• ই-পেপার

জ্যোতিষী বললেন, কোহলি-আনুশকার মেয়ে হবে

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ

সেমিফাইনালে বাংলাদেশের একাদশে তিন পরিবর্তন, ফিরেছেন আফঈদা

রানা শেখ, গোয়া থেকে
সেমিফাইনালে বাংলাদেশের একাদশে তিন পরিবর্তন, ফিরেছেন আফঈদা
আফঈদা খন্দকার। ছবি: মীর ফরিদ, গোয়া থেকে

সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে নেপালের বিপক্ষে তিনটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। শুরুর একাদশে ফিরেছেন সেন্টার ব্যাক আফঈদা খন্দকার। 

আফঈদার সঙ্গে একাদশে জায়গা পেয়েছেন ফরোয়ার্ড সুরভী আকন্দ প্রীতি ও উমেহ্লা মারমা। জায়গা হারিয়েছেন মনিকা চাকমা, সুরমা জান্নাত এবং অফফর্মে থাকা শামসুন্নাহার জুনিয়র। 

আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেকের ২৪ ম্যাচ পর গত রবিবার ভারতের বিপক্ষে প্রথমবার একাদশে জায়গা হারান আফঈদা। সাম্প্রতিক সময়টা ভালো যাচ্ছে না তার। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মনিকা চাকমা পুরোপুরি ফিট নন। যে কারণে একাদশে রাখা হয়নি তাকে।

সেরা ছন্দে নেই শামসুন্নাহার জুনিয়রও। রাইট উইংয়ে তাই সুযোগ পেয়েছেন সুরভী আকন্দ প্রীতি। জাতীয় দলে এবারই প্রথম শুরুর একাদশে জায়গা পেলেন প্রীতি। 

গোয়ার জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় ম্যাচ।

বাংলাদেশের একাদশ

গোলরক্ষক: মিলি আক্তার।
রক্ষণ: আফঈদা খন্দকার, সুরভী আরফিন, কোহাতি কিসকু, শামসুন্নাহার সিনিয়র।
মধ্যমাঠ: মারিয়া মান্দা, মমিতা আক্তার, উমেহ্লা মারমা।
ফরোয়ার্ড: ঋতুপর্ণা চাকমা, সুরভী আকন্দ প্রীতি ও আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী।

সৌরভ গাঙ্গুলীর নিরাপত্তা কমল, কারণ কী?

ক্রীড়া ডেস্ক
সৌরভ গাঙ্গুলীর নিরাপত্তা কমল, কারণ কী?
সৌরভ গাঙ্গুলী। ছবি: সংগৃহীত

ক্রিকেট কিংবদন্তি সৌরভ গাঙ্গুলির নিরাপত্তা কমাল ভাতরের পশ্চিমবঙ্গ সরকার। গত তিন বছর ধরে ‘জেড ক্যাটাগরি’র নিরাপত্তা পাওয়া ভারতের সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক এবং সিএবি সভাপতির নিরাপত্তা দুই ধাপ নামিয়ে ‘ওয়াই ক্যাটাগরি’ করে দেওয়া হয়েছে। 

ভারতে প্রধানমন্ত্রী, বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদ, হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, প্রথম সারির রাজনীতিক এবং শীর্ষ আমলারা বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন— ‘এক্স’, ‘ওয়াই’ এবং ‘জেড’। ওয়াই’ এবং ‘জেড’-এর ক্ষেত্রে ‘প্লাস’ বলে আলাদা একটি ক্যাটাগরি থাকে। 

এ ছাড়া সরকারি নির্দেশে শিল্পপতি, তারকা, খেলোয়াড়সহ বিশিষ্ট নাগরিকেরাও নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। কার জীবনের ঝুঁকি কতটা তা খতিয়ে দেখে ঠিক করা হয় তিনি কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা পাবেন। 

‘জেড ক্যাটাগরি’তে সুরক্ষার দায়িত্বে অন্তত ৩৫ জন থাকেন। তার মধ্যে থাকেন রাজ্য পুলিশের কমান্ডো। এ ছাড়া রাজ্য সরকারের ‘জেড ক্যাটাগরি’তে পাইলট কারও থাকে। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌরভের নিরাপত্তার দায়িত্বে ৮ থেকে ১০ জন পুলিশ মোতায়েন ছিল। ২০২৩-র মাঝামাঝি পর্যন্ত ‘ওয়াই ক্যাটাগরি’র নিরাপত্তা পেতেন সাবেক এই ক্রিকেটার। তখন কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের তিনজন তার নিরাপত্তায় থাকতেন। সৌরভের বাড়িতেও পুলিশকর্মীরা নিরাপত্তায় থাকতেন। তবে ২০২৩-র মে মাসে তার নিরাপত্তা বাড়িয়ে ‘জেড ক্যাটাগরি’ করে দেয় তৎকালীন তৃণমূল সরকার। 

এবার দুই ধাপ কমিয়ে ফের সেটাকে ‘ওয়াই ক্যাটাগরি’তে ফিরিয়ে আনল বর্তমান বিজেপি সরকার। সাধারণত ‘ওয়াই ক্যাটাগরি’তে নিরাপত্তার দায়িত্বে ৩ থেকে ৪ জন থাকেন। তার মধ্যে দুজন সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী থাকেন। 

রাজ্যে পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন, প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিরাপত্তা কোনো রাজনৈতিক নেতাকেই দেওয়া হবে না। এমনকি রাজনীতিবিদ ছাড়া কারা সরকারি নিরাপত্তা পান, সেটাও খতিয়ে দেখা হয়।

সরকার বদলের পর তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তাও কমিয়ে দেওয়া হয়। ‘জেড প্লাস’ নয়, একজন সাংসদ হিসেবে যে নিরাপত্তা তার প্রাপ্য তা বরাদ্দ করা হয়। পরে অবশ্য সোনারপুরে জনরোষের শিকার হওয়ার পর তাকে ‘এক্স ক্যাটাগরি’র নিরাপত্তা দেওয়া হয়।

এর পাশাপাশি তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব কুমার ছাড়াও তৃণমূলের ১০ নেতার নিরাপত্তা কমানো হয়। ফিরহাদ হাকিম পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী এবং মেয়র হিসেবে ‘জেড ক্যাটেগরি’র নিরাপত্তা পেতেন। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যরা ভোটে হেরে গিয়েছেন। কাজেই সেই হিসেবেই নিরাপত্তা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সে ধারাবাহিকতায় এবার কমানো হলো সৌরভের নিরাপত্তা। 

শীর্ষে ফ্রান্স-স্পেন, ছয়ে ব্রাজিল; আর্জেন্টিনা কততে?

ক্রীড়া ডেস্ক
শীর্ষে ফ্রান্স-স্পেন, ছয়ে ব্রাজিল; আর্জেন্টিনা কততে?
ছবি : রয়টার্স

দরজায় কড়া নাড়ছে ২০২৬ বিশ্বকাপ। এর আগে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর বাজারমূল্য নিয়ে নতুন এক বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ট্রান্সফাররুম। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স, বয়স থেকে অনেক কিছু বিবেচনায় নিয়ে দলগুলোর বাজারমূল্য নির্ধারণ করেছে তারা।

তালিকায় প্রায় ১.৪৬ বিলিয়ন ইউরো বাজারমূল্য নিয়ে শীর্ষে আছে ফ্রান্স। এরপর ১.৪১ বিলিয়ন ও ১.৪০ বিলিয়ন ইউরো বাজারমূল্য নিয়ে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে আছে স্পেন ও ইংল্যান্ড। 

তালিকায় এরপরই আছে জার্মানি ও পর্তুগাল। তাদের স্কোয়াডের বাজারমূল্যও বিলিয়নের উপরে। 

তালিকায় লাতিন পরাশক্তি ব্রাজিল আছে ষষ্ঠ স্থানে। নেইমার-ভিনিদের নিয়ে গড়া আনচেলত্তির সেলেসাও স্কোয়াডের বাজারমূল্য ৯৪১ মিলিয়ন ইউরো। বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ব্রাজিলের সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার আনুমানিক বাজারমূল্য ১২৮ মিলিয়ন ইউরো। 

এ ছাড়া তালিকায় আর্জেন্টিনার অবস্থান অষ্টম। লিওনেল মেসিকে নিয়ে আলবিসেলেস্তেদের বাজারমূল্য ৭৩৯ মিলিয়ন ইউরো। 

১৫ বছরেই বড় বড় কিংবদন্তিদের রেকর্ড চুরমার করলেন সূর্যবংশী!

ক্রীড়া ডেস্ক
১৫ বছরেই বড় বড় কিংবদন্তিদের রেকর্ড চুরমার করলেন সূর্যবংশী!
বৈভব সূর্যবংশী

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) বহু প্রতিভাবান ক্রিকেটারের জন্ম দিয়েছে। তবে ২০২৬ মৌসুমে যা করলেন বৈভব সূর্যবংশী, তা শুধু প্রতিভার পরিচয় নয়, বরং ইতিহাসের অন্যতম বিস্ময়কর সূচনা হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মাত্র ১৫ বছর বয়সে নিজের প্রথম পূর্ণাঙ্গ আইপিএল মৌসুম খেলেই রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়েছেন রাজস্থান রয়্যালসের এই তরুণ ব্যাটার। ১৬ ম্যাচে ৭৭৬ রান করে জিতেছেন অরেঞ্জ ক্যাপ। তার গড় ছিল ৪৮.৫০ এবং স্ট্রাইক রেট ২৩৭.৩১। পুরো মৌসুমে হাঁকিয়েছেন ৭২টি ছক্কা।

এতেই শেষ নয়। অরেঞ্জ ক্যাপের পাশাপাশি তিনি জিতেছেন এমভিপি, সুপার স্ট্রাইকার, ইমার্জিং প্লেয়ার এবং সর্বোচ্চ ছক্কার পুরস্কারও।

২০২৫ সালে আংশিক মৌসুম খেলার পর ২০২৬ শেষে আইপিএলে বৈভবের ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান দাঁড়িয়েছে ২৩ ম্যাচে ১,০২৮ রান। গড় ৪৪.৬৯, স্ট্রাইক রেট ২২৮.৯৫। রয়েছে দুটি সেঞ্চুরি ও ছয়টি হাফসেঞ্চুরি।

এই পর্যায়ে এসে তুলনা শুরু হয়েছে আইপিএলের কিংবদন্তিদের সঙ্গে। আর সেই তুলনায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এগিয়ে রয়েছেন বৈভব।

ক্রিস গেইল প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌসুম শেষে ২৮ ম্যাচে করেছিলেন ১,০৭১ রান। গড় ছিল ৪৪.৬২ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬২.৫২। রানের হিসেবে গেইল কিছুটা এগিয়ে থাকলেও বৈভব পাঁচ ম্যাচ কম খেলে প্রায় সমান রান করেছেন। আর স্ট্রাইক রেটের ব্যবধান প্রায় ৬৬ রান।

অন্যদিকে এবি ডি ভিলিয়ার্সের প্রথম পূর্ণ মৌসুম শেষে রান ছিল ৫৬০, ডেভিড ওয়ার্নারের ৪৪৫, সুরেশ রায়নার ৪২১, মহেন্দ্র সিং ধোনির ৪১৪ এবং রোহিত শর্মার ৪০৪। এমনকি আইপিএলের সর্বকালের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক বিরাট কোহলিরও প্রথম পর্যায়ের পরিসংখ্যান ছিল মাত্র ১৬৫ রান।

পরিসংখ্যান বলছে, আইপিএলের ইতিহাসে এত দ্রুত, এত ধারাবাহিক এবং এত বিধ্বংসী সূচনা আর কোনো ব্যাটার করতে পারেননি। বিশেষ করে ২২৮.৯৫ স্ট্রাইক রেট নিয়ে এক হাজারের বেশি রান করা প্রায় অবিশ্বাস্য কীর্তি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈভবের সাফল্যের সবচেয়ে বড় দিক হলো তিনি শুধু রানই করেননি, ম্যাচের গতিপথও বদলে দিয়েছেন। পাওয়ারপ্লে থেকেই প্রতিপক্ষ বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে রাজস্থানকে বারবার শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছেন।

তবে এখনো তাকে আইপিএলের সর্বকালের সেরাদের কাতারে রাখা হচ্ছে না। কারণ দীর্ঘ ক্যারিয়ার, ধারাবাহিকতা, চাপের ম্যাচে পারফরম্যান্স এবং সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার বিষয়গুলো এখনো বাকি।

তারপরও একটি বিষয়ে প্রায় সবাই একমত, প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌসুমের বিচারে আইপিএলের ইতিহাসে বৈভব সূর্যবংশীর মতো বিস্ফোরক সূচনা আর কেউ করতে পারেননি।

জ্যোতিষী বললেন, কোহলি-আনুশকার মেয়ে হবে | কালের কণ্ঠ