াইয়ে একে অপরের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। আগামী রবিবার বিশ্বকাপের ফাইনালে শিরোপা নির্ধারণী মহারণে নামছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। 

মেসির বর্তমান বয়স ৩৯, আর ইয়ামালের মাত্র ১৯। একজনের অবিশ্বাস্য দীর্ঘ ক্যারিয়ার এবং অন্যজনের বিস্ময়কর প্রতিভার যুগলবন্দিতেই ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে একই ম্যাচে দেখা যাচ্ছে দুই প্রজন্মের দুই মহাতারকাকে। তবে ফুটবল বিশ্বের জন্য এটিই প্রথম হলেও, তাদের প্রথম দেখা হয়েছিল আরো ১৯ বছর আগে। ২০০৭ সালে ২০ বছর বয়সী মেসি যখন বার্সেলোনার মূল একাদশে নিজের জায়গা পাকা করছেন, লামিনে ইয়ামালের বয়স তখন মাত্র পাঁচ মাস।

বার্সেলোনার তৎকালীন মাঠ ক্যাম্প ন্যুর অ্যাওয়ে ড্রেসিংরুমে সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন ফটোগ্রাফার জোয়ান মনফোর্ত। ২০২৪ সালে স্পেনকে ইউরো জেতাতে ইয়ামাল অবিশ্বাস্য ভূমিকা রাখার পর তার বাবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই ছবিগুলোর একটি প্রকাশ করে ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘দুই কিংবদন্তির সূচনা।’ 

ছবিগুলোতে দেখা যায়, হাসিমুখে ছোট্ট এক শিশুকে কোলে নিয়ে আদর করছেন এবং গোসল করিয়ে দিচ্ছেন মেসি। সেই শিশুই যে পরবর্তীতে মেসির পথ অনুসরণ করে বিশ্ব কাঁপাবে, তা তখন কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।

বিবিসি স্পোর্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফটোগ্রাফার মনফোর্ত বলেন, ‘এটি সত্যিকার অর্থেই নিয়তির এক অলৌকিক ঘটনা। এমন এক কাকতালীয় ঘটনা, যা আপনি কল্পনার বাইরেও ভাবতে পারবেন না। যদি এটি কোনো সিনেমার গল্প হতো, তাহলে মানুষ বিশ্বাসই করত না। মেসি খুবই শান্ত ও লাজুক স্বভাবের মানুষ। ড্রেসিংরুমে এসে হঠাৎ একটি ছোট্ট শিশুকে দেখে কী করতে হবে, তিনি বুঝতেই পারছিলেন না। তবে ইয়ামাল ছিল খুব হাসিখুশি শিশু।’

ইয়ামালের বাবা মরক্কো বংশোদ্ভূত মুনির নাসরাউই এবং মা ইকুয়েটোরিয়াল গিনির শেইলা এবানা। ছোটবেলায় পরিবারের সঙ্গে কাতালোনায় চলে আসা এই দম্পতির প্রথম সন্তান ইয়ামাল। আর তার জন্মের কিছুদিন পরই তার পরিবার কাতালান সংবাদপত্র স্পোর্ট, বার্সেলোনার জার্সি স্পন্সর এবং ইউনিসেফের যৌথ আয়োজিত একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বার্সার প্রথম দলের খেলোয়াড়ের সাথে ফটোশুটের সুযোগ পায়।

দলের ১২ জন ফুটবলারকে ক্যালেন্ডারের জন্য বছরের ১২টি মাসের প্রতীক করে একেকটি শিশুর সঙ্গে জুটি গড়ে দেওয়া হতো। অনেক পরিবার অংশ নিয়েছিল সেই আয়োজনে। আর ভাগ্যক্রমে ইয়ামালের পরিবারের জন্য লটারি জেতার মতো করে নির্ধারিত হন মহাতারকা লিওনেল মেসি। 

অনেকেই মনে করেন, ‘ইয়ামাল’ তার পারিবারিক পদবি, যা আসলে ভুল। তার পুরো নাম লামিনে ইয়ামাল নাসরাউই এবানা। আর্থিক সংকটের সময় পরিবারের পাশে দাঁড়ানো দুই বন্ধুর সম্মানে তার বাবা নাম রেখেছিলেন লামিনে (আরবিতে যার অর্থ সৎ বা বিশ্বস্ত) ও ইয়ামাল (যার অর্থ সৌন্দর্য বা মাধুর্য)। বার্সেলোনা থেকে প্রায় ২০ মাইল উত্তরে মাতারোর শ্রমজীবী এলাকা রোকাফোন্দায় বেড়ে ওঠা ইয়ামাল গোল করার পর আঙুল দিয়ে ‘৩০৪’ ইশারা করে নিজ এলাকার পোস্টকোডের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এল পাইসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মা-বাবার ত্যাগের কথা স্মরণ করে আবেগঘন কণ্ঠে ইয়ামাল বলেন, ‘অর্থ না থাকলে সন্তানের ফুটবল খেলার স্বপ্ন পূরণ করা খুব কঠিন। কিন্তু আমার বাবা-মা সেটা সম্ভব করেছেন। তাদের এই ঋণ আমি কোনো দিন শোধ করতে পারব না।’

কাতালান ও বার্সেলোনা সমর্থক জোয়ান মনফোর্তের কাছে বিশ্বকাপের ফাইনালে মেসি ও ইয়ামালের মুখোমুখি হওয়া প্রায় দুই দশক আগে শুরু হওয়া এক অসাধারণ গল্পের পরিপূর্ণ সমাপ্তি। 

১৯ বছর বয়সে মেসির ক্যারিয়ারে গোল ছিল ১১টি, জিতেছিলেন একবার করে লা লিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। অন্যদিকে, সোমবার ১৯ বছরে পা রাখা লামিনে ইয়ামাল ইতোমধ্যেই ৫৬টি গোল করার পাশাপাশি তিনবার লা লিগা, একবার কোপা দেল রে এবং ইউরো ২০২৪ জিতেছেন।

মনফোর্তে বলেন, ‘আমার মনে হয়, তাদের গল্পের চক্রটি এখন সম্পূর্ণ হতে যাচ্ছে। মেসি যদি দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জিতে ক্যারিয়ার শেষ করতে পারেন, সেটাই হবে সবচেয়ে উপযুক্ত বিদায়। তবে ইয়ামাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, লামিনের সামনে এখনো অনেক সময় আছে। তবে স্পেন ও ইয়ামাল এখন দারুণ ছন্দে আছে। যদি এবারই বিশ্বকাপ জিতে যায়, তাহলে সেটি তার অন্য সব শিরোপার চেয়েও বেশি মূল্যবান হবে।’ সব শেষে মনফোর্তের কণ্ঠে ঝরে পড়ল আবেগ, ‘আমার জন্য বিষয়টি খুব কঠিন। মনে হচ্ছে, আমার হৃদয় যেন দুই টুকরো হয়ে যাচ্ছে।’ 
 

শেবাগের খোঁচা খেয়েও রাগ করলেন না শোয়েব | কালের কণ্ঠ