• ই-পেপার

নিরপেক্ষ ভেন্যুতেই হবে এশিয়া কাপ : পিসিবি প্রেসিডেন্ট

অস্ট্রিয়া ম্যাচে তিন রেকর্ড গড়তে মাঠে নামবেন মেসি

ক্রীড়া ডেস্ক
অস্ট্রিয়া ম্যাচে তিন রেকর্ড গড়তে মাঠে নামবেন মেসি
অনুশীলনের মাঝে ফ্রেমবন্দি মেসি। ছবি : রয়টার্স

নিজেকে এমন এক পর্যায়ে নিয়েছেন লিওনেল মেসি, মাঠে নামলেই কোনো না কোনো রেকর্ড গড়েন তিনি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে যেমন বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড গড়েছেন।

সেই ম্যাচের তিন গোল করে পেয়েছেন বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে প্রথম হ্যাটট্রিক। তাতে ছুঁয়েছেন সর্বোচ্চ গোলের কীর্তি। ১৬ গোল নিয়ে বর্তমানে জার্মানির কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে আছেন মেসি। এবার তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পালা। এক গোল করলেই রেকর্ডটা নিজের করে নেবেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।

ক্লোসার আরেকটি রেকর্ডও কেড়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন মেসি। বিশ্বকাপে খেলোয়াড় হিসেবে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের। দুজনেরই ম্যাচ জয়ের সংখ্যা এখন ১৬।

বিপরীতে রবার্তো রিভেলিনোর এক রেকর্ড ভাঙার সুযোগ পাচ্ছেন মেসি। বক্সের বাইরে থেকে সর্বোচ্চ গোল করার রেকর্ড। ১৯৭০ ও ১৯৭৪ বিশ্বকাপ মিলিয়ে ৫ গোল করেছিলেন ব্রাজিল কিংবদন্তি। আলজেরিয়ার বিপক্ষে গোল করে তার পাশে বসেন। এবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে সেলেসাওয়ের বিশ্বকাপজয়ী তারকাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন মেসি।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে আগামীকাল রাত ১১টায় ম্যাচটি খেলবে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচটি ডালাসে খেলবে আলবিসেলেস্তারা।

সুপার সাবের শেষ মুহূর্তের গোলে নকআউটে জার্মানি

ক্রীড়া ডেস্ক
সুপার সাবের শেষ মুহূর্তের গোলে নকআউটে জার্মানি
সুপার সাব উনদাভকে (সামনে) ঘিরে জার্মানির খেলোয়াড়দের উচ্ছ্বাস। ছবি : রয়টার্স

যোগ করা সময় শেষ হওয়ার আর ২ মিনিট বাকি ছিল। এরপরেই খেলা শেষের বাঁশি বাঁজাতেন রেফারি। দুই দলের খেলোয়াড়রা তাই ড্রয়ের প্রস্তুতিই নিচ্ছিল। তবে তা হতে দিলেন না বদলি নামা ডেনিজ উনদাভ। জোড়া গোল করে ম্যাচ জেতালেন বদিল নামা ফরোয়ার্ড।

উনদাভের জোড়া গোলে প্রত্যাবর্তনের গল্প লেখে জার্মানি। কেননা প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়ে বিরতিতে গিয়েছিল ৪ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেই গোল শোধ দিতে জান বের হয়ে যাচ্ছিল জার্মানির। ৬০ মিনিটে বদলি নেমে পরে জার্মানির ত্রাণকর্তা হলেন উনদাভ। ২-১ ব্যবধানের জয় এনে দিয়ে।

অথচ, টরেন্টোয় শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজায় জার্মানি। ম্যাচের ১০ মিনিটে তো গোলের দেখা প্রায় পেয়েই গিয়েছিল জার্মানি। জশুয়া কিমিখের ক্রস থেকে দারুণ এক হেড নিয়েছিলেন কাই হাভার্টজ। তার মাথা ছুঁয়ে বল জালেও জড়ানোর পথে ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত সেভ দেন আইভরি কোস্টের গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা।

ম্যাচের ১৮ মিনিটে দলকে লিড এনে দেওয়ার দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিলেন জামাল মুসিয়ালা। কিন্তু বক্সের বাইরে থেকে যে শটটি নিলেন তা গোলপোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে যায়। তাতে গোল পাওয়ার অপেক্ষা বাড়ে।

২১ মিনিটে অবশ্য জালের দেখা পেয়েছিল জার্মানি। তবে কর্নার থেকে গোল হওয়ার সময় আইভরি কোস্টের গোলরক্ষককে আলেক্সজান্ডার পাভলোভিচ ধাক্কা দেওয়ায় তা বাতিল হয়।

শুরু থেকেই আক্রমণ জার্মানি সাজালেও এগিয়ে যায় আইভরি কোস্ট। ৩০ মিনিটে লিড এনে দেওয়ার কাজটি করেন অধিনায়ক ফ্রাঙ্ক কেসি। আমাদ দিয়ালোর শট জার্মানির ডিফেন্ডার ব্রাউন ব্লক করলে ফাঁকা জালে বল জড়াতে ভুল করেননি কেসি।

পিছিয়ে পড়ে গোল শোধ দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানি। তার ফলও পেয়েছিল তারা। তবে হাভার্টজ বলকে জালে জড়ালেও আইভরি কোস্টের এক খেলোয়াড় আগেই ফাউলের শিকার হলে গোলটি বাতিল হয়। পরে সমতায় ফেরার অপেক্ষা নিয়ে বিরতিতে যায় জার্মানি।

বিরতি শেষে সময় পেরিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু জার্মানির আর সমতায় ফেরা হচ্ছিল না। অবশেষে ৬৮ মিনিটে সেই সুযোগ পায় তারা। দুই বদলি নামা ফুটবলারের ভাগ্যে ফেরে তাদের। মিডফিল্ডার নাদিয়েম আমিরির ক্রসে ভলি করে দলেকে সমতায় ফেরান উনদাভ।  

অন্যদিকে ৮৮ মিনিটে যেন জয়টা জার্মানির হাতে তুলে দিল আসল আইভরি কোস্ট। সিমন আদিঙ্গারকে মুখে তুলে দেওয়ার মতো এক বল বাড়িয়েছিলেন বদলি নামা পেপে। কিন্তু বাঁ প্রান্তের ফাঁকায় বল পেয়ে গোলরক্ষককে একা পেয়েও শট নিতে দেরি করলেন আদিঙ্গার। ফল জার্মানির ডিফেন্ডাররা এসে ক্লিয়ার করল বল। 

বিপরীতে ফিরতি মিনিটে লিড নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল জার্মানি। তবে গোলরক্ষকের দারুণ ক্ষিপ্রতায় বেঁচে যায় আইভিরি কোস্ট। নাথানিয়েল ব্রাউনের শটে দুর্দান্ত সেভ দেন ফোফানা। যোগ করা সময়ে আরেকটি সেভ দেন তিনি। এবার আমিরির শট ধরে ফেলেন।

তবে যোগ করা সময়ে আর পারলেন না ফোফানা। বদলি নামা আনদাভের শটটায় অবশ্য কিছু করার ছিল না আইভরি কোস্টের গোলরক্ষকের। ফেলিক্স এনমেচার বল বক্সের মধ্যে আনমার্ক অবস্থায় পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি উনদাভ। স্টুটগার্টের ফরোয়ার্ডের গোল হতেই উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে জার্মানির ডাগআউট থেকে পুরো গ্যালারিতে।

সুপার সাবের জোড়া গোলের জয়ে নকআউট নিশ্চিত করেছে জার্মানি। তাতে এক যুগ পর নকআউটে জায়গা পেয়েছে তারা। সর্বশেষ ২০১৪ বিশ্বকাপে যখন খেলে তখন চ্যাম্পিয়নই হয়েছিল তারা। আজকের জয়ে দুই ম্যাচে ৬ পয়েন্টে ‘ই’ গ্রুপে এখন তারা শীর্ষে। বিপরীতে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আইভরি কোস্ট।

জার্মানির বিপক্ষে লিড নিয়ে বিরতিতে আইভরি কোস্ট

ক্রীড়া ডেস্ক
জার্মানির বিপক্ষে লিড নিয়ে বিরতিতে আইভরি কোস্ট
গোলের পর দুই হাত ছড়িয়ে কেসির উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

কুরাসাওকে ‘সেভেন আপ’ দেওয়ায় হয়তো অনেকেই ভেবেছিল আজ সহজেই জয় পাবে জার্মানি। তাদের জন্য অবশ্য দুঃসংবাদ রয়েছে। প্রথমার্ধ শেষে জার্মানি ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছে।

ম্যাচের এখনো অর্ধেক সময় বাকি থাকায় ফল পরিবর্তনের সুযোগ অবশ্য স্বাভাবিকভাবেই পাচ্ছে জার্মানি। শেষে পারবে কিনা সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে প্রথমার্ধে আইভরি কোস্টকে লিড এনে দিয়েছেন ফ্রাঙ্ক কেসি। সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এই ডিফেন্ডার। 

অথচ, টরেন্টোয় শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজায় জার্মানি। ম্যাচের ১০ মিনিটে তো গোলের দেখা প্রায় পেয়েই গিয়েছিল জার্মানি। জশুয়া কিমিখের ক্রস থেকে দারুণ এক হেড নিয়েছিলেন কাই হাভার্টজ। তার মাথা ছুঁয়ে বল জালেও জড়ানোর পথে ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত সেভ দেন আইভরি কোস্টের গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা।

ম্যাচের ১৮ মিনিটে দলকে লিড এনে দেওয়ার দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিলেন জামাল মুসিয়ালা। কিন্তু বক্সের বাইরে থেকে যে শটটি নিলেন তা গোলপোস্টের অনেক বাইরে দিয়ে যায়। তাতে গোল পাওয়ার অপেক্ষা বাড়ে।

২১ মিনিটে অবশ্য জালের দেখা পেয়েছিল জার্মানি। তবে কর্নার থেকে গোল হওয়ার সময় আইভরি কোস্টের গোলরক্ষককে আলেক্সজান্ডার পাভলোভিচ ধাক্কা দেওয়ায় তা বাতিল হয়।

শুরু থেকেই আক্রমণ জার্মানি সাজালেও এগিয়ে যায় আইভরি কোস্ট। ৩০ মিনিটে লিড এনে দেওয়ার কাজটি করেন অধিনায়ক ফ্রাঙ্ক কেসি। আমাদ দিয়ালোর শট জার্মানির ডিফেন্ডার ব্রাউন ব্লক করলে ফাঁকা জালে বল জড়াতে ভুল করেননি কেসি।

পিছিয়ে পড়ে গোল শোধ দিতে মরিয়া হয়ে ওঠে জার্মানি। তার ফলও পেয়েছিল তারা। তবে হাভার্টজ বলকে জালে জড়ালেও আইভরি কোস্টের এক খেলোয়াড় আগেই ফাউলের শিকার হলে গোলটি বাতিল হয়। পরে সমতায় ফেরার অপেক্ষা নিয়ে বিরতিতে যায় জার্মানি। 

বিশ্বকাপে অন্যরকম সেঞ্চুরি নেদারল্যান্ডসের

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে অন্যরকম সেঞ্চুরি নেদারল্যান্ডসের
গোলের পর সামারভিলের উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

সেঞ্চুরির কথা উঠলে সবার আগে ক্রিকেটের কথাই মনে পড়বে। ২২ গজে ব্যাটাদের সেঞ্চুরির উদযাপন দেখতে আমরা অভ্যস্ত। তবে শব্দটির অন্য ব্যবহারও আছে।

আজ যেমন নেদারল্যান্ডসের গোলের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাচ্ছে। হিউস্টনে আজ সুইডেনকে গোল বন্যায় ভাসিয়েছে ডাচরা। ৫-১ গোলের বড় জয়ে একটা কীর্তি গড়েছে তারা।

বিশ্বকাপে গোলের সেঞ্চুরি আছে এমন দলের নামের পাশে বসেছে নেদারল্যান্ডস। অষ্টম দল হিসেবে তারা কমপক্ষে ১০০ গোল করেছে। সবমিলিয়ে তাদের গোলসংখ্যা এখন ১০৩।

 

গোলের তালিকায় সবার শীর্ষে আছে ব্রাজিল। এখন পর্যন্ত একমাত্র দল হিসেবে সব বিশ্বকাপে খেলা সেলেসাওদের গোল ২৪১। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বাইরে কমপক্ষে ২০০ গোল করেছে আর শুধু জার্মানি। ৪ বারের চ্যাম্পিয়নদের গোল ২৩৯। 

জার্মানির সুযোগ থাকছে সেলেসাওদের টপকে যাওয়ার। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আইভরি কোস্টের বিপক্ষে তারা ম্যাচও খেলতে নেমেছে টরেন্টো স্টেডিয়ামে। ব্রাজিল-জার্মানির পরেই যথাক্রমে আছে আর্জেন্টিনা (১৫৫), ফ্রান্স (১৩৭), ইতালি (১২৮), স্পেন (১০৮) ও ইংল্যান্ড (১০৪)।

নিরপেক্ষ ভেন্যুতেই হবে এশিয়া কাপ : পিসিবি প্রেসিডেন্ট | কালের কণ্ঠ